ফরিদুল অালম দেওয়ান, মহেশখালী:

সরকারের প্রস্তাবিত ও বাস্তবায়নাধীন প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার মেগা উন্নয়ন প্রকল্পকে ঘিরে অাগামী সংসদের অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ অাসন হচ্ছে ককস বাজার-২ মহেশখালী- কুতুবদিয়া। মহেশখালীতে প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্পকে কাজে লাগিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আশায় নৌকার মনোনয়ন পেতে দলীয় টিকিট পেতে মরিয়া হয়ে উঠছে আওয়ামীলীগের হেভিওয়েট প্রার্থীরা।

এ আসনে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ১০ জন প্রার্থী। দলীয় চুড়ান্ত মনোনয়ন পেতে এ সব প্রার্থী স্বদলবলে এখন ঢাকায় দলের কেন্দ্রীয় অফিসে দলের হাই কমান্ডের পেছনে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে নির্বাচনী এলাকায়ও চলছে উত্তাপ। চলছে একেক প্রার্থীর পক্ষে স্বাগত মিছিল। গতকাল পর্যন্ত যারা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এরা হচ্ছে, ১.বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক ২.সাবেক ছাত্র নেতা মোহাম্মদ ওসমান গণি ওসমান,৩. অাওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সদস্য নারী নেত্রী প্রকৌশলী ইসমত আরা বেগম ইসমু,৪.ককসবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা,৫.পরিবেশ বিজ্ঞানী ড. আনচারুল করিম, ৬. লেখক ও গবেষক সাদাত উল্লাহ খান,৭. তরুণ ব্যবসায়ী মার্শাল পাভেল, ৮.মহেশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার আজম, ৯. আওয়ামীলীগ নেতা আয়ুবুর রহমান ও ১০.কৃষকলীগ মহেশখালী উপজেলা সভাপতি অধ্যাপক ছরওয়ার কামাল।

মহেশখালী- কুতুবদিয়া দুটি দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এ অাসনে মোট ভোটার রয়েছে ২ লক্ষ ৯৬ হাজার ৮১ জন। অাগামী সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের ধারণ অাওয়ামীলীগ থেকে দলীয় ভাবে এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিবেন যে প্রার্থী নিশ্চিত ভাবে পাস করে এসে সরকারের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্ব নিতে পারেন। শেষ পর্যন্ত কার হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার জন্য দলের সোনার হরিণ খ্যাত টিকিট খানা সেই খবরের অধির অাগ্রহে রয়েছে দুদ্বীপের প্রায় ৩লক্ষ জনগণ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •