সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

সর্বোচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ বন্ধ করার দাবী জানিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। গতকাল বুধবার(৩১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে ‘আমরা কক্সবাজারবাসী’র পক্ষ এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে তারা উলেখ করেন- প্রাকৃতিক অনন্য সৌন্দর্য্যরে আঁধার কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দখল করে একের পর এক বহুতল ভবন, বিশ্রামাগার, দোকান, মার্কেট ও ঝুঁপড়ি গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব স্থাপনা অবৈধ। আইন অমান্য করে গায়ের জোরে এসব স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে। অবৈধ স্থাপনার কারণে সৈকতের স্বাভাবিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মারাত্মকভাবে নষ্ট হচ্ছে। অনেক জীববৈচিত্রও ধ্বংস হয়ে গেছে। সৈকতের এমন সংকটের মুখে পুনরায় সুগন্ধা পয়েন্টের বিশাল এলাকা দখল করে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে দোকানঘর ও মার্কেট। কক্সবাজার সৈকতে যেকোন ধরণের স্থাপনা নির্মানের উপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞাও বলবৎ রয়েছে। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে একটি মুঠোফোন কোম্পানীর সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন এমন আইন আদালত বিরোধী কাজ করছে।

স্মারকলিপি আরও উলেখ রয়েছে, কোন অবস্থাতেই সৈকতের বালিয়াড়িতে দোকান ও মার্কেট নির্মাণ করা যাবেনা। সৈকতের সৌন্দর্য্য রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। সুগন্ধা পয়েন্টে নির্মাণাধীন মাকের্ট বন্ধ না হলে পুণরায় বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবে।

স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন- জেলা আওয়ামীগের প্রচার সম্পাদক ও দৈনিক রূপসী গ্রাম প্রত্রিকার সম্পাদক খোরশেদ আলম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এড. ফরিদুল আলম, কক্সবাজার সোসাইটি ফোরামের সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী, কক্সবাজার সাংবাদি ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ আলী জিন্নাত, এ কে ফরিদ আহমদ, জেলা কমিনিস্ট পার্টির নেতা অনিল দত্ত, কক্সবাজার সম্পদ রক্ষা আন্দোলনের নেতা কলিম উল্লাহ, নাজিম উদ্দিন, দৈনিক সকালের কক্সবাজারের নির্বাহী সম্পাদক মহসীন শেখ, দৈনিক একাত্তরের প্রকাশক বেলাল উদ্দিন বেলাল, সুকেন্দু বড়–য়া, কল্লোল দে চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলর শাহেনা আক্তার পাখি, বাবু দোলন ধর, সমীর পাল, মোহাম্মদ হামিদুল হক, কামাল উদ্দিন রহমান পেয়ারো, ফাতেমা আক্তার মার্টিন, ফয়সাল মাহমুদ সাকিব, ফরিদুল আলম হেলালী, মোহাম্মদ হামিদুল হক, আজিজ রিপন ও খোরশেদুল আজাদ বাবু সহ অনেকেই।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •