cbn  

 

আলমগীর মানিক,রাঙামাটি :

ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত যুবকের লাশ উদ্ধারের পর ঠিক একমাস সময়ে সন্ধিক্ষনে আবারো এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে রাঙামাটি শহরের আবাসিক হোটেল আল হেলাল থেকে। সোমবার রাত আটটার দিকে হোটেলটির ১১২ নাম্বার রমের ভেতর ফ্যানের সাথে ঝুলানো আরো একটি লাশ উদ্ধার করে রাঙামাটির কোতয়ালী থানা পুলিশ। নিহত যুবকের প্রকৃত নাম কাউসার হোসেন রুবেল (২৭)। পিতাঃ ইসমাইল হোসেন। সে লক্ষিপুর জেলার রায়পুর থানাধীন উত্তর কেরুয়া ইউনিয়নের নয় নং ওয়ার্ডের হাজিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। হোটেল আল হেলালের ম্যানেজার মো. রমিজ উদ্দিন জানান, রোববার (২৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১০ টার সময় আরো এক যুবককে সাথে নিয়ে নিজের নাম আক্কাছ পরিচয় দিয়ে হোটেলটির একটি ডাবল বেডের রুম ভাড়া নেয়। হোটেল ম্যানেজার জানান, উক্ত যুবকের সাথে আসা অপর যুবকটি রাতেই অন্যত্র চলে যায়। এরপর সকাল থেকে রুমের ভেতরে থাকা আক্কাছ নামীয় যুবক বের না হওয়ায় সন্ধ্যার দিকে বিষয়টি সন্দেহ হলে কোতয়ালী থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে দরজা ভেঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উক্ত যুবকের লাশ নীচে নামায়। কোতয়ালী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই লিমন বোস জানিয়েছেন, আমরা নিহতের লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছি। আপাতত ইউডি মামলা রেকর্ড করে ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন এসআই লিমন বোস।

এদিকে এসআই মোবারক হোসেন জানিয়েছেন, আমরা নিহতের পকেটে পাওয়া মোবাইলে কয়েকটি নাম্বারে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছি যে, ভূল নাম ঠিকানা ব্যবহার করে সে হোটেলে রুম নিয়েছিলো। উক্ত যুবকের আসল নাম কাউসার হোসেন রুবেল (২৭)। পিতাঃ ইসমাইল হোসেন। সে লক্ষিপুর জেলার রায়পুর থানাধীন উত্তর কেরুয়া ইউনিয়নের নয় নং ওয়ার্ডের হাজিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এসআই মোবারক জানান, আমরা নিহতের পরিবারকে সনাক্ত করে তাদেরকে খবরটি জানিয়েছি। তারা গ্রামের বাড়ি থেকে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে বলে আমাদেরকে জানিয়েছে। তারা আসলে হয়তো আরো কিছু তথ্য জানা যাবে।

এদিকে, রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারের জামে মসজিদের সামনে অবস্থিত এই হোটেলটি থেকে এর আগেও চলতি বছরের গত ২৭ অক্টোবর দুপুরে ১০২ নাম্বার রুম থেকে আ. হালিম (২৬), নামে আরো এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছিলো পুলিশ। উক্ত যুবক রাঙামাটি শহরের ফরেষ্ট কলোনীর বাসিন্দা ছিলো। হোটেল কর্তৃপক্ষ সেসময় জানিয়েছিলো ১০২ নম্বর রুমের ব্যক্তিকে ডাকাডাকি করার পরও রুম খুলছে না দেখে পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ এসে রুমের দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •