মোঃ নাজিম উদ্দিন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:


চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে শেখ হাসিনার প্রতিনিধি হিসাবে আওয়ামী লীগের পক্ষে নৌকার হাল ধরতে চান ক্লিন ইমেইজের রাজনীতিবীদ, শিল্পপতি ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মোতালেব সিআইপি। দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী এলাকায় দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে দলীয় সভা-সমাবেশ ও
বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এমএ মোতালেব এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ করে সরকারের উন্নয়ন সাফল্য ভোটারদের মাঝে
তুলে ধরে নিজের প্রার্থিতার কথা জানান দিচ্ছেন। আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী মোতালেব। এছাড়া নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের একাধিক স্থানে বিল বোর্ড, ফেস্টুন ও ব্যানার দিয়ে ভোটারদের মাঝে সাড়া ফেলেছেন। এই আসনটি সাতকানিয়ার ১১টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা ও লোহাগাড়ার ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এটি জামায়াতের দুর্গ হিসাবে পরিচিত হলে ২০১৪ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জয় লাভ করে। নির্বাচনী এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা
যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বিল বোর্ডগুলাতে শোভা পাচ্ছে বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা, জয় ও নৌকা প্রতীকের ছবিসহ সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্যের চিত্র। গ্রামেগঞ্জের অলিগলি, বাসাবাড়ির দেয়ালে শোভা পাচ্ছে মোতালেবের পোস্টার ও ফেস্টুন। ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসাবে উঠে এসেছেন। এছাড়া ২০১২/১৩ সালের দিকে নির্বাচনী এলাকার একাধিক স্থানে জামায়াত-শিবিরের নাশকতা প্রতিরোধে দলের কর্মীদের নিয়ে সড়কে পাহারা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
২০১৪ সাল থেকে সুনামের সহিত সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। সেই সুবাদে একাদশ নির্বাচনে তৃণমূলের
পছন্দের তালিকায় রয়েছেন এম এ মোতালেব। এই আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রামেতার বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকান্ড আর বিচক্ষণ নেতৃত্বগুণে ইতোমধ্যে এলাকাবাসির
ভালোবাসা অর্জন ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। এলাকায় শিক্ষা বিস্তারের জন্য নিজের নামে সদর ইউনিয়নের চিব্বাড়িতে গড়ে
তুলেছেন একটি কলেজ। তার কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা পেয়ে থাকেন।  বনফুল কিষোয়ান গ্রুপের এই
চেয়ারম্যান এলাকায় বেকারত্ব দূর করতে দু’উপজেলার চার হাজারেরও বেশি লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন তার প্রতিষ্ঠানে। প্রায় শতকের বেশি ধর্মীয়
ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও পুর্ননির্মাণে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। এম এ মোতালেব বলেন, ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। দলের দুঃসময়ে মাঠে থেকে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। দলের কর্মসূচীর পাশাপাশি এলাকায় উন্নয়নমূলক ও শিক্ষা বিস্তারে কাজ করেছি। সেই সুবাদে এই আসনের সব মানুষের সাথে আমার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে তাহলে চট্টগ্রাম-১৫ আসনটি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেব ইনশাআল্লাহ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •