cbn  

আবুল কালাম,চট্টগ্রাম  :

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অত্যাধুনিক একটি সিটি স্ক্যান মেশিন আসছে দীর্ঘ চার বছরের ও অধিক সময়ের পর এ মেশিন টি যোগ হচ্ছে চমেকে যার মুল্য ৭ কোটি টাকা জাপানি হিটাচি ব্র্যান্ডের (১২৮ স্লাইস) অত্যাধুনিক মেশিনটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার অপেক্ষায়। কয়েক দিনের মধ্যে মেশিনটি বহনকারী জাহাজটির চট্টগ্রাম বন্দরে আসছেন বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেডিটেলের প্রধান নির্বাহী ফারুক হাসান।

সরকারের স্বাস্থ্য খাতে গৃহীত রোগি সেবা ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় চমেকে অত্যাধুনিক সিটি স্ক্যান মেশিনটি আমদানি করা হচেছ। মেশিনটি স্থাপন করা হলে চট্টগ্রামের দরিদ্র ও দুস্থ রোগীদের বেশি টাকা খরচ করে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হবে না।

জাহাজটি বন্দরে আসার পর সিএমএসডি (কেন্দ্রীয় ওষুধাগার)’র তরফ থেকে কাস্টম শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষে সিটি স্ক্যান মেশিনটি সরাসরি চমেক হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হবে।

হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগ সূত্রে জানা যায়- ২০০৪ সাল থেকে চালু হওয়া পুরনো সিটি স্ক্যান মেশিনটির সেবা অব্যাহত থাকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত। তবে ওই বছরের (২০১৪ সালের) আগস্ট মাসে অকেজো হয়ে পড়ে মেশিনটি। তখন থেকে হাসপাতালে সিটি স্ক্যান সেবা বন্ধ রয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের প্রধান ডা. সুভাষ মজুমদার বলেন- আগের মেশিনটি অকেজো হওয়ার পর থেকে সিটি স্ক্যান সেবা বন্ধ রয়েছে। এতে হাসপাতালের গরিব রোগীরা কম খরচের এ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তবে অত্যাধুনিক নতুন একটি মেশিন শীঘ্রই আসছে জানিয়ে ডা. সুভাষ মজুমদার বলেন- মেশিনটি হাসপাতালে পৌঁছলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা এর সেবা চালু করে দেবো।

পরীক্ষা ভেদে সিটি স্ক্যান বাবদ চমেক হাসপাতালে ফি ২ হাজার ও ৪ হাজার টাকা। কিন্তু চমেক হাসপাতালের ২ হাজার টাকার এ ফি প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা। আর হাসপাতালের ৪ হাজার টাকার এ ফি বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা।

মেডিকেলের প্রধান নির্বাহী ফারুক হাসান বলেন- নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেশিনটি আমরা হাসপাতালে পৌঁছে দিতে পারবো। আর হাসপাতালে পৌঁছানোর পর মেশিনটি ইনস্টলে (স্থাপন) ১৫ দিনের মতো সময় লাগতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়- দেশের ৫টি সরকারি হাসপাতালের জন্য ৫টি সিটি স্ক্যান মেশিন বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ৫টির মধ্যে একটি মেশিন বরাদ্দ পেয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ( চমেক) হাসপাতাল। বাকি ৪টি মেশিন বরাদ্দ দেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকার কিডনি হাসপাতাল, ইএনটি হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এ মেশিন টি আসলে দীর্ঘ দিনের সপ্ন পুরন হবে। হবে সল্প আয়ের রোগিদের চিকিৎসা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •