উখিয়ায় ইজিপি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া
অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি-ইজিপি সরকারের অগ্রাধিকার মূলক প্রকল্প। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের দরিদ্র বিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু উখিয়ায় অতীতে এ কর্মসূচির অধীন প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের মাধ্যমে তছরুপ করা হলেও অতিদরিদ্র লোক জনের ভাগ্যের তেমন পরির্তন ঘটছে না বলে জানা গেছে। অতীতে এধরনের লুটপাঠের চিত্র ফুটে উঠে গত অর্থ বছরে বর্তমান ইউএনওর কঠোরতা ও আন্তরিকতায় কাজ না হওয়ায় এ প্রকল্পের প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে।
উখিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস বা পিআইও অফিস সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় বর্তমান সরকারের ভিশন-২০২১ এর আলোকে দেশের দরিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে নানা আর্থসামাজিক উন্নয়ন মূলক প্রকল্প ও কমূসূচি চলমান রয়েছে। অনগ্রসর, অবহেলিত জনপদের অতিদরিদ্র লোকজন যারা অসহায়, দরিদ্র, নদী ভাঙ্গনের শিকার, খরা, মন্দা কবলিত, বয়স্ক অথচ কিছুটা কর্মক্ষম প্রভৃতির শ্রেনীর নারী ও পুরুষদের আর্থিক স্বাবলম্বি করে তোলতে চালু রয়েছে ৪০ দিনের কর্মসৃজন মূলক কর্মসংস্থান কমূসূচি। স্থানীয় সরকারের তৃণমূলের ইউনিয়ন পরিষদের জন প্রতিনিধিগন কর্তৃক বাছাইকৃত মনোনীত এসব শ্রেণীর নারী ও পুরুষদের এ কর্মসূচিতে নিয়োজিত করার নির্দেশনা রয়েছে। মনোনিত অতিদরিদ্র নারী ও পুরুষরা গ্রামাঞ্চলে স্বল্প শ্রমের মাধ্যমে ঝোপঝাড় পরিস্কার করা, মজাপুকুর সংস্কার, কবরস্থান, শশ্মন, রাস্তার পাশ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির সহ সামাজিক প্রতিষ্ঠান গুলোতে দৃষ্টি নন্দন কর্মসৃজন বাস্তবায়ন করে তাদের সেখানে কর্মসংস্থান করার। দৈনিক ৬ঘন্টা হালকা কাজের বিনিময়ে মাথা পিছু দৈনিক ২শ টাকা হারে মজুরীর মাধ্যমে সপ্তাহে ৫দিন কাজ করার কথা।
সূত্র মতে গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে উখিয়ার ৫ ইউনিয়নের ১৭৬৫ জন অতিদরিদ্র নারী ও পুরুষ কর্মসৃজন কর্মসূচির আওতায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। ঐ অর্থ বছরের প্রথম পর্যায়ে ৪০ দিনের কর্মসংস্থানে যেসন শ্রমিক সুবিধা পেয়েছিল দ্বিতীয় পর্যায়ের ৪০ দিনের কর্মসৃজন কাজে ও তারা অপরিবর্তিত থাকে। উখিয়া প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পবিত্র চন্দ্র মন্ডল জানান, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের প্রথম পর্যায়ের ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি কার্যক্রম গত ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে। চলতি অর্থ বছরেও বিগত অর্থ বছরে একই মনোনিত শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করার কথা। এখানে শ্রমিকদের তেমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। চলতি অর্থ বছরের প্রথম পর্যায়ের ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচির কাজ গত ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হলেও এখনো সব ইউনিয়নে কাজ শুরু হয়নি বলে খবর পাওয়া গেছে। রত্নাপালং ইউনিয়নে এপর্যন্ত মনোনিত শ্রমিক ও প্রকল্পের তালিকা জমা দেওয়া হয়নি। পালংখালী ইউনিয়নে শ্রমিক ও প্রকল্পের তালিকা পিআইও অফিসে জমা দিলেও সব প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। অন্যান্য ইউনিয়নের কোন কোন জায়গায় কিছু কিছু কাজ শুরু হলেও এখনো পুরো দমে কাজ শুরু হয়নি বলে খবর পাওয়া গেছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এ সমস্ত এলাকায় এধরনের কর্মসূচিরর প্রকল্প না নেওয়ায় ভাল। পুরো উপজেলায় শত শত শ্রমিকদের অনেক প্রকল্প কাজ তদারকির মত জনবল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নেই। গত অর্থ বছরে দ্বিতীয় পর্যায়ের মোট বরাদ্দের অর্ধেকের বেশী থাকা কাজ না করায় ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ সংবাদ

পোকখালী ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটির সচেতনতামূলক সভা

যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের নতুন উদ্যোগ, দুইটি সড়কে একমুখী চলাচল

‘সরকার আমাকে বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্কের জন্য বানিয়েছে’

বেনাপোল সীমান্তে ফেনসিডিলসহ আটক ২

বিশ্ব নৃত্য উৎসবে যোগ দিতে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী খালিদ শুক্রবার কক্সবাজার আসছেন

চালের ঘাটতি নেই, বাজার অস্থির কেন?

ইটিভির সাবেক চেয়ারম্যান সালামের মামলা বাতিল

সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

চাল নেই লবণ নেই বলে একটি গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে

কক্সবাজারে হুন্ডি ব্যবসায়ীদের রমরমা বানিজ্যি

হিটলারের বাড়ি থানা হিসেবে ব্যবহারের ঘোষণা

ঘোরাতে জানলেই ‘ঘুরবে’ গোলাপি বল

মহানবী (সা.) যেভাবে মদিনার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে গাম্বিয়ার মুখোমুখি হবে সু কি

যে কারণে দেশে ফিরতে পারছেন না তারেক

সরকার গঠনে ব্যর্থ গান্টজ, আবারও নির্বাচনের পথে ইসরায়েল

সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ

অভিযান চালাতে বাধা কাটলো অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের

সেক্রেটারি জেনারেল পদ নিয়ে জামায়াতে ‘‍সিচুয়েশন ক্রিটিক্যাল’

মধ্যরাত পর্যন্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক, শর্ত জুড়ে দিয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার