ডেস্ক নিউজ:
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন, শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আসতে হবে। ক্ষমতায় আসার দরকার দেশকে বাঁচানোর জন্য। এবার ক্ষমতায় আসতে না পারলে দেশের ৫ লাখ লোক মারা যাবে। ওরা আমাদেরকে ঘর থেকে এনে মারবে। ওরা ক্ষমতায় আসতে পারলে দেশকে আফগানিস্থান বানাবে। জঙ্গি তৎপরতা বেড়ে যাবে। দেশকে বাঁচাতে হলে আবারো শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফতুল্লার ইসদাইর বাংলা ভবনে নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান আরও বলেন, সামনে বড় ধরনের ধাক্কা আসতে পারে। যারা ধাক্কা দিতে চাইবে তারা মরণ কামড় দেয়ার চেষ্টা করবে। তারা মরণ কামড় দেয়ার জন্য সব ধরনের ষড়যন্ত্র করবে। সামনে কঠিন সময় আসছে। আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে। লড়াই করতে হবে। এটা অস্ত্রের ও লাঠির লড়াই নয়, দেশ বাঁচানোর লড়াই। দেশের মানুষকে শান্তিতে বসবাস করার জন্য লড়াই করতে হবে।

তিনি বলেন, সব দলের মধ্যেই ভালো মন্দ রয়েছে। আমাদের ভালো মানুষ দরকার। ভালো মানুষরা যদি আমাদের দলে আসতে চায় তাহলে তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করা হবে। তবে আসতে চাইলে ১০ অক্টোবরের মধ্যে আসতে হবে। ১১ তারিখের পরে কাউকে নেয়া হবে না। তবে সতর্ক থাকতে হবে। অন্য দলের অনেক ব্যক্তি রয়েছে আমাদের ভেতরে ঢুকে বসে আছে। তারা মনে মনে জিয়া-খালেদার কথা বলে আর ওপরে আমাদের সঙ্গে ফান করে থাকে। ওই সব লোকেরা সঠিক সময়ে আমাদেরকে ছোবল মারবেই। আমার দলের নেতাকর্মীরা না খেয়ে থাকে অথচ বিএনপির কিছু লোক আমাদের সঙ্গে থেকে মাখন খেয়ে যাচ্ছে।

নেতার্মীদের উদ্দেশে শামীম ওসমান বলেন, সামনে কঠিন সময় আসছে। অনেক খেলা হবে, আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদেরকে জানান দিতে হবে আমরা দুর্বল না। এই জন্য আওয়ামী লীগের সাচ্চা নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করতে চাই। ঘরে ঘরে মিটিং করতে চাই। প্রত্যেকটি এলাকায় কাজ করতে চাই। আপনারা আমাকে এক এক এলাকায় নিয়ে যাবেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে দেবেন। আর এই কাজটি ২১ অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করতে চাই। এরপর সংসদ বসবে। সেখানে থাকতে হবে। এরপর ২৭ অক্টোবর শানিবার বাংলাদেশকে জাগাতে চাই। এদিন সামজ্জোহা স্টেডিয়ামে দুপুর ৩টায় নারায়ণগঞ্জের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সমাবেশ করতে চাই।

ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফ উল্লাহ বাদলের সভাপতিত্বে সভায় ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মিয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ইব্রাহিম চেঙ্গিস, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান, শহিদুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালি মাহমুদ, এইচ এম ইসহাক,বদিউল আলম বদু, সাবেক পৌর প্রশাসক মতিন প্রধান, কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, ফতুল্লা থানা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ লিটন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু, সাফায়েত আলম সানী, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাফেল, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মো. শরীফুল হক, কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আাইয়ুব আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •