রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু যে কোনো সময়

সিবিএন ডেস্ক:
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত সে দেশের প্রায় ১২ লাখ অসহায় নাগরিকের (রোহিঙ্গা) প্রথম দলটি শিগগির সে দেশে ফিরে যাবে। এ লক্ষ্যে এরইমধ্যে তিন হাজারের বেশি রোহিঙ্গার বিষয়ে ক্লিয়ারেন্সও দিয়েছে মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।

তবে এ বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করে মিয়ারমারে রোহিঙ্গাদের পরিবেশ তৈরির জন্য আরো চাপ বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বাংলাদেশকে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি এখন আর বাইলেটারাল বিষয় নেই। জাতিসংঘের স্বাধীন ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’র রিপোর্ট প্রকাশের পর এটি এখন বৈশ্বিক বিষয়। একটি গণহত্যার বিচার বা সমাধান কেবলমাত্র দু’টি রাষ্ট্রের সমাধানের বিষয় হতে পারেনা।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী অবশ্য বলছেন, সম্ভবত অল্পসময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটি মিয়ানমারে ফিরে যাবে।

বাংলানিউজের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথম দফায় তিন হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে তারা (মিয়ানমার) ক্লিয়ারেন্স দিয়েছে। আমরা আশা করছি, খুব দ্রুতই তাদের প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হবে।

বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) মিরপুরের ন্যাশনাল ডিফেনস কলেজে ‘এনডিসি’দের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যের পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মন্ত্রী। এ সময় তিনি এরচেয়ে আর বেশি কিছু বলতে চাননি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কবে থেকে প্রত্যাবর্সন শুরু হবে তা বলা যাবেনা। এ নিয়ে বেশি কিছু বলা ঠিকও হবেনা। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা আমাদের এনগেজমেন্ট বাড়িয়েছি এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক এবং সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আমরা গত বছর রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসার (২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে) এ প্রত্যাবাসনের কথা শুনে আসছি। এটাকে গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের স্বাধীন ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছে, বাংলাদেশ ও আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়কে সেটাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এটা মনে রাখতে হবে, ওই রিপোর্টে বিষয়টিকে স্পষ্ট গণহত্যা বলা হয়েছে। এখানে কিন্তু ‘জাতিগত নিধন’ বা অথেনেটিক ক্লিনজিং শব্দটিও তারা (জাতিসংঘ) বাদ দিয়েছে। এর অর্থ এটা একটি ভয়ঙ্কর গণহত্যা। এটা এখন আর বাইলেটারাল বিষয় নেই। এটা এখন সারাবিশ্বের সমস্যা।

ড. ইমতিয়াজ বলেন, ১০টি দেশ হয়তো মিয়ানমারের পক্ষে আছে কিন্তু ১৮০টি দেশই রোহিঙ্গাদের পক্ষে। তাই এর বিচার হতেই হবে। এজন্য চাপ প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই। চাপ আসা শুরু হয়েছে। জেনারেলদের নাম আসছে। ফেসবুক পর্যন্ত তাদের বয়কট করছে। এরপর হয়তো বৈশ্বয়িক কোম্পানিগুলো তাদের বয়কট করবে। তখন বিষয়টি আরো জোরালো হবে। তখন রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের বিষয়ও উঠে আসবে।

এদিকে আর্ন্তজাতিক অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক জাতিসংঘ অভিবাসন সংস্থার (আইএমও) বাংলাদেশ প্রধান আসিফ মুনির জানান, প্রথম দলটি পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মহলের সতর্ক হতে হবে।

তিনি বলেন, প্রথম দলটি রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবে। তাদের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করবে অন্যদের ফিরে যাওয়া। এক্ষেত্রে কোনো ভুল হলে তার দায় বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মহলকেই নিতে হবে।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

১ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিকটন লবণ উদ্বৃত্ত, তবু আমদানির চক্রান্ত

ঈদগাঁও থেকে দোকানদার অপহরণঃ ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী!

‘হিংসাবিহীন মানুষ পাওয়া কঠিন’

যখন দশম শ্রেণির ছাত্রী এই সময়ের পিয়া

উখিয়ায় অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন এসিল্যান্ড একরামুল ছিদ্দিক

কক্সবাজার শহরে বেড়েই চলছে চুরি ছিনতাই

হোটেল সী-গালের সংবর্ধনায় সিক্ত মেয়র মুজিবুর রহমান

বর্জ্য অপসারণে আরো একটি গাড়ি সংযোজন করলেন মেয়র মুজিব

মদ পানের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রু বহিষ্কার

এই জনপদটি ইয়াবা নামক বিষ বৃক্ষের আবক্ষে নিম্মজ্জিত : সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন

যুগ্মসচিব হলেন কক্সবাজারের সন্তান শফিউল আজিম : অভিনন্দন

ধর্মীয় শিক্ষা মানুষের মাঝে মূলবোধের সৃষ্টি করে-এমপি কমল

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১৪জন আসামী গ্রেফতার

কক্সবাজার জেলা পুলিশকে আইসিআরসির ২৫০ বডি ব্যাগ হস্তান্তর

চকরিয়ায় পল্লীবিদ্যুতের ভুতুড়ে জরিমানা নিয়ে আতঙ্ক!

ঈদগাঁওয়ে পাহাড় কাটার দায়ে এক নারীকে ১ বছর কারাদন্ড

শুধু চালককে অভিযুক্ত করে লাভ নেই আমাদেরও সচেতন হতে হবে-ইলিয়াছ কাঞ্চন

মাওলানা সিরাজুল্লাহর মৃত্যুতে জেলা জামায়াতের শোক

কক্সবাজারের ৩দিন ব্যাপী ‘প্রাথমিক চক্ষু পরিচর্যা’ কর্মশালার উদ্বোধন

‘ঘরের ছেলে’র বিদায়ে ব্যথিত পেকুয়াবাসী