সোয়েব সাঈদ, রামু: 

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও উন্নয়নশীল দেশ গঠনে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এলে এদেশ জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের আস্তানা আর দূর্ণীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশে এখন বিশে^ মর্যাদা ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে। দূর্ণীতি আর লুটপাটের রাজনীতি আওয়ামীলীগ করে না। এ কারনে দেশে স্বচ্ছতার সাথে উন্নয়ন কর্মকান্ড এগিয়ে চলছে।

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার-রামুতে হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন হচ্ছে। উন্নয়নের অভূতপূর্ব এ দৃশ্য অতীতে এখানকার মানুষ কল্পনাও করেনি। বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এলে এসব উন্নয়ন কর্মকান্ড স্থবির হয়ে পড়বে। এসব প্রকল্পের টাকাও অতীতের মত লুটপাট হয়ে যাবে। তাই চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রাখতে হলে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধিন আওয়ামীলীগ সরকারকে আবারো নির্বাচিত করতে হবে।

সাংসদ কমল আজ সোমবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় গণসংযোগকালে স্থানীয় জনতার উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি নৌকা প্রতীককে জয়ী করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

এরআগে দুপুরে তিনি সম্প্রতি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্র মো. জিসানের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুচ ভূট্টোর বাড়িতে যান। এসময় তিনি জিসানের বাবা চেয়ারম্যান মো. ইউনুচ ভূট্টোসহ পরিবারের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

বিকালে এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে গণসংযোগ করেন। এসময় পথে পথে হাজারো জনতা সাংসদ কমলকে অভ্যর্থনা জানান।

গণসংযোগকালে কক্সবাজার জেলা পরিষদ সদস্য শামসুল আলম চেয়ারম্যান, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুচ ভূট্টো, স্থানীয় সমাজসেবক এডভোকেট আমির হোসাইন, কক্সবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন সম্পাদক নুরাল হেলাল, রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়ুয়া, শিক্ষক জামাল হোছাইন চৌধুরী ছাড়াও এলাকার মান্যগন্য ব্যক্তিবর্গ, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গনসংযোগকালে এমপি কমল বলেন, সরকার মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়ন ও ইসলাম ধর্মের প্রসারে সবচেয়ে বেশী ভুমিকা রেখেছে। বর্তমান সরকারের সময়ে কক্সবাজারে যে পরিমান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করেছেন তা অতীতের কোন সরকার করেনি। তবুও কিছু রাজনৈতিক দল বা এক শ্রেণীর মানুষ বর্তমান সরকারকে ইসলামের পক্ষের নয় বলে নানা অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করে থাকেন। অথচ শেখ হাসিনার সরকারই দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ প্রতিষ্ঠা করছে। ইসলামী শিক্ষা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক, ছেলে-মেয়েদের নৈতিক শিক্ষাসহ মাদরাসা শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় আধুনিক শিক্ষাকে সম্পৃক্ত করে শত বছরের দাবি ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ও প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি এলাকার ধর্মপ্রাণ মুরব্বী সহ সর্বস্তরের জনতাকে সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহবান জানান।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •