সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
সারা পৃথিবীর ন্যায় সিএইচআরডিএফ এর উদ্যোগে কক্সবাজারে পালিত হলো জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস। যা সারা বিশ্বব্যাপী ১৯৮৫ সাল থেকে পালিত হয়ে আসছে। এই রকম একটা দিবস পালনের প্রধান উদ্দ্যেশ্য হলো, সমাজে স্বেচ্ছাসেবকদের অবদান ও আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা জনসাধারণকে মনে করিয়ে দেওয়া।
৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবসে কুয়াশার চাদর ভেদ করে উঁকি দিলো সূয্যি মামা। হালকা ঠা-া কেটে উঠতে না উঠতেই ডাক পড়লো স্বেচ্ছাসেবক কর্মী ভাইদের উপর। এরপর স্বেচ্ছাসেবক ভাইদের প্রতি বিনম্র ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে শুরু হলো কর্মসূচি। তারপর সি.এইচ.আর.ডি.এফ পরিবারের পক্ষ থেকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তিনি অত্যন্ত খুশি হলেন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের কে অনুপ্রাণিত করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জেলা প্রধান জিল্লুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় তিনি স্বেচ্ছায় কাজের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন এবং এর সুবিধা ব্যক্ত করেন।
দিনটিতে কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এ.কে.এম ফজলুল করিম চৌধুরী, বি.এন.সি.সি. সেনা শাখার প্রধান মুফিদুল আলম, বি.এন.সি.সি নৌশাখার প্রধান মোহাম্মদ উল্লাহসহ অন্যান্যদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। এ সময় অধ্যক্ষ এ.কে.এম ফজলুল করিম চৌধুরী স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং এ কাজ সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করেন। একইভাবে আঞ্চলিক অফিস প্রধান আব্দুল কুদ্দুস, সি.এইচ.আর.ডি.এফ এর সভাপতি মহিউদ্দিন (মহি), কক্সবাজার জেলার ফায়ার সার্ভিস এর উপপরিচালক আব্দুল মালেক, প্রথম আলো বন্ধু সভার সভাপতি ইব্রাহীম খলিলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। প্রত্যেকে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের জন্য প্রশংসা করেন এবং এ কাজের ধারা কে অব্যাহত রেখে বিশ্বব্যাপী প্রচার প্রসার করার আহ্বান জানান। কারণ স্বেচ্ছাসেবকরাই পারে পৃথিবীর গতিপথ পাল্টে দিতে। এ কাজ যেন কোনভাবেই পিছু না হটে তার জন্য একান্ত অনুরোধ করেন।
স্বেচ্ছাসেবকরাই মূলতঃ সময়ে অসময়ে ছুটে আসে মানুষের সেবা করতে। এরাই আমাদের দেশের স¤পদ, দেশের রক্ষক। পরিশেষে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি অজস্র সম্মান ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে কার্য দিবসের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •