চকরিয়া সংবাদদাতা:
কক্সবাজার জেলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক শিক্ষা কেন্দ্র চকোরী সাংস্কৃতিক একাডেমী আয়োজিত চকোরী মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষা শুক্রবার সকাল ১০ টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২ টায় শেষ হয়।

এবারের পরীক্ষায় চকরিয়া উপজেলার পাশাপাশি পেকুয়া ও লামা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রায় ১৫০০ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত চকোরী মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল চকরিয়া আবাসিক মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ।

পরীক্ষার সার্বিক তদারকি করেন কেন্দ্র সচিব চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ’র সহকারি শিক্ষক এসএম এরফানুল হক। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকোরী মেধা অন্বেষণ বৃত্তি পরীক্ষার প্রধান উপদেষ্টা চকরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক পদ্ম লোচন বড়ুয়া, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক চকরিয়া মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক জুবাইদুল হক, শহীদ জিয়া বিএম ইনষ্টিটিউট এর অধ্যাপক জামাল সাকিব, ডুলহাজারা ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সৈয়দ ইসমাঈল হোসাইন সিরাজী, চকরিয়া আবাসিক মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন মানিক, হল সুপার বহদ্দারকাটা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মশিয়র রহমান আরিফ, সহকারী হল সুপার জিএনএ মিশনারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আমিনুল হক, চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক নরেশ রুদ্র, রামপুর সরকারি প্রা. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এরফানুল কবির, মধ্য সওদাগরঘোনা সরকারি প্রা. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো, সাহাব উদ্দিন, ফাঁসিয়াখালী শহীদ জিয়া সরকারি প্রা. বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক এস এম মিছবাহ উল হক, চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল মালেক, চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ’র সিনিয়র শিক্ষক নুরুন্নবী, নুরুল ইসলাম বাবুল, নুরুল মোস্তফা, সাংবাদিক এম, রিদুয়ানুল হক, কাউছার আলম প্রমুখ।
পরীক্ষার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক পদ্মলোচন বড়ুয়া বলেন- বিগত পরীক্ষার তুলনায় এবারে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। তিনি আরো বলেন- পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খলতা দেখে এবং পাশাপাশি স্কাউটের ছেলে-মেয়েদের সচেতনতা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। তিনি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনা করেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জাইদুল হক বলেন- গত বছরের চেয়ে এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। তিনি বলেন- এবারে চকরিয়া, পেকুয়া ও লামা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে সর্বমোট ১৪৮৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জামাল সাকিব’র কাছে ফলাফল বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন- আমাদের আশা ছিল আজকেই ফলাফল ঘোষণা করার। কিন্তু বেশি তাড়াহুড়া করতে গেলে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ণে সমস্যা হতে পারে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ৩ নভেম্বর ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এর পরের দিন অর্থাৎ ৪ নভেম্বর বিভিন্ন পত্রিকায় ফলাফল ছাপানো হবে।
কেন্দ্র সচিব এস এম এরফানুল হক বলেন- শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা সংক্ষিপ্ত আকারে প্রশ্ন তৈরি করেছি। যার মান ১, ২ ও ৩। তিনি বলেন- এবারের ১০০ নাম্বারের পরীক্ষায় সময় ছিল ২ ঘণ্টা।শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা শেষ করতে পেরে মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া আদায় করেন এবং সবাইকে আন্তিরক ধন্যবাদ জানান তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •