আটক শাফায়েত হোসেন। ছবি আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও।

শাহিদ মোস্তফা শাহিদ, সদর

কক্সবাজার সদরের ইসলামপুর ইউনিয়নের গহীন জঙ্গল থেকে শাফায়েত হোসেন নামের অপহরণকারী চক্রের সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৫ টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

আটক শাফায়েত ইউনিয়নের পুর্ব নাপিতখালী ভিলেজার পাড়ার মোজাম্মেল হকের ছেলে।

সে ডাকাত ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী।তার বিরুদ্ধে ৪১ টি মামলার আসামী বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়,আটককের পুর্বে শাফায়েতের নেতৃত্বে আরো ৪/৫ জন ডাকাত দলের সদস্য অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পাহাড়ে প্রবেশ করতে দেখে স্থানীয় লোকজন।এসময় তাদের আটকের চেষ্টা করে স্থানীয় জনতা।তখন জনগনকে লক্ষ করে ২/৩ রাউন্ড গুলি বর্ষন করে শাফায়েতের বসত ঘরে ঢুকে পড়ে ডাকাতরা। তাৎক্ষণিক এলাকাবাসী বসতঘরটি ঘেরাও করে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।

ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস.আই দেবাশীষ সরকারের নেতৃত্বে এ.এস.আই লিটনুর রহমান জয়সহ সঙ্গীয় একদল পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘর থেকে তাকে আটক করে।পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে অত্যাধুনিক এলজি ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জন ডাকাত। তাদের আটকেরও চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার শাহাব উদ্দীন জানিয়েছে, আটককৃত শেফায়েত প্রায়শই বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে পাহাড়ে অপহরণ বানিজ্যে লিপ্ত ছিল।সে পেশাদার অপহরণকারী ও ডাকাত।তার বাবা মোজাম্মেল হকও পেশাদার ডাকাত ছিল।তার বিরুদ্ধে থানা- কোর্টে ৪১ টি মামলা বিচারধীন রয়েছে। জানতে চাইলে অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তা এস.আই দেবাশীষ সরকার সকালের কক্সবাজারকে জানান, আটককৃত শাফায়েতসহ একদল ডাকাত অপহরণের উদ্দেশ্যে পাহাড়ে প্রবেশ করতে দেখে স্থানীয় লোকজন তাদের আটকের চেষ্টা করে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গুলি করার হুমকি দিয়ে ঘঅরে ঢুকে পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।অপরদিকে আটককৃত শাফায়েত এর মা দাবী করেন স্থানীয় ডাকাত জাফর নামের এক ব্যক্তি তার অপরাধ ডাকতে অস্ত্র দিয়ে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •