শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই প্রবীণ শিক্ষক বিদ্যালয়ের রত্ন

পেকুয়া সংবাদদাতা :
কক্সবাজার জেলার ঐতিহ্যবাহী শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই প্রবীণ শিক্ষক বিদ্যালয়ের রত্ন। তার হলেন: আবদুল মালেক ও আবদুল মোনাফ। তারা দুইজনেই বিদ্যালয়ের যোগদানের পর থেকে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার স্বার্থে তাদেরকে বিদ্যালয়ে অনারারী শিক্ষক হিসেবে রাখা হয়। তাদের ত্যাগ, তিতীক্ষা ও পরিশ্রমের কারনে যুগ যুগ ধরে বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সমর্থ হয়। বিদ্যালয়ে তাদের অবদানের কারনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেকে চিকিৎসক, জজ, ম্যাজিষ্ট্রেটসহ সরকারী গুরুত্বপূর্ন পদে অধিষ্টিত রয়েছে।

তথ্য সুত্রে জানা যায়, শিক্ষামন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গত ১২ আগস্ট বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভা আহবান করা হয়। সভায় ৬০ এর উর্ধে শিক্ষকদের আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ ব্যাপারে ওই দুইজন শিক্ষককে মৌখিকভাবে বলার জন্য প্রধান শিক্ষক মহোদয়কে দায়িত্ব অপর্ন করা হয়। এর প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক মহোদয় ওই দুই জন শিক্ষককে মৌখিকভাবে অবহিত করেন। এরপর থেকে ওই দুই জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তাদের অব্যাহতির বিষয়টি শিক্ষার্থীরা জানতে পেরে তাদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ১৬ আগস্ট শিক্ষার্থীরা ওই দুই জন শিক্ষক বহাল রাখার দাবীতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তারা বিদ্যালয়ের বারান্দা ও রাস্তায় অবস্থান গ্রহন করে। খবর পেয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহাবুব উল করিম ও উপজেলার একাডেমিক সুপারভাইজার উলফাত জাহান চৌধুরী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। তারা শিক্ষার্থীদের শ্রেনীকক্ষে ফিরিয়ে নেন। তাদের দাবীর প্রতি একমত পোষন করেন। এ দিকে তাদের অব্যাহতির বিষয়টি জানতে পেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তারা জানান, সামনে জেএসসি ও এস,এস,সি পরীক্ষা। এ মুহুর্তে পরিচালনা কমিটির এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হয়নি।

বিদ্যালয়ের একজন অভিভাবক সাংবাদিকদের জানান, আসলে আবদুল মালেক ও আবদুল মোনাফ স্যার ভাল শিক্ষক ছিলেন। সামনের দুটি পরীক্ষাকে সামনে রেখে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ঠিক হয়নি। আগামী বছরের শুরুতে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা উচিত ছিল। তিনি আরো জানান, ঈদুল আজহার ছুটির পর বিদ্যালয় খুললে হয়ত শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জনসহ নানা ধরনের কর্মসুচী দিতে পারে। এতে করে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার দারুন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মো: ইব্রাহীম জানায়, আসলে পত্রিকায় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ভিন্নভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের উদ্ভুত পরিস্থিতির ব্যাপারে আমি দায়ী নই। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীদের দাবীর প্রতি আমি একমত পোষন করছি। তবে ওই দিন বিদ্যালয়ে এ ধরনের কান্ড ঘটানোর ক্ষেত্রে কারা দায়ী তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে

ফাইভ-জি মোবাইল নেটওয়ার্কে বিকিরণের ঝুঁকি বেশি?

রাখাইনে এখনো থামেনি সেনা ও মগের বর্বরতা

জাতীয় ঐক্য নিয়ে অস্বস্তিতে আ’লীগ

প্রধানমন্ত্রীর জাতিসঙ্ঘ সফরে প্রাধান্য পাচ্ছে রোহিঙ্গা ইস্যু

সাকা চৌধুরীর কবরের ‘শহীদ’ লেখা নামফলক অপসারণ করলো ছাত্রলীগ

তিন মাসের জন্য প্রত্যাহার আনোয়ার চৌধুরী

মনোনয়ন দৌড়ে শতাধিক ব্যবসায়ী

ফখরুল-মোশাররফ-মওদুদ যাচ্ছেন ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে

এবার ভারতের কাছেও শোচনীয় হার বাংলাদেশের

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষায় ২০০ কোটি টাকা অনুদান বিশ্বব্যাংকের

বিরোধীরা সব জায়গায় সমাবেশ করতে পারবে

চাকরি না পেয়ে সুইসাইড নোট লিখে খুবি ছাত্রের আত্মহত্যা

নবাগত এসপি মাসুদ হোসেনের চকরিয়া থানা পরিদর্শন

উখিয়ার একজন অনন্য কারুকাজ শিল্পী প্রমোতোষ বড়ুয়া

বিশ্বে অাজ মুসলিমরা এত বেশি নির্যাতিত কেন?

নাইক্ষ্যংছ‌ড়ি‌তে ডাকাত আনোয়ার বলি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

মহেশখালীতে আদিনাথ ও সোনাদিয়া পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার

পেকুয়া জীম সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

২৩ সেপ্টেম্বর ওবাইদুল কাদেরের আগমন উপলক্ষে পেকুয়ায় প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন