নির্বাচনী সমীকরণ : আসন কক্সবাজার-৪

|| মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী ||

লক্ষী আসন হিসাবে খ্যাত কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট যুদ্ধ কেমন হবে, তা নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নাই। এ আসনে যেদল বা জোট থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয় সাধারণত: সে দল বা জোটই সরকার গঠন করে থাকে। তাই অনেকেই কক্সবাজার-৪ সংসদীয় আসনকে লক্ষী আসন বলে থাকেন।
সড়ক ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ কক্সবাজার-৪ আসনে আবদুর রহমান বদি’র পরিবর্তে তাঁর স্ত্রী শাহিন আক্তার চৌধুরীকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। এ তথ্য থেকেই শাহিন আক্তার চৌধুরীকে কক্সবাজার-৪ আসনে আওয়ামীলীগ তথা মহাজোটের মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে তা নিশ্চিত। তবে মনোনয়ন প্রাপ্তদের তালিকা ২৫ নভেম্বরের আগে প্রকাশ করা হবেনা বলে সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একইসময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, একই আসনে বিএনপি তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র সভাপতি, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শাহজাহান চৌধুরী মনোনয়ন পাচ্ছেন, তাও অনকটা নিশ্চিত করেছেন বিএনপি’র মনোনয়ন প্রদানের সাথে জড়িত স্থায়ী কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্য। তাহলে কেমন হবে এই লক্ষী আসনের ভোটযুদ্ধ। এ আসনে ভোটার সংখ্যা সর্বমোট ২৬৮৬২৪ জন।
ভোটের সমীকরণে প্রথমেই বলতে হয় আওয়ামীলীগ থেকে টানা দু’বার মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হওয়া আবদুর রহমান বদি নিজে কেন এবার মনোনয়ন বন্ঞ্চিত হলেন। ইয়াবা পাচার, মাদক পাচার, মানব পাচার, বিভিন্ন ধরনের কালোবাজারীর অভিযোগ রয়েছে বদি’র বিরুদ্ধে। শুধু আবদুর রহমান বদি’র বিরুদ্ধেই নয়, তাঁর নিকটাত্মীয় স্বজন, ঘনিষ্ঠজন, সাঙ্গ-পাঙ্গের বিরুদ্ধেও বার বার একই অভিযোগ উঠছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তৈরীকৃত ইয়াবা পাচারকারীদের তালিকাতেও আবদুর রহমান বদি ও তাঁর আত্মীয়স্বজনদের একাধিকবার নাম আসার অভিযোগ রয়েছে। এতে বদি’র নিজ দল আওয়ামীলীগ ও সরকার ইমেজ সংকটে পড়ছে বার বার এবং এনিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হতে হচ্ছে। এছাড়া দুদকের করা মামলায় আবদুর রহমান বদিকে তিন বছরের সাজা ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারদের বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্ম আদালতে সাজা প্রাপ্ত কোন ব্যক্তি যদি সে সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করে, উচ্চ আদালত আপীল গ্রহন করলেও নিম্ম আদালতের সাজা স্থগিত করে আপীল আদালত সুস্পষ্ট আদেশ নাদেয়, তাহলে সেই ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল হবে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্ম আদালতে দেয়া বদি’র তিন বছরের সাজা আপীল আদালত স্থগিত না করায় বদি’র মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কথা। আবার বিভিন্নসময়ে একজন সংসদ সদস্য হয়েও আবদুর রহমান বদি বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের শারিরীক নির্যাতনের বিষয়টিও জোরেশোরে নেতিবাচক আলোচনায় আসছে। সবমিলিয়ে আওয়ামীলীগ আবদুর বদিকে নিয়ে দলীয় সংকট আরো বাড়াতে নাচাওয়ায় হয়ত বদিকে দল থেকে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

এবার আসছি, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক হুইপ ও বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর সাথে আবদুর রহমান বদি’র প্রথম স্ত্রী শাহিন আক্তার চৌধুরীর ভোটযুদ্ধ নিয়ে কথা। শাহজাহান চৌধুরী আপাদমস্তক একজন রাজনীতিবিদ। অত্যন্ত মিশুক, স্বজ্জ্বন, অমায়িক হিসাবে শাহজাহান চৌধুরীর সুখ্যাতি রয়েছে। উখিয়ার ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের একজন কৃতিসন্তান। ভোট যুদ্ধের জন্য পাকা খেলোয়াড়। তাঁর কাছে কোন কিছু, কোন সময়ে ‘না’ শব্দটি নেই। বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হিসাবে এলাকায় আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা। তাঁর ভাই এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী উখিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির চারবার নির্বাচিত সাবেক সভাপতি। অপর ছোট ভাই সরওয়ার জাহান চৌধুরী উখিয়া উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান। আরেক ভাই শাহ কামাল চৌধুরী রাজাপালং ইউনিয়নের পাঁচবারের সাবেক চেয়ারম্যান। শাহজাহান চৌধুরীর পিতা মরহুম আবুল কাসেম চৌধুরী রাজাপালং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন। শাহজাহান চৌধুরীর মাতা রত্নগর্ভা মরহুমা নুরজাহান চৌধুরী রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের সিকদার পাড়ার বিখ্যাত জমিদার মরহুম হাকিম মিয়া চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ কণ্যা। শাহজাহান চৌধুরীর পরিবার “ইলেকশন ফ্যামিলি” হিসাবে এলাকায় খ্যাতি ও পারিবারিক যশ রয়েছে অসাধারণ। সরওয়ার জাহান চৌধুরী ও শাহ কামাল চৌধুরীর শ্বশুরকুলের সহযোগিতাও শাহজাহান চৌধুরী আশা করতে পারেন। এককথায় শাহজাহান চৌধুরীর উখিয়া নিজস্ব উপজেলা হিসাবে এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পাবেন তা আপাতত বলা যায়।

অন্যদিকে, আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী আবদুর রহমান বদি’র স্ত্রী শাহিন আক্তার চৌধুরীও উখিয়া উপজেলার আরেকটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের কণ্যা। শাহীন রহমান চৌধুরীর মরহুম পিতা নুরুল ইসলাম চৌধুরী ঠান্ডা মিয়া ছিলেন উখিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। শাহীন রহমান চৌধুরীর চাচা হামিদুল হক চৌধুরী উখিয়া বঙ্গমাতা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। তাঁর চাচী নিগার সুলতানা চৌধুরী উখিয়া উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী। শাহিন আক্তার চৌধুরীর ভাই জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের টানা দু’বারের চেয়ারম্যান ও আরেক ভাই হুমায়ুন কবির চৌধুরী কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য। কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের বিএনপি দলীয় দু’বারের সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ হচ্ছেন শাহিন রহমান চৌধুরীর আপন ভগ্নিপতি। শাহিন আক্তার চৌধুরী নিজেও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হয়ে পরে স্বামী আবদুর রহমান বদি’র সমর্থনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। একটি রাজনৈতিক পরিবারের কণ্যা ও নিজ উপজেলা উখিয়া হিসাবে শাহিন রহমান চৌধুরীও নিজ উপজেলা উখিয়া থেকে যথেষ্ট ভোট পাওয়ার সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায়না। তাই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর উখিয়া উপজেলার সংরক্ষিত ভোট ব্যাংকে মহাজোটের প্রার্থী শাহিন রহমান চৌধুরী আঘাত হানবে কিনা সেটা সময় ও কৌশল বলে দেবে।

আবার এ আসনের অন্য উপজেলা টেকনাফ হচ্ছে, শাহিন রহমান চৌধুরীর স্বামী আবদুর রহমান বদি’র নিজস্ব উপজেলা। আবদুর রহমান বদি টানা দু’বার সংসদ সদস্য হওয়া ছাড়াও তার আগে টেকনাফ পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। এখনো বদি’র আপন চাচা হাজী ইসলাম মিয়া টানা দুই মেয়াদে টেকনাফ পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন। বদি’র পিতা মরহুম এজাহার মিয়া কোম্পানি টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের একাধিকবার চেয়ারম্যান ছিলেন। বদি’র একজন ভাইও টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর। আবদুর রহমান বদি’র পুরো পরিবারই টেকনাফের রাজনীতি ও ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে সবসময় জড়িত থাকে। সীমান্ত উপজেলা হওয়ায় মায়ানমার সম্পৃক্ত ব্যবসার সাথেও বদি ও বদি’র পরিবারের সদস্যরা প্রতক্ষভাবে জড়িত। বদি’র পরিবারের সাথে মায়ানমারের নাগরিকদের আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে। সে হিসাবে টেকনাফ উপজেলার ভোটারদের মনজয় করা বদি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য একটু সহজও হতে পারে। দীর্ঘ একদশক ধরে সংসদ সদস্য থাকায় টেকনাফে নিজ সংগঠন আওয়ামীলীগকেও বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে সাজিয়েছেন নিজের মতো করে। আবদুর রহমান বদি নিজে প্রার্থী না হওয়ায় স্নায়ু চাপে না ভোগার সম্ভাবনাই বেশী। তাই টেনশন ছাড়া বদি নিজ উপজেলা টেকনাফে নির্বাচনী ওয়ার্ক করতে পারবেন অনায়াসে। এজন্য টেকনাফের ভোটারদের আবদুর রহমান বদি’র স্ত্রী শাহিন আক্তার চৌধুরীর পক্ষে কাবু করাটা কিছুটা সহজ হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।
অন্যদিকে, টেকনাফ উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক কাঠামো সবসময় শাহজাহান চৌধুরীই তাঁর অনুগত ও অনুসারীদের দিয়ে সাজিয়ে থাকেন। তাছাড়া বিগত এক দশকে টেকনাফ আওয়ামীলীগে ক্ষমতার হালুয়া রুটি পাওয়া-নাপাওয়ার হতাশায় ভূগছেন দলীয় অনেক নেতাকর্মী। নির্বাচনে তাদের নিষ্ক্রিয়তা ও ক্ষেত্র বিশেষে আওয়ামীলীগের প্রতিপক্ষকে সহযোগিতা করার চেষ্টাও থাকতে পারে। যেমন- গত ৪ সেপ্টেম্বর টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সরকারের এক দশকের উন্নয়ন মেলায় বিশেষ অতিথি সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী প্রকাশ্যেই “গত এক দশকে টেকনাফে কোন উন্নয়ন হয়নি, শুধু সরকারি অর্থ লুটপাট হয়েছে” বলে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। যা ছিল আবদুর রহমান বদি, সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের জন্য খুবই বিব্রতকর।

আবার বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টেকনাফে বিএনপি’র প্রার্থী মনোনয়নে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শাহাজাহান চৌধুরীর স্বার্থপরতা, যোগ্যতার অবমূল্যায়ন হয়েছে বলে অনেক নেতাকর্মী অভিযোগ করেছিলেন। স্থানীয় অনেকের সাথে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের সম্পর্ককেও জেলা বিএনপি’র সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী ভাল চোখে দেখেননি। নির্বাচনের সময় বিএনপি’র এসব নেতাকর্মীদের শাহজাহান চৌধুরীর প্রতি ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশও গোপনে ঘটতে পারে বলে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের ধারণা। সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার গণমাধ্যমে ব্রিফিংকালে জানান, কক্সবাজার-৪ আসনে আওয়ামীলীগের অন্যান্য সকল মনোনয়ন প্রত্যাশীদের চেয়ে গোপনীয় সব মাঠ জরীপে আবদুর রহমান বদি’র জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতা বেশী হওয়া সত্বেও শুধুমাত্র দলীয় ইমেজ রক্ষার্থে আবদুর রহমান বদি’র পরিবর্তে তাঁর স্ত্রী শাহিন রহমান চৌধুরীকে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন দিয়েছেন।
এছাড়া নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, কক্সবাজার-৪ আসনে ভোটারদের কাছে অর্থের প্রভাব বেশী পড়ে। তাই আবদুর রহমান বদি ও তাঁর অনুসারীদের অঢেল অর্থকড়িও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী প্রবীন রাজনীতিবিদ শাহাজাহান চৌধুরীর প্রচারনায় আঘাত হানার আশংকাও রয়েছে বলে নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা আশংকা করছেন। তাছাড়া টেকনাফে প্রচুর সংখ্যক মায়ানমারের রোহিঙ্গা ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন বলে অনেকে মনে করেন। তাঁদের ভোটও পয়সাকড়ির দিকে ঝুঁকার আশংকা রয়েছে। প্রায় ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা শরনার্থীর ভারে ভারাক্রান্ত রোহিঙ্গা শরনার্থীরা নির্বাচনে গোপনে কোন ভূমিকা রাখছে কিনা, সেটাও একটা নির্বাচনের নিয়ামক বিষয়। তবে ভোট গ্রহন হতে আরো অনেকদিন বাকী রয়েছে। এই বাকী সময়ে দু’জন প্রার্থীর নির্বাচনী কৌশলই বলে দেবে জাতীয় সংসদে ভবনে কক্সবাজার-৪ লক্ষী আসনের চেয়ারটিতে কে বসবেন?

(লেখক: এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, ঢাকা। পরবর্তী সমীকরণ আসছে – কক্সবাজার-২, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসন)

cbn
কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইনে ৫০টি বাড়ি দিল ভারত

দক্ষিণ রুমালিয়ার ছরার মমতাজ ড্রাইভার আর নেই

নির্বাচনে ১৫ হাজার পর্যবেক্ষকের অর্থায়ন করবে যুক্তরাষ্ট্র

বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারতে প্রচার শুরু করছেন শেখ হাসিনা

হাইকোর্টে ধানের শীষ পেতে আপীল গৃহীত হয়নি : হামিদ আযাদ ইতিহাস সৃষ্টি করলো!

মহিলাদের অধিকার আদায় ও খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে ধানের শীষে ভোট দিন : শিরিন রহমান

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রানের চাল নিয়ে সংঘর্ষ, আটক ৬

হ্নীলায় ইয়াবাসহ যুবক আটক

রামু উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কক্সবাজার-১ : জাফর আলমের পক্ষে নৌকায় স্ত্রীর ভোট প্রার্থনা

‘হারিয়ে যাওয়া স্বজনের খোঁজ পেতে রেডক্রিসেন্টের সহযোগিতা নিন’

সিংহ নিয়ে ভোটে নামছেন হিরো আলম

হ্নীলায় ৪০শতক সরকারী জমি উদ্ধার

বিজয় দিবস মিডিয়া কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন

শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করতে নৌকায় ভোট দিন-  জেলা আ. লীগ নেতৃবৃন্দ

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষে ভোট দিন -এড.হাসিনা আহমেদ

গণপূর্তের জমিতে একযোগে ১৭ অবৈধ ভবন, চুপ গণপূর্ত

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ধারণ করে জীবন চলার অনুরোধ ক্যাপ্টেন সোবহানের

নৌকায় ভোট দিলে গরীবের অধিকার নিশ্চিত হবে-এমপি বদি

নির্যাতিত আ. লীগ নেতাকর্মী ও জনগণের দাবিতেই নির্বাচন করছি- ড. আনসারুল করিম