cbn  

পেকুয়া সংবাদদাতা :

পেকুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরজ্জামান মঞ্জু কে আটক করছে থানা পুলিশ। গত ২ ডিসেম্বর বিকালে বারবাকিয়া বাজার সংলগ্ন তার বাড়ীর সামনে থেকে পেকুয়া থানার তদন্ত ওসি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। থানাসূত্র জানায়, আটক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইলিগেশন থাকায় তাকে আটক করা হয়েছে।

আটকের বিষয় নিয়ে সদর ইউনিয়নের মেহেরনামাস্থ ভাইস চেয়ারম্যানের নিজ বাড়িতে তার স্ত্রী আয়েশা ছিদ্দিকা ও তার পরিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু সহ আটক ভাইস চেয়ারম্যানের পরিবারের সদস্যবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ভাইস চেয়ারম্যানের স্ত্রী আয়েশা ছিদ্দিকা দাবী করেন, “দুপুরে উপজেলা অফিস থেকে আমার স্বামী বাড়ীতে গিয়ে দুপুরের নামাজ আদায়ের জন্য ওযু করে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় বাড়ীর সামনে থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় পেকুয়া থানা পুলিশ। আমার স্বামীর বিরুদ্ধে একটি মামলাও ওয়ারেন্ট নেই। অথচ নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধ এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তার না করার ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও বিনা ওয়ারেন্টে তাকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরো দাবী করেন, আমি পেকুয়া থানার ওসির কাছে আমার স্বামীকে কি কারণে আটক রাখা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। শুধু বলেছেন তার বিরুদ্ধে ‘ইলেগেশন’ আছে। আমি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আমার অনুরোধ আমার স্বামীকে কোন গায়েবী মামলায় আসামী না করে অবিলম্বে মুক্তি দিন। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে আরো বলেন, আমার স্বামীর সাথে আমাকে দেখা করতে দেয়া হয়নি পুলিশ।”

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “নির্বাচনের আগে একজন জনপ্রতিনিধিকে বিনা ওয়ারেন্টে, বিনা কারণে গ্রেফতার করা শুভ লক্ষণ নয়। আমি এলাকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বলে প্রশাসনের কাছে দাবী করছি তাকে গ্রেফতারের সুনিদিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করুন।”। এসময় সংবাদ সম্মেলনে আটক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুজ্জামানের পিতা মো: কালু ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন বক্তব্য দেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •