আ. লীগ থেকে মিল্কির পদত্যাগের ঘোষণা

জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বদরুল হাসান মিল্কি দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার  এই নিয়ে তিনি ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাঁর স্ট্যাটাসটি ‍হুবুহু তুলে ধরা হলো-

বরাবরে, সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ,, আমি বদরুল হাসান মিলকী পিতা:মৃত ফারুক আহমেদ। আমার ছোট চাচা: অধ্যাপক মোহাম্মদ তৈয়ব,বড় চাচা:বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ। যার দীর্ঘ ৪৫ বছরের শিক্ষাকতায় ঢাকা নরসিংদী কলেজ থেকে কক্সবাজার সরকারী কলেজ পর্যন্ত অনেক ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ও লাখো শিক্ষার্থীকে শিক্ষায় আলোকিত করেছেন তিনি হলেন আমার বড় চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোহামদ ইউসুফ যিনি সরকারী কলেজ থেকে অবসর নিয়ে কক্সবাজার প্রি ক্যাডেট কেজি & মডেল হাইস্কুলে principal হিসেবে অনেক বছর দায়িত্বে ছিলেন,কক্সবাজার রাজনৈতিক অঙগনের সিংহ পুরুষ মরহুম মোজাম্মেল হকের বাল্যবন্ধু ছিলেন। তিনি আমার অভিবাবক, তার শিক্ষায় আমরা শিক্ষিত।তিনি বড়দেরকে সম্মান করতে শিখিয়েছেন,বড়দের সাথে ভাল ব্যবহার করতে শিখিয়েছেন। ২০১৭ সালের উখিয়া-টেকনাফের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন । যার ছেলে ডা: রিদুয়ান তারিন সরকারী মুক্তিযোদ্ধার কৌটায় সুযোগ পেয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে MBBS পাশ করে BCS উতীর্ণ হয়ে সরকারী ডাক্তার হিসেবে First posting:উখিয়া হাসপাতালে,এরপর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।বর্তমানে সার্জনের উপর FCPS করে ঢাকা মেডিকেলে কর্মরত আছেন,তার wife ডা: মাহিন একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ। অধ্যাপক ইউসুফের ছোট মেয়ে আমার চাচাতো বোন ড: তাসফি সালসাবিল এবং তার Husband ড: মিজান ২ জনই স্কলারশিপ পেয়ে অস্ট্রেলিয়া যান এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হইতে রোহিঙ্গাদের উপর PSD করতে আসেন কক্সবাজারে। আমি ১৯৮৭ সালে রেজাউল করিম ভাইয়ের হাত ধরে টেকনাফে রাজনীতিতে পর্দাপন করি।১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী স্যারের জন্য চিড়া গুড় খেয়ে খেয়ে নির্বাচনী ক্যাম্পিং করেছিলাম, কিন্তু দুরভাগ্য বশত মাএ ৯৩৭ ভোটে স্যার পরাজিত হন বিএনপির প্রার্থী উখিয়ার শাহজাহান চৌধুরীর কাছে । এবং সেই বারের সংসদ নির্বাচনে মাএ ৮৬ টি আসন পায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সেই দুঃখে আমি আমার বড় চাচার(অধ্যাপক ইউসুফ) বাসায় ককসবাজার চলে আসি। ককসবাজর এসেই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ ছাএলীগের সাথে involved ছিলাম।তার ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের আওয়ামীলীগের ২ কান্ডারী এড:সিরাজুল মোস্তফা ও মুজিবুর রহমান আমাকে ২০১৬ সালে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নির্বাচিত করে সম্মানিত করেছেন।আমি সেই সম্মানের মর্যাদা রাখার নিরলস ভাবে চেষ্টা করেছিলাম।সেই ধারাবাহিকতায় টুঙ্গিপাড়া জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করতে ঢাকা থেকে জেলা আওয়ামী লীগের জন্য গাড়ী ঠিক করা,রুমের ব্যবস্তা ও বন্টন করা,খাবার-দাবারের খবর নেওয়ার চেস্টা করেছিলাম মাএ,সারা রাত না ঘুমিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা-নেএীদেরকে ডেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে জেলা আওয়ামীলীগের জন্য নির্দিষ্ট গাড়ীতে তোলার চেস্টা করি।দূরভাগ্য বশত আমরা দেখতে পাই জেলা আওয়ামীলীগের নির্দিষট গাড়ীর সিটে আমাদেরই দলের কিছু নেতা কর্মী বসা ছিল।আমি বাহিরে দেখতে পেলাম জেলা আওয়ামীলীগের রেজাউল করিম, কাবেরী,দুলাল, জিয়াউদ্দীন, কমর উদ্দীন,জি এম কাশেম,মিজান,আবু হেনা মোস্তফা, ইউনুস বাঙ্গালী, আবু তাহের আজাদ,মুন্নি,মিনু, ইন্জিনিয়ার বদিউল আলম, সোনা আলী সহ আরও অসংখ্য নেতানেএী ফুটপাতে দাড়িয়ে আছে গাড়ীর জন্য।যেহেতু দায়িত্বটা আমার ছিল সেহেতু আমি গাড়ীতে ওঠে বলেছিলাম এই গাড়ীটা জেলা আওয়ামীলীগের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে,আপনারা যদি জেলা আওয়ামীলীগকে আসন ছেড়ে দেন ওরা সম্মনীত বোধ করবে,এবং আপনাদেরকে পৌর আওয়ামী লীগ অথবা আমি নিজে আরেকটা গাড়ীর ব্যবস্তা করে আপনাদেরকে নিয়ে যাব বলে আমি গাড়ি থেকে নেমে আসি। এরপর আমাদের সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতা কর্মী আমাকে হেনস্তা করার চেস্টা করে। এর কিছুক্ষণ পরে পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এসে আমাকে আবারও লান্চিত করার চেষ্টা করে, যার সাথে আমার দেখাই হয় নাই, কথাই হয় নাই সে কেন আমাকে হেনস্তা করবে। শুধু কি আমারই দায়িত্ব জেলা আওয়ামী লীগকে সম্মানীত করা,সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের কি কোন দায়িত্ববোধ নেই জেলা আওয়ামীলীগকে সম্মানীত করার। জেলা আওয়ামীলীগ কে সম্মানিত করতে গিয়ে যদি আমার সম্মান হানি হয় এইরকম রাজনীতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই । আমার পরিবার আমাকে বড়দেরকে সম্মান করতে শিখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসী,বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভালবাসী সেই আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হলে যে কোন পদ-পদবী লাগবে এমন কোন কথা নেই। তাই ককসবাজার জেলা আওয়ামীলীগের নেতা নেএীবৃন্ধকে সম্মানীত করতে না পারায় আমি স্ব ইচ্ছায় আমার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করলাম। মাননীয় কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি /সাধারণ সম্পাদক আমার বিনীত আর্জি আমার এই পদত্যাগ পএ গ্রহন করে , এমন একজনকে নিবেন যিনি জেলা আওয়ামী লীগকে সম্মানীত করবে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষে কাজ করবে,জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবে। খোদা হাফেজ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

বরাবরে, সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ,, আমি বদরুল হাসান মিলকী পিতা:মৃত ফারুক আহমেদ। আমার ছোট চাচা: অধ্যাপক মোহাম্মদ তৈয়ব,বড় চাচা:বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ। যার দীর্ঘ ৪৫ বছরের শিক্ষাকতায় ঢাকা নরসিংদী কলেজ থেকে কক্সবাজার সরকারী কলেজ পর্যন্ত অনেক ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ও লাখো শিক্ষার্থীকে শিক্ষায় আলোকিত করেছেন তিনি হলেন আমার বড় চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোহামদ ইউসুফ যিনি সরকারী কলেজ থেকে অবসর নিয়ে কক্সবাজার প্রি ক্যাডেট কেজি & মডেল হাইস্কুলে principal হিসেবে অনেক বছর দায়িত্বে ছিলেন,কক্সবাজার রাজনৈতিক অঙগনের সিংহ পুরুষ মরহুম মোজাম্মেল হকের বাল্যবন্ধু ছিলেন। তিনি আমার অভিবাবক, তার শিক্ষায় আমরা শিক্ষিত।তিনি বড়দেরকে সম্মান করতে শিখিয়েছেন,বড়দের সাথে ভাল ব্যবহার করতে শিখিয়েছেন। ২০১৭ সালের উখিয়া-টেকনাফের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন । যার ছেলে ডা: রিদুয়ান তারিন সরকারী মুক্তিযোদ্ধার কৌটায় সুযোগ পেয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে MBBS পাশ করে BCS উতীর্ণ হয়ে সরকারী ডাক্তার হিসেবে First posting:উখিয়া হাসপাতালে,এরপর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।বর্তমানে সার্জনের উপর FCPS করে ঢাকা মেডিকেলে কর্মরত আছেন,তার wife ডা: মাহিন একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ। অধ্যাপক ইউসুফের ছোট মেয়ে আমার চাচাতো বোন ড: তাসফি সালসাবিল এবং তার Husband ড: মিজান ২ জনই স্কলারশিপ পেয়ে অস্ট্রেলিয়া যান এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হইতে রোহিঙ্গাদের উপর PSD করতে আসেন কক্সবাজারে। আমি ১৯৮৭ সালে রেজাউল করিম ভাইয়ের হাত ধরে টেকনাফে রাজনীতিতে পর্দাপন করি।১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী স্যারের জন্য চিড়া গুড় খেয়ে খেয়ে নির্বাচনী ক্যাম্পিং করেছিলাম, কিন্তু দুরভাগ্য বশত মাএ ৯৩৭ ভোটে স্যার পরাজিত হন বিএনপির প্রার্থী উখিয়ার শাহজাহান চৌধুরীর কাছে । এবং সেই বারের সংসদ নির্বাচনে মাএ ৮৬ টি আসন পায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সেই দুঃখে আমি আমার বড় চাচার(অধ্যাপক ইউসুফ) বাসায় ককসবাজার চলে আসি। ককসবাজর এসেই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ ছাএলীগের সাথে involved ছিলাম।তার ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের আওয়ামীলীগের ২ কান্ডারী এড:সিরাজুল মোস্তফা ও মুজিবুর রহমান আমাকে ২০১৬ সালে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নির্বাচিত করে সম্মানিত করেছেন।আমি সেই সম্মানের মর্যাদা রাখার নিরলস ভাবে চেষ্টা করেছিলাম।সেই ধারাবাহিকতায় টুঙ্গিপাড়া জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করতে ঢাকা থেকে জেলা আওয়ামী লীগের জন্য গাড়ী ঠিক করা,রুমের ব্যবস্তা ও বন্টন করা,খাবার-দাবারের খবর নেওয়ার চেস্টা করেছিলাম মাএ,সারা রাত না ঘুমিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা-নেএীদেরকে ডেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে জেলা আওয়ামীলীগের জন্য নির্দিষ্ট গাড়ীতে তোলার চেস্টা করি।দূরভাগ্য বশত আমরা দেখতে পাই জেলা আওয়ামীলীগের নির্দিষট গাড়ীর সিটে আমাদেরই দলের কিছু নেতা কর্মী বসা ছিল।আমি বাহিরে দেখতে পেলাম জেলা আওয়ামীলীগের রেজাউল করিম, কাবেরী,দুলাল, জিয়াউদ্দীন, কমর উদ্দীন,জি এম কাশেম,মিজান,আবু হেনা মোস্তফা, ইউনুস বাঙ্গালী, আবু তাহের আজাদ,মুন্নি,মিনু, ইন্জিনিয়ার বদিউল আলম, সোনা আলী সহ আরও অসংখ্য নেতানেএী ফুটপাতে দাড়িয়ে আছে গাড়ীর জন্য।যেহেতু দায়িত্বটা আমার ছিল সেহেতু আমি গাড়ীতে ওঠে বলেছিলাম এই গাড়ীটা জেলা আওয়ামীলীগের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে,আপনারা যদি জেলা আওয়ামীলীগকে আসন ছেড়ে দেন ওরা সম্মনীত বোধ করবে,এবং আপনাদেরকে পৌর আওয়ামী লীগ অথবা আমি নিজে আরেকটা গাড়ীর ব্যবস্তা করে আপনাদেরকে নিয়ে যাব বলে আমি গাড়ি থেকে নেমে আসি। এরপর আমাদের সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতা কর্মী আমাকে হেনস্তা করার চেস্টা করে। এর কিছুক্ষণ পরে পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এসে আমাকে আবারও লান্চিত করার চেষ্টা করে, যার সাথে আমার দেখাই হয় নাই, কথাই হয় নাই সে কেন আমাকে হেনস্তা করবে। শুধু কি আমারই দায়িত্ব জেলা আওয়ামী লীগকে সম্মানীত করা,সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের কি কোন দায়িত্ববোধ নেই জেলা আওয়ামীলীগকে সম্মানীত করার। জেলা আওয়ামীলীগ কে সম্মানিত করতে গিয়ে যদি আমার সম্মান হানি হয় এইরকম রাজনীতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই । আমার পরিবার আমাকে বড়দেরকে সম্মান করতে শিখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসী,বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভালবাসী সেই আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হলে যে কোন পদ-পদবী লাগবে এমন কোন কথা নেই। তাই ককসবাজার জেলা আওয়ামীলীগের নেতা নেএীবৃন্ধকে সম্মানীত করতে না পারায় আমি স্ব ইচ্ছায় আমার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করলাম। মাননীয় কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি /সাধারণ সম্পাদক আমার বিনীত আর্জি আমার এই পদত্যাগ পএ গ্রহন করে  এমন একজনকে নিবেন যিনি জেলা আওয়ামী লীগকে সম্মানীত করবে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষে কাজ করবে,জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবে। খোদা হাফেজ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

অচেনা চোখে জননেতা খালেকুজ্জামান

মরহুম এড. খালেকুজ্জামান স্মরণে ৬ষ্ঠ দিনেও বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পাহাড়ে ৬ ভাইয়ের ত্রাসের রাজত্বঃ আত্নগোপনের হাকিম ডাকাত এখন প্রকাশ্যে!

উন্নয়নে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই : বীর বাহাদুর

কুতুবদিয়ায় অস্ত্রসহ ২ জলদস্যু আটক

২৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার ১০ লাখ পাউন্ড

ভাইরাল প্রিয়াঙ্কা-নিকের চুমুর ভিডিও

ফেসবুকে মোবাইল নম্বর ও এনআইডি যাচাই চান মন্ত্রী

মেধাবীরা গালি দেন বেশি!

‘ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বুমেরাং হতে বাধ্য’

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে দেশের ১৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ

চট্টগ্রামে ফ্লাইট অবতরণের কারণ ব্যাখ্যা করল ইউএস-বাংলা

বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে

নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশ-সন্ত্রাসী গুলিবিনিময়ঃ অপহৃত যুবক ও অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রে গোপন বৈঠকে বসছেন সিনহা ও জামায়াত নেতা রাজ্জাক

আল্লাহ-আল্লাহ বলে চিৎকার করছিলেন তারা

মাথায় চলছিল কীভাবে যাত্রীদের নিরাপদে নামানো যায়

কক্সবাজারের ফ্লাইট চাকা ছাড়া নামলো চট্টগ্রামে (ভিডিও)

নৌকা জিতলেই পাহাড়ে উন্নয়ন হয়- বীর বাহাদুর 

নাইক্ষ্যংছড়িতে পরিস্কার পরিচ্ছনতা অভিযান