বিশ্বে অর্ধেক কিশোর-কিশোরীই নিগৃহীত হয় বন্ধুর হাতে : ইউনিসেফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বিশ্বের অর্ধেক কিশোর-কিশোরী বিদ্যালয়ের সহপাঠী বা আশেপাশের সঙ্গীদের দ্বারা নিগৃহীত বা সহিংসতার শিকার হয় বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড ন্যাশনস চিলড্রেনস ফান্ডে (ইউনিসেফ)।

বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ইউনিসেফ প্রকাশিত ‘অ্যান এভরিডে লেসন : অ্যান্ড ভায়োলেন্স ইন স্কুলস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, বিশ্বে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের অর্ধেকই বিদ্যালয়ের সহপাঠী অথবা সঙ্গীদের সহিংসতার শিকার হয়।

গত এক মাসে কটূক্তি বা গালমন্দের শিকার হয়েছে অথবা গত এক বছরে শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে এমন শিক্ষার্থীদের ওপর জরিপ চালিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

জাতিসংঘের এ সংস্থাটি বলছে, ধনী ও দরিদ্র সব দেশেই শিশুদের শিক্ষাগ্রহণ ও ভালোভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এ বিষয়টি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

২০১৪ সালের একটি জরিপের ওপর ভিত্তি করে ইউনিসেফ বলছে, বাংলাদেশে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ৩৫ শতাংশ মাসে গড়ে এক বা একাধিক দিন গালমন্দ বা কটূক্তির শিকার হয়েছে। বছরে অন্তত একবার শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হয়েছে তারা।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ার চাবিকাঠি হচ্ছে শিক্ষা। অথচ বিশ্বের লাখো শিশুর জন্য বিদ্যালয় এখনও নিরাপদ স্থান নয়। প্রতিদিন তারা শারীরিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছে, গ্যাংয়ে যোগ দিতে তাদের চাপ দেয়া হচ্ছে এবং কটূক্তি বা গালমন্দ করা হচ্ছে। এ ছাড়া তারা সরাসরি, অনলাইনে যৌন হয়রানি ও সশস্ত্র সংঘাতের মতো বিপদের মুখোমুখি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি স্বল্পমেয়াদে শিশুদের শিক্ষা গ্রহণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আর দীর্ঘমেয়াদে তাদের মধ্যে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ তৈরি করে। এমনকি তা তাদেরকে আত্মহত্যায় প্ররোচিতও করতে পারে। সহিংসতা আসলে চিরদিন মনে রাখার মতো একটি বিষয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে- শিল্পোন্নত ৩৯টি দেশে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩ জন সহপাঠীদের কটূক্তি বা গালমন্দের শিকার হয়। কটূক্তি বা গালমন্দের শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে ছেলে ও মেয়ে সমান ঝুঁকিতে থাকলেও মেয়েদের ক্ষেত্রে মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আর ছেলেদের ক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতন ও হুমকির শিকার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

এসব সহিংসতা ঠেকাতে ইউনিসেফের ওই প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশও করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নীতিমালা তৈরি ও আইন প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন; প্রতিরোধ ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ; সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিশিষ্টজনদের সহিংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার আহ্বান।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

বান্দরবানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গুলিবিনিময়ে স্কুলছাত্র নিহত

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে কম সময় দিলে লাভ বেশি

খরুলিয়ায় ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতার মৃত্যু

তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনকালীন সরকার শুরু -মন্ত্রিপরিষদ সচিব

চট্টগ্রামে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৫ জন

সংসদ নির্বাচনের মাঠে যেসব ফুটবলাররা

নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূল নয়, কূটনীতিকদের জানালো বিএনপি

কক্সবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগের ২৪ জনের মনোনয়ন ফরম জমা

মধ্য জানুয়ারিতে ভোট চায় ঐক্যফ্রন্ট

অা.লীগের মনোনয়ন নিলেন ব্যরিস্টার প্রশান্ত বডুয়া

জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন হিরো আলম

প্রথম দিন বিএনপির ১৩২৬ মনোনয়ন ফরম বিক্রি

টেকনাফে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ৯ হাজার ৮০৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ১

আচরণবিধি প্রতিপালনে মাঠ পর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ ইসির

‘জেলারের স্ত্রী ও শ্যালক এত টাকা কোথায় পেলেন’

রাজনৈতিক কারণে কাউকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ

কর্মস্থলে যোগদান করলেন শিক্ষা প্রকৌশল নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার নাজমুল ইসলাম

স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্টির আত্নসামাজিক উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে সরকার

টোকেন এর নামে চাঁদাবাজি, শ্রমিকদের বিক্ষোভ

অবৈধ টমটমের বিরুদ্ধে অভিযানঃ মামলা, ১২ হাজার টাকা জরিমানা