গতকাল থেকে ককসবাজার থেকে পরিচালিত বেশ কয়েকটি অনলাইন গনমাধ্যমে প্রকাশিত অপহৃত সিটি কলেজ ছাত্রকে তিনদিন পর টেকনাফের হ্নীলা রংগী খালী জুম্মা পাড়া থেকে উদ্ধার,অপহরন কারী আটক শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যে কাল্পনিক কাহিনী লিখা প্রকাশ হয়েছে তা মোটেও সত্য নয়।এতে আমার সামাজিক অবস্থান মারাতœক ভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমি মনে করি।। এলাকার কিছু কুচক্রী মহল পূর্ব শত্রুতা বশত সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার ক্ষতি সাধন করার উদ্যেশ্যে এমন সংবাদটি পরিবেশন করিয়েছে। কেননা কলেজ ছাত্র অপহরনের ঘটনায় র‌্যাবের সদস্যরা মো : নুরূল আলম কে আটক করে। অথচ নুরূল আলম কে বানানো হয়েছে আবুল আলম ডাকাত দলের সদস্য।বিষয়টিও হাস্যকর বটে। কেননা আমি বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর একজন সম্মানিত সদস্য। আমি চাকুরীর প্রয়োজনে প্রায় সময় ঢাকায় অবস্থান করে থাকি। এলাকায় খুব কম আসা হয়। সেক্ষেত্রে কিভাবে আমার ক্ষতি করা যায় ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ খুজে এই রকম মিথ্যা সংবাদের আশ্রয় নিয়ে এলাকা ও প্রশাসনের কাছে আমাকে অপরাধী বানাচ্ছে। আমি একজন সহজ সরল মানুষ। আরো উল্লেখ্য যে, র‌্যাবের হাতে উদ্ধার হওয়া কথিত কলেজ ছাত্রটি মুলত কলেজ ছাত্র নাম ব্যবহার করলে ও প্রকৃত পক্ষে সে একজন গাড়ীর ড়্রাইভার । সে বিগত তিন মাস ধরে একটি এনজিও সংস্থার গাড়ী ও চালিয়েছে এবং সে বিভিন্ন লোকজনের গাড়ীও চালিয়েছে। তার সাথে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তিদের অদৃশ্য লেনদেন রয়েছে তা একটু গভীরে গেলেই প্রমান মিলবে। আমার পেছনে যারা উঠে পড়ে লেগেছে তারা রংগি খালী এলাকার শাহজালাল এবং ছৈয়দুল আমিন জোড়া খুন মামলার আসামী। এলাকাবাসী তাদের সর্ম্পকে বেশ অবগত আছে। তাই বলতে চাই আমার নামে এলাকায় কোন বাহিনী নেই এবং আমি কোন অন্যায় কাজের সাথে জড়িত নই। তাই প্রকাশিত সংবাদ গুলো কল্পনা প্রসুত মনগড়া এবং ভিত্তিহীন। আমি প্রকাশিত এসব সংবাদে প্রশাসন সহ কাউকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ জানাই।
নিবেদক
আবুল আলম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •