১৩২ বছরের পুরোনো ‘কোক’ কি আগের মতোই আছে?

ডেস্ক নিউজ:

এ যুগে যখন প্রতিটি খাবার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় মেতেছে, তখন ‘কোকাকোলা’-র আবেদন কিন্তু একটুও কমেনি। যুক্তরাষ্ট্রে বড় বড় সুপার মার্কেট থেকে বাড়ির পাশের ছোট দোকানটাতে এর সহজলভ্যতাই বুঝিয়ে দেয় তার কতটা চাহিদা।

‘হাফ-সার্কেল, ফুল-সার্কেল, হাফ-সার্কেল, এ; হাফ-সার্কেল, ফুল-সার্কেল, রাইট-অ্যাঙ্গেল, এ’ – কী বলুন তো সেটা? হমমমম্, বলছি ‘কোকাকোলা’-র কথা।

কোক, পেপসি আর কেএফসি – শোনা যায়, এগুলো তৈরির রেসিপি সবার অজানা। রেসিপি যাতে কেউ ঘুণাক্ষরেও জানতে না পারে সেজন্য আছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

যদিও অনেকেই বলেন যে, কয়েক বছরের মধ্যে কোকের স্বাদে ভিন্নতা এসেছে, কিন্তু কম্পানিগুলো তাদের কথায় অটল। তবে ফুড টেকনোলজিস্ট ইনস্টিটিউটের সভাপতি জন রাফ বললেন, এটা আসলে একটা পৌরাণিক গল্পের মতো৷ এতবছর ধরে এসব খাদ্যের ফর্মুলায় পরিবর্তন না হওয়াটা একেবারেই অসম্ভব।

অ্যামেরিকার এক নম্বর পানীয় বলা হয় কোকাকোলা আর দুই নম্বর ধরা হয় পেপসিকো-কে। ১৯৯৪ সালে সিক্রেট ফর্মুলা নামে ফ্রেডেরিক অ্যালেন যে বইটি লিখেছেন, তা পড়লে একটু চমকে যেতে হয়। বইটিতে তিনি কোকাকোলা কম্পানির সাবেক নির্বাহীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। সেইসাথে কোকাকোলার আর্কাইভ ঘাঁটার সৌভাগ্য হয়েছিল তার৷ এগুলো বিশ্লেষণ করে তিনি দেখলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে কোকাকোলার ফর্মুলাতে অনেকবার পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং উপকরণ হিসেবে এতে কোকেন ব্যবহার করা হয়।

এই বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর অবশ্য কোকাকোলা কম্পানি একটি ই-মেইলে ঘোষণা দেয়, ১৮৮৬ সালে কোকাকোলা যখন আবিষ্কার হয়, তখন থেকে এ পর্যন্ত এর রেসিপিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি এবং এতে কোনো কোকেন ব্যবহার করা হয় না।

পেপসিকো-র ক্ষেত্রে অবশ্য ঘটনা কিছুটা ভিন্ন। ১৮৯০ এর শেষের দিকে পেপসিকো তৈরি হয়। কিন্তু ১৯৩১ সালে নতুন মালিক আগের স্বাদ পছন্দ না করায় এর স্বাদে ভিন্নতা আনা হয়, যার ফলে বেশ মিষ্টি স্বাদ হয়।

১৯৮০-র দশকে কোকাকোলা ও পেপসিকো-তে কর্ন সিরাপ, চিনি এবং ক্যারামেল যোগ করা হয়। তবে এতে মূল ফর্মুলার কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করেছে দুই কম্পানি এবং তারা এখনও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, পুরোনো রেসিপিতেই বানানো হচ্ছে এসব সোডা।

গত ১৩২ বছর ধরে কোক বানানোর রেসিপি একটি ইস্পাতের ভল্টে রেখে দেয়া হয়েছে। এর আশপাশে সবসময় জ্বলতে থাকে লাল রঙের নিরাপত্তা আলো। গোপনীয়তা রক্ষার্থে সব সময় চোখ রাখছে বেশ কয়েকটি ক্যামেরা। তবে আটলান্টার কোক জাদুঘরে গেলে ক্ষণিকের জন্য দেখা মেলে এই রেসিপির, তবে তা এমন আলো আঁধারি আর ধোঁয়ার মধ্যে, যে কারো সেটা বোঝার সাধ্য নেই। সূত্র-ডয়েচে ভেলে

সর্বশেষ সংবাদ

আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

চকরিয়ায় চুলার আগুনে প্রবাসির বসতঘর ভস্মীভূত, পুড়ে ছাই নগদ টাকা মালামাল

মহান স্বাধীনতা দিবসে সিবিএন’র শুভেচ্ছা

অসাধারণ এক শিক্ষণীয় গল্প

মহান স্বাধীনতা দিবসে বৃহত্তর বার্মিজ মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির শুভেচ্ছা

প্রামাণ্যচিত্র-ব্ল্যাকআউট-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শহীদ মিনারে গণহত্যা দিবস পালিত

মহেশখালীতে আ. লীগ-যুবলীগের গোলাগুলি, উভয় দলের অফিস ভাংচুর

রক্তিম আন্দোলনের স্রোতধারায় আমাদের স্বাধীনতাএই

শাহসূফী হযরত মাওলানা আবদুল জব্বার (রাহ.) এর ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মশার কামড়ে অতিষ্ঠ প্রেমিকের গালে প্রেমিকার থাপ্পড়!

মেয়র মুজিবের চাচা মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিক জালাল আহমদ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

বাবার মত আমিও জনগণের সেবা করে মরতে চাই -জুয়েল

শহীদ জাফরের নামে ডিসি’র সম্মেলন কক্ষের নামকরণ

কতটুকু ‘বিরোধী দল’ হতে পেরেছে জাতীয় পার্টি

প্রচারণায় এগিয়ে বই মার্কার প্রার্থী রশিদ মিয়া

পায়ে হেঁটে ৩ রোভারের দেড়শো কিলোমিটার পরিভ্রমণ

বদরখালীতে চুলার আগুনে পুড়েছে বসতঘর

পেকুয়ায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ‘ভুল’ ব্যালটে ভোট গ্রহণের অভিযোগ

ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ

কক্সবাজার ইয়ুথ জলবায়ু ফোরাম কমিটি গঠিত