চবি সংবাদদাতাঃ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সির অভিযোগে মোহাব্বত আলী নামে এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ থেকে আটক করা হয়।

আটককৃত মোহাব্বত আলী কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার আনচারুল করীমের ছেলে।

সে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ‘ডি’ ইউনিটে (রোল- ৫৩১১১৬) মেধাক্রমে ১৪৪ তম হয়েছেন ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদে ভর্তি হতে আসলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মোহাব্বত নামে একজনকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা।

মোহাব্বত লিখিতভাবে আমাদের জানিয়েছে- তার ছবি পরিবর্তন করে দিদারুল ইসলাম নামের একজন ওই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। দিদারের পরিচয় সঠিকভাবে জানাতে না পারলেও সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং একই এলাকার বলে আমাদের জানান। দিদার ও মো. ফারুক নামের দুইজনের সাথে মোহাব্বতের ২ লাখ টাকার চুক্তি হয়। এর মধ্যে তাদেরকে ১ লাখ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। ইতোমধ্যে আটক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে।

এদিকে অভিযুক্তদের মধ্যে দিদারুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অপর অভিযুক্ত মো. ফারুক বাংলা বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুজনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ফারুক একই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ফারুকের মোবাইল নাম্বার মিলিয়ে পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে বলে বিশ্বদ্যিালয় প্রশাসনের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফারুকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে প্রক্টর আলী আজগর বলেন, ‘জড়িতদের মধ্যে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ একাডেমিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে তাদের শিক্ষাজীবন শেষ হয়ে থাকলে তাদের সার্টিফিকেট বাতিলের বিষয়টি ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে তোলা হবে।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •