আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের কথা শুনছে না মিয়ানমার। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত নিকি হ্যালি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন। প্রকৃতপক্ষে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোন দেশের কথাই শুনছে না মিয়ানমার। তারা নিজেদের মতো করেই চলছে।

রাখাইনে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে আটক এবং তাদের সাজা প্রদানের ঘটনায় জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস এক বিবৃতিতে বলেন, রয়টার্সের ওই দুই সাংবাদিক যা করেছেন তার জন্য তাদের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তিনি বলেন, আমার তীব্র বিশ্বাস যে এটা হতে পারে না এবং আমি আশা করব যে, সরকার তাদের ক্ষমা করে যত দ্রুত সম্ভব মুক্তি দেবেন।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের আটক ও সাজার বিষয়ে মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চির বক্তব্যের বিরোধীতা করেছেন নিকি হ্যালি।

এক বিবৃতিতে নিকি হ্যালি বলেন, রোহিঙ্গাদের বার্মায় কিভাবে নিরাপদে ফিরিয়ে দেয়া যায় সে বিষয়টি আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। আমার মনে হয় না মিয়ানমার সরকার এ বিষয়ে যথেষ্ঠ করছে। সেনাবাহিনীও তাদের দায়িত্ব স্বীকার করছে না।

তিনি আরও বলেন, অং সান সু চি জানেন যে, ওই সাংবাদিকদের আটকের ঘটনা সমস্যা তৈরি করেছে। আর এ কারণে যোগাযোগ ব্যহত হচ্ছে। তারা যা বলছে তা কেউ বুঝতে পারছে না। আর আমরা যা বলছি তারা তা শুনছে না। কিছু ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একমত প্রকাশ করে কথা বলতে হচ্ছে। কারণ রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে নয় বরং মিয়ানমারে থাকা উচিত।

গত আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের হত্যার ঘটনা অনুসন্ধান করতে গিয়ে আটক হন রয়টার্সের ওই দুই সাংবাদিক। গত সপ্তাহে হ্যানয়ে অর্থনৈতিক ফোরামে সু চি জানান, মত প্রকাশের জন্য ওই সাংবাদিকদের আটক করা হয়নি। বরং মিয়ামনারের গোপন নথি প্রকাশ করায় তাদের আটক করা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •