ডেস্ক নিউজ:
২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার সময় যারা দলের মধ্যে সংস্কার প্রস্তাব তুলে এতদিন নিষ্ক্রিয় ছিলেন, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সক্রিয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। সেখানেই এ কথা জানান ফখরুল।

সংস্কারপন্থিদের দলে ফেরানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, ‘যারা দলের বাইরে ও নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তাদের ভূমিকা পালন করার জন্যই সক্রিয় করা হচ্ছে, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।’

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র ‘পুনরুদ্ধার’ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একতরফাভাবে নির্বাচন করতে চায়। অন্যান্য দল যাতে নির্বাচনে না আসে, সেই ব্যবস্থা করছে তারা। ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটা নির্বাচন করে তারা ক্ষমতায় যেতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্যটা হচ্ছে যে, বিরোধী দলগুলোকে বাইরে রেখে তারা নির্বাচনে যেতে চায়। এজন্য বাংলাদেশের গণতন্ত্রে যার অবদান সবচেয়ে বেশি তাকে (বেগম খালেদা জিয়া) জেলে নিয়েছে এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারারুদ্ধ করছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষমতাসীনরা দেশে পুরোপুরি ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করেছে। তাদের লক্ষ্যই হচ্ছে একদলীয় শাসন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা। সেই লক্ষ্যেই তারা চলছে।’

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ। সরকার যা চাইছে, তারা তাই করছে। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে যে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, তা আমরা বারবার বলেছি। এটা শুধু বিশ্বাসের কথা নয়, এটাই বাস্তবতা। সুতরাং বর্তমান নির্বাচন কমিশন কখনোই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সক্ষম হবে না।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •