শিবির অধ্যুষিত মেসগুলোতে চোখ রাখতে ১৬ থানার ওসির প্রতি নির্দেশনা জারী

তাজুল ইসলাম পলাশ, চট্টগ্রাম:
নাশকতা, ভাংচুর ও জ্বালাওপোড়াওসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছে জামায়াত ও ছাত্র শিবিরের অনেক নেতাকর্মী। ফলে অনেকটা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছে তাদের কার্যক্রম। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম কলেজ, মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাকলিয়া সরকারি কলেজের মতো অনেক নামীদামি প্রতিষ্ঠান ছিলো তাদের দখলে। আর এ কারনে চট্টগ্রামে তাদের ছিলো শক্ত অবস্থান। কিন্তু বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারা ভোগ করছেন দলের অনেক নীতিনির্ধারক ও কর্মীরা। শুধ তাই নয় তালাবদ্ধ রয়েছে জামায়াত-শিবিরের নগর ও জেলা কার্যলয়। বন্ধ রয়েছে প্রকাশ্যে মিছিল মিটিংও। ফলে চট্টগ্রামে তাদের একেবাওে নেই বললেই চলে। কিন্তু নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর তথ্য ছিলো নাশকতার।
গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে হঠাৎ বোমা বিস্ফারণ হয় নগরীর সিরাজদৌল্লাহ রোডের চট্টগ্রাম মহানগর ইসলামী ছাত্রশিবিরের অফিসে। পরে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ৬টি ককটেল ও বোমা তৈরীর গান পাওডার ও পেট্রোল উদ্ধার করে। তবে এ অভিযানে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনায় রোববার নগরীর চকবাজার থানায় নগর শিবিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৯০ জনকে আসামী করে মামলা করেছে পুলিশ। মামলার বাদী মামলার বাদী এসআই আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিবির অফিস থেকে ককটেল ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ছাত্রশিবির মহানগর উত্তরের সভাপতি আব্দুল জব্বার, সাধারণ সম্পাদক আ স ম রায়হান, বায়তুল মাল সম্পাদক হামেদ হাসান এলাহী, আমান উল্লাহসহ ৫২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৩৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে, ওই দিনই শিবিরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেসনোটে ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো ও পরিকল্পিত দাবী করা হয়েছে।
সূত্র মতে, তিন দশকের বেশি সময় ধরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রদের আবাসিক সুবিধার কথা বলে মেস তৈরি করে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো শিবির। বিশেষ করে চান্দগাঁও, চকবাজার, মুরাদপুর, দেওয়ান বাজার, চন্দনপুরা শিবিরের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত ছিলো। গত নির্বাচনের আগে নাশকতা প্রতিরোধে পুলিশের অভিযানের মুখে এসব এলাকার মেস ছাড়তে বাধ্য হয় শিবিরের নেতা-কর্মীরা। কিন্তু আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে শিবিরের নেতা-কর্মীরা পুনরায় মেসগুলোতে ফিরতে শুরু করেছে বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
সিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আমেনা বেগম বলেন, জামায়াত-শিবির নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে- আমাদের কাছে এ তথ্য রয়েছে। তারা যাতে নাশকতার পরিকল্পনা করতে না পারে সে জন্য তাদের ওপর বিশেষ নজরদারি করতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতিমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।।
সিএমপি কমিশনার মাহবুবুর রহমান বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় শিবিরের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে। সে সাথে শিবির অধ্যুষিত মেসগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালাতে নগরীর ১৬ থানার অফিসার ইনচার্জদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
কমিশনার বলেন, সিটিএসবি এবং গোয়েন্দা বিভাগের কার্যক্রম আরো বাড়িয়েছি। তাদের নতুন ও পুরাতন জায়গাগুলোতে আমরা আরো বেশি খোঁজ লাগিয়েছি। এর আগে শিবিরের মোট ৪৭ জন নেতাকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। এর মধ্যে বাকলিয়া থানায় ১৯ জন, সদরঘাট থানায় ১৩ জন, ডবলমুরিং থানায় ৮ জন এবং পাহাড়তলী থানায় রয়েছে ৫ জন।

সর্বশেষ সংবাদ

রামুর ডাকভাঙ্গা ও মৈষকুম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক সম্পন্ন

বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি, নামে-বেনামে অর্থ পাপিয়ার

বিটিআরসিকে ১০০০ কোটি টাকা দিলো গ্রামীণফোন

কক্সবাজার ও সিলেট বিমানবন্দরের কাজে এত ধীরগতি!

পাপিয়ার ভয়ঙ্কর কর্মকাণ্ড নিয়ে মুখ খুলছে মানুষ, আজীবনের জন্য বহিস্কার

জামিন শুনানি : অপেক্ষা বাড়ল খালেদার

বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী নিতে আগ্রহী মালয়েশিয়া

চকরিয়ায় হারবাং পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক আটক

ঢাকায় ‘কক্সবাজার উৎসব’ হয়ে উঠল মিলনমেলা

কক্সবাজার সৈকত কবিতা চত্বর থেকে মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

কক্সবাজার সৈকতের শত কোটি টাকা মূল্যের সরকারী জমি আত্মসাতের চেষ্টা!

জাতীয় শরণার্থী নীতি ও সরকারের একক কর্তৃত্বের দাবি

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি

চকরিয়ায় ছোটবোনের দায়ের করা মামলায় বড় ভাই গ্রেপ্তার

ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল ও কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন

যেসব বদ স্বভাবে মানুষের চরম অধপতন ঘটে

বুবলীকে বিয়ে প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শাকিব খান

কিডনিতে পাথর দূর করার ঘরোয়া উপায়

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৬২