এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওর মেহেরঘোনা হয়ে মাইজপাড়া যাতায়াতের হাজীরকুম সড়কটি দীর্ঘকাল ধরে অযন্তে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। এটি দেখার কেউ না থাকায় হতাশ হয়ে পড়ে ছেন এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী লোকজন।
প্রাপ্ত তথ্য মতে,২০১৫ -২০১৬ অর্ধ বছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু / কালভার্ট নির্মান প্রকল্পে ঈদগাহ মাইজ পাড়া হাজীরকুম খালের উপর ব্রীজ নির্মান উদ্বোধন করেন – কক্সবাজার সদর -রামু আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল। এটি বাস্তবায়ন করেছে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধি দপ্তরের আওতাধীন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। ব্রীজ নির্মানের দীর্ঘকাল পার হলেও এ সড়কটি এখনো আলোর মুখ থেকে বঞ্চিত। যার ফলে হতাশ হয়ে পড়েছেন বৃহত্তর এলাকার বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী। এ সড়ক যদি নির্মান করা হয়, তাহলে লোকজনের যাতাযাত অনেকটা সহজতর হতো। ঈদগাঁওর বৃহত্তর মাইজপাড়া ও জালালাবাদের বিভিন্ন এলাকার লোকজন অতিসহজে গ্রামীন সড়ক পার হয়ে প্রয়োজনীয় কাজেকর্মে অল্প সময়ের ব্যবধানে ককসবাজারে আসা যাওয়া সম্ভবপর হতো। এছাড়াও বিশাল এলাকার বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা অনায়াসে এ রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে পারতো। আবার রোগীদের জন্য অতি সহজতর হতো সড়কটি। বাজার এলাকা হয়ে ঘুরে আসার ক্ষেত্রে সময় ও অর্থ অপচয় কম হত। ঈদগাঁও মেহেরঘোনাস্থ মহাসড়কের লাগোয়া থেকে আধাকিলোমিটার পযন্ত পড়ে থাকা সড়কটি যদি সংস্কার করা হয়, তাহলে এলাকাবাসীর জন্য সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি হবে।

ঈদগাঁও দক্ষিন মাইজপাড়ার ব্যবসায়ী জিল্লুল এহেচান জানান, এই গ্রামীন সড়কটি মেরামত হলে সর্বশ্রেনী পেশার লোকজনের চলাচলের ক্ষেত্রে সহজতর হবে,অযথা দূর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে ও এলাকাবাসী দ্রুত সময়ে মহাসড়কে অবস্থান করতে পারবে।

উত্তর মাইজপাড়ার পথচারীরা জানান,দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকা সড়কটি যদি সংস্কারের মুখ দেখে, তাহলে এলাকার লোকজনদেরকে ঈদগাঁও বাজার পেরিয়ে মহাসড়কে আসতে আধঘন্টা সময় হলেও,সে ক্ষেত্রে ১০/১৫ মিনিটে পায়ে হেটে সরাসরি মহাসড়কে পৌছানো সম্ভব হবে। তাছাড়া সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে।

আগে চলাচল সড়ক মেরামত না করে দীর্ঘদিন পূর্বে হাজীরকুম পয়েন্টে একটি ব্রীজ নির্মান করে রেখেছে। তাতে এ সড়কটি পরিপূর্ণ সংস্কার না হওয়ায় জন ও যানবাহন চলাচল করতে পারছেনা। তাই উধ্বতর্ন কতৃপর্ক্ষের নিকট আবেদন যে, অবিলম্বে অযোগ্য সড়কটি যোগ্যতায় স্থান করে দিয়ে বৃহত্তর এলাকার জনগোষ্ঠীর দৈনিক চলা ফেরার জন্য নানাবিদ সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা হোক।

তবে সদর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক রাজিবুল হক চৌধুরী রিকো জানান, সড়কটিতে মাটি ভরাট করে ব্রিক সলিন করে চলাচলের বিকল্প মাধ্যম রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার চাই।

সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা নুর জাহান জানান, ব্রিক সলিন আকারে এই সড়কটি ট্রেন্ডার হয়েছে।

ঈদগাঁও ২নং ওয়ার্ড মেম্বার বজলুর রশিদ জানান, মহাসড়ক হতে ব্রীজের পরবর্তী কিছু অংশ পর্যন্ত সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের বরাদ্দে ব্রিক সলিন করা হবে এবং পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের গাইট ওয়াল দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান। তবে কাজ শ্রীঘ্রই শুরু করা হবে।

আবার মেহেরঘোনা হয়ে হাজীরকুম পয়েন্ট দিয়ে মাইজপাড়া আসা যাওয়ার সড়কটির সংস্কার হলে দৈনিক ৪/৫ হাজার মানুষ যাতাযাত করতে পারবে সহজে এবং অল্প সময়ে বলে জানান এলাকাবাসী।
সচেতন মহলের মতে,বর্তমানে বিলের মাঝ খানে ব্রীজ নির্মিত হলেও চলাচলের নেই কোন সড়ক।
এতে বিশাল এলাকাবাসী যোগাযোগ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে।

এ ব্যাপারে ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •