cbn  

সিবিএন:
কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীতে মসজিদ সংস্কারে দানের কথা বলে এক মসজিদ কমিটি থেকে এক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে এক প্রতারক চক্র। ওই প্রতারক চক্রের শীর্ষ দু’সদস্য নিজেদের যে পরিচয় ও ঠিকানা দিয়েছে তা ভুয়া। তাই তাদের কোনোভাবে খোঁজ পাচ্ছে না ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে মাওলানা সেজে কিছু ব্যক্তি মসজিদ মাদ্রাসা নতুন নির্মাণ ও পুরাতন মাদ্রাসার সংস্কার করে দেবে বলে টাকা দানের লোভ দেখাচ্ছে। কিন্তু তার আগে ওই দানের টাকার ছাড়ের কথা বলে মসজিদ কমিটি থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই প্রতারণার শিকার হয়েছে পিএমখালী ছনখোলা মাদলিয়া পাড়া বায়তুর রহমান পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। ওই মসজিদ সংস্কার করে দেয়ার কথা বলে আব্দুল গফুর ও আরেকজন প্রতারক এক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এখন তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আবদুল গফুর তার পিতার নাম লাল মিয়া এবং ঠিকানা দিয়েছিলেন বাড়ি রামু চাবারিচা আশকুরাইল। কিন্তু সেই ঠিকানা তাকে পাওয়া যায়নি। এমনটি তার ব্যবহৃত ফোনও বন্ধ রয়েছে। তবে নানা ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবদুল গফুর নানা অপকর্মের এক শীর্ষ হোতা।

ছনখোলা মাদলিয়া পাড়া বায়তুর রহমান পরিচালনা কমিটির মোহাম্মদ রায়হান বলেন, ‘আবদুল গফুর এসে আমাদেরকে মসজিদটি সংস্কার করে প্রস্তাব দেন। আমরা এতে সরল বিশ্বাসে রাজি হই। কিন্তু ওই টাকাগুলো তুলতে কিছু খরচের কথা বললে আমরা তাকে বিশ্বাস করে এক লাখ টাকা দিয়েছি। সে কিছু কাগজপত্রও দিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও তিনি আর আমাদের সাথে কোনা যোগাযোগ করেননি। পরে আমরা খোঁজ নিলে তার দেয়া ঠিকানায় তাকে পাওয়া যায়নি। প্রথম দিকে ফোন খোলা থাকলেও এখন ফোনও বন্ধ পাচ্ছি। এখন বুঝতে পারছি তিনি আমাদের সাথে প্রতারণা করেছেন।’

তিনি আরো বলেন, মসজিদ নিয়ে প্রতারণা করবে এটা আমাদের মনে আসেনি। তাই সরল বিশ্বাসে আবদুল গফুরকে টাকাগুলো দিয়েছিলাম। এখন বুঝছি তিনি আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। মসজিদের টাকা যেহেতু প্রতারক আবদুল গফুরকে খোঁজ করছি। কিন্তু পাচ্ছি না। তাকে খুঁজে পেতে আমরা সকলের সহযোগিতা চাই। তাই যে কেউ তাকে দেখা মাত্র ০১৬৪০৮৬৯৪০২ নাম্বারে কল দিলে আমরা উপকৃত হবো এবং আরো অনেকে প্রতারণা থেকে বেঁচে যাবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •