পেকুয়া প্রতিনিধি:

পেকুয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘শারদীয় দুর্গাপূজা’কে নির্বিঘেœ উৎযাপন করতে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা। উপজেলার প্রত্যেকটি মন্ডপে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ, ব্যাটিলিয়ান ও আনসারসহ তিন স্তরের নিরাপত্তা বাহিনী।

এদিকে দুর্গোৎসবকে ঘিরে নানা আয়োজনে ব্যস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। সোমবার (১৫অক্টোবর) থেকে শুক্রবার (১৯অক্টোবর) বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে এই মহোৎসবের ইতি ঘটবে। পেকুয়া ৬টি ম-পের দেবী দুর্গাকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। এ পূজাকে ঘিরে আনন্দে মেতে উঠেছে পেকুয়ার সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

উপজেলার ছয় পূজা ম-পগুলো হচ্ছে- পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির, সুশীল পাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, শীলখালী হরি মন্দির, শীলখালী বিষ্ণু মন্দির, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দির, উত্তর বারবাকিয়া নাথ পাড়া হরি মন্দির। এছাড়া পেকুয়া সদরের বিশ্বাস পাড়ায় দুটি ও বারবাকিয়া দুর্গা মন্দিরে একটি ঘট পুজা পালন হবে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পেকুয়া উপজেলা সদর এলাকাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ৬টি ম-পে সার্বক্ষণিক থাকবেন দু’জন করে পুলিশ সদস্য। এছাড়াও পেকুয়া থানা পুলিশের তিনটি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে প্রত্যেকটি পূজা ম-প। পূজা ম-প এলাকায় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের করা হবে তল্লাশি। বসানো হবে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবউল করিম বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন দুর্গোৎসব নির্বিঘেœ উৎযাপন করতে পারে মত আমরা (প্রশাসন) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। আশাকরছি পেকুয়া উপজেলায় অত্যন্ত সুন্দরভাবে ধর্মীয় এ উৎসব পালিত হবে।

পেকুয়া উপজেলা পূজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি সুমন বিশ্বাস বলেন, দুর্গোৎসবকে ঘিরে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিচ্ছে। তাই পেকুয়া উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •