cbn  

৩০ নভেম্বর ২০১৮ ইং কক্সবাজারের স্থানীয় দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকায় “ইয়াবা গডফাদারদের ধরছে না পুলিশ” ‘জাফর আলম ও শাহজাহান চেয়ারম্যানসহ সাংসদ বদিও আত্মীয় স্বজন ও ঘনিষ্টরা ধরাছোঁয়ার বাইরে’ প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদের একাংশে ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসায়ীদের সাথে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা ও ভাইসহ আমাকে জড়ানো হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এ প্রসঙ্গে আমাদের পরিবারের স্পষ্ট বক্তব্য হলো, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য আমাদের শত্রুপক্ষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। কুচক্রী মহল নির্বাচনী পরিবেশকে বিনষ্ট করার জন্য সাংসদ বদিসহ আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করেছে। এর আগেও একইভাবে আমাদের পরিবারকে আক্রমন করে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। যারা এসব অপপ্রচারে লিপ্ত তারা কোনভাবেই প্রমান করতে পারেনি আমাদের পরিবারের কেউ ইয়াবা বা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত! তারাই কৌশলে হয়ত আমাদের কাউকে তালিকাভূক্ত বানাচ্ছে! কিন্তু তাদের কাছে এবিষয়ে কোন ধরনের প্রমান নাই। আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো যাারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা এর কোন ধরনের প্রমান করতে ব্যর্থ হলে আমার পরিবার আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। মূলত অতীত নির্বাচনে পরাজয়ে জ¦ালা সইতে না পেরে পরাজিত রাজনৈতিক শক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট এবিষয়ে সুষ্ট তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। অভিযানে সবচেয়ে বেশি টেকনাফে মাদকব্যবসায়ী গ্রেফতার ও নিহত হয়েছে। বর্তমানে এখানে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দিয়েছে। শুরু থেকেই মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে আমি ও আমার পিতা সোচ্চার হই। বিভিন্ন সভা-সেমিনারে মাদকের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে আসছি। সেখানে আমার পরিবারকে জড়িয়ে কুচক্রী মহলটি ইয়াবার নানা গল্প রচয়িত করছে বার বার। যা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো। বিষয়টি সত্যিই উদ্বেগজনক। এখানকার সাধারণ মানুষ আমাদের সম্পর্কে ভালভাবেই জানেন, চেনেন ও বুঝেন। হালাল ব্যবসাই আমাদের রুজির একমাত্র উৎস। সেখানে মাদকের সাথে সম্পৃক্ততা থাকার প্রশ্নই আসেনা। যদি আমি বা আমার পরিবারের কেউ মাদকের সাথে জড়িত থাকতো তাহলে আমরাও পলাতক থাকতাম। প্রকাশ্যে আর ঘুরাফেরা করতে পারতাম না। টেকনাফের অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদের কলঙ্ক আমাদের ঘাড়ে না চাপানোর জন্য সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, জনগনের অকৃত্রিম ভালবাসার কারনে আমার পিতা জাফর আহমেদ প্রথমেই ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার নির্বাচিত হন তিনবার, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন একবার এবং বর্তমানে টেকনাফ উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এরই ধারাবাহিকতায় জনগণ আমাকেও বিপুল ভোটে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। মূলত আমি একজন ক্রিকেটার ছিলাম। ঢাকার ওয়ারি ক্লাবে খেলতাম। নির্বাচনের মাত্র ১বছর পূর্বে আমি এলাকায় আসি। এই অল্প সময়েই জনগনের ভালবাসায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। এখন জনগনের সাথে মিশে তাদের সেবায় নিয়োজিত আছি। কিন্তু দুখ:জনক হলেও সত্য, বর্তমানে ইয়াবার কালো টাকা খরচ করে প্রতিপক্ষ ইয়াবা কারবারীরা আবারো অপপ্রচারে নেমেছে। সামাজিকভাবে সুপ্রতিষ্টিত ও সুশিক্ষিত পরিবার। সংবাদটি প্রকাশের কারনে আমাদের কোটি কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। সামাজিকভাবে আমাদের পরিবারকে অপদস্থ করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এসব ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে এহেন মানহানিকর মনগড়া রূপকথার গল্প না ছাপাতে সংশ্লিষ্ট পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। পাশাপাশি বলতে চাই, পরাজিত শক্তি এসব অপতৎপরতা বন্ধ না করলে জনগণকে সাথে নিয়ে এর মোকাবেলা করা হবে।

প্রতিবাদকারী

শাহাজান মিয়া

চেয়ারম্যান

সদর ইউনিয়ন, টেকনাফ উপজেলা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •