হাবিবুর রহমান সোহেল, নাইক্ষ্যংছড়ি:

রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দৌছড়ি উত্তর কুলের সৈয়দ হোসাইন নামে এক ব্যাক্তি ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে তার জীবনের আলো প্রায় নিবার পথে। সে এখন সুন্দর পৃথিবীতে বেচেঁ থাকার আশায় নিরবে ধুকে ধুকে কাদঁছে। জায়গা জমি গরু ছাগল যা ছিল সবেই বিক্রি করে ইতিমধ্যে চিকিৎসায় খরচ করেছে বলে জানান তার পরিবার। পরিবারে এক মাত্র উপর্জনকারী ওই ব্যক্তি মরন ব্যাধী ক্যানসারের ছোবলে পড়ে কন্যা সন্তান সহ খেয়ে না খেয়ে জীবন কাটছে কোনমতে।

চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎকের বরাত দিয়ে রামুর গর্জনিয়া বাজারের আলোচিত ডাক্তার শফিক আহম্মদ জানান, ক্যানসার আক্রান্ত সৈয়দ হোসেনকে বাচাঁতে হলে, কেমুথ্যারাপীর মাধ্যমে অবস্থার উন্নতি হলে অপারেশন করতে হবে। আর এই চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩/৪ লাখ টাকার দারকার হবে বলে জানান ডাক্তার শফিক। তিনি এই ব্যাপারে সমাজের বিত্তবানসহ জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। এদিকে পাঠকের উদ্দেশ্যে এলাকার বিভিন্ন যুব সমাজ তাদের নিজ নিজদল পেইজ বুক ওয়ালে লিখেছেন,” সকল মানুষের রোগ ব্যাধি হয় কারো সামান্য কারো কঠিন রোগ, সবই আল্লাহর ইচ্ছা। হয়ত এমন ও হতে পারে ওনাকে রোগী বানিয়ে আল্লাহ আমাদের পরীক্ষা করতেছেন আমরা কি পরিমাণ দান ছদকা করি। যত দূর জানলাম মাত্র দুই লাখ টাকা হলে ওনি প্রাণে বেঁচে যাবেন।পারব না আমরা ওনাকে বাঁচাতে?।

গর্জনিয়া কচ্ছপিয়ার হাজারো মানুষের জন্য দুই লাখ টাকা বেশি কিছু নয় মনে করি। শুধু দরকার হিম্মত ও কোন সংগঠন বা কয়েক জনের উদ্যোগ। আজ সারাদিন আমি মনে মনে কিছু পরিকল্পনা করেছি ভাল লাগলে আপনারা এগিয়ে আসবেন, আপনাদের কোন পরিকল্পনা বা মতামত থাকলে জানাবেন।এমন কোন মন্তব্য করবেন না যার কারণে মহৎ কাজ ব্যাহত হয়। দৌছড়ি সহ কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে একশ মত বিভিন্ন ( সিরত কমিটি, তাফসীর মাহফিল কমিটি,ছাত্র,যুব সংগঠন) সমিতি বা সংগঠন আছে। যে কোন একটি সংগঠন যদি এই কাজের উদ্যোগ নিয়ে একটি” মানবিক সাহায্য চাই” উল্লেখ করে ব্যানার ছাপাতে হবে। বড় স্পিকার, বা মাইক নিতে হবে,পারলে সস্তায় কিছু লিপলেট ছাপিয়ে বিলি করতে হবে। এর পর গর্জনিয়া বাজারের প্রতিটি প্রবেশ মুখে ওয়াজ মাহফিলে যে ভাবে চাঁদা সংগ্রহ করেন সে ভাবে চাঁদা সংগ্রহ করতে হবে। গর্জনিয়া বাজারের সকল দোকান সহ প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি দোকান হতে চাঁদা সংগ্রহ করতে হবে। দুই ইউনিয়নে যত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে (প্রাইমারী, উচ্চবিদ্যালয়, মাদ্রাসা) সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক দের প্রতি আমার আবেদন, প্রধান শিক্ষক প্রতি শ্রেণী কক্ষে ঘোষণা দেবেন প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রী যেন দশ টাকা বা বিশ টাকা করে দান করতে হবে। নির্দিষ্ট একদিন সেই টাকা সংগ্রহ করবেন। দেখবেন এক একটি প্রতিষ্ঠান তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত সংগ্রহ করতে পারবেন। যখন একবছর আগে রোহিঙ্গারা এসেছিলেন, মৌলভী কাটা হতে থিমছড়ি বাইশারীবাজার পর্যন্ত যত ক্লাব সমিতি আছে সকলে চাঁদা উঠিয়ে রোহিঙ্গাদের বিলি করেছিলেন। সেই সব ক্লাব সমিতির ভাইয়েরা পারবেন না আরেক বার একতাবদ্ধ হয়ে চাঁদা সংগ্রহ করে একজন কে বাঁচাতে?

এমন কেউ আছেন? টাকা সংগ্রহ এর প্রথম ধাপ রোগীর নাম ছবি সহ একটি ব্যানার ছাপিয়ে দেবেন অথবা কয়েকশত সস্তা মূল্যের লিপলেট ছাপিয়ে দেবেন?। আছেন কোন সংগঠন এই মানব সেবার উদ্যোগ নেবেন? দয়া করে সাড়া দিন। কোন রকম কষ্ট করে টাকা সংগ্রহ করে ও সকলের দোয়ায় যদি এই মানুষ টি কে বাঁচাতে পারি আমি মনে করি ভবিষ্যত এ গর্জনিয়া – কচ্ছপিয়ার কেউ বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না, সকল অসহায়ের পাশে দাড়াতে পারব আমরা। দয়া করে সকলে সাড়া দেবেন মানবতায় এগিয়ে আসবেন”। সহায়তা পাঠানোর ফোন নাম্বার বিকাশ,,জসিম উদ্দিন ০১৮৪০০৭৭৬২৬

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •