হারুনর রশিদ, মহেশখালী: 

মহেশখালীতে রোববার থেকে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। হাটগুলোতে ক্রেতাদের আকর্ষণ বেশি দেশি গরুর প্রতি।

মহেশখালী উপজেলাটি একটি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। তার মধ্যে বড় বাজারগুলোতে বসে কোরবানির পশুর হাট, মাতারবাড়ীর নতুন বাজার, কালারমারছড়ার কালারমারছড়া বাজার, হোয়ানকের টাইম বাজার, বড় মহেশখালীর নতুন বাজার, শাপলাপুরের শাপলাপুর বাজার, মহেশখালী পৌরসভার গোরকঘাটা বাজার। গোরকঘাটা বাজারে রোববার দিন বিকাল ৪টার সময় সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় উক্ত বাজারটিতে কয়েশত গরু বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বাজারে তুলেছে ব্যবসায়ীরা।

মহেশখালী পৌরসভার একমাত্র পশুরহাট বসেছে, মহেশখালী ডিজিটাল আইল্যান্ড অফিসের পূর্বপাশে। শুক্রুবার ১৮ আগষ্ট বিকেলে হাটটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়। এ হাট থেকে পৌরবাসী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ কোরবানির পশু কিনতে দেখাগেছে। কোরবানি ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এ হাটে পশু বেচাকেনা চলবে।

রোববার বিকেলে হাটে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের নির্ধারিত স্থানে সারিবদ্ধভাবে রাখা হচ্ছে গরু। লোকজন ঘুরে ঘুরে গরুর দরদাম করছেন। পছন্দ হলেই কিনে নিচ্ছেন।

গোরকঘাটা কোরবানিরর পশুর হাটে সবচেয়ে বড় গরুটির দাম হাকানো হয়েছে ৫লক্ষ টাকা। মালিকের না আব্দুল আলী, সে সিপাহীপাড়া এলাকারবাসিন্দা।

বড় মহেশখালীর রিদোয়ান রাসেল বলেন, অনেক মানুষ আছে যারা দেশি গরু কোরবানি দেন। এ কারণে মিয়ানমারের গরুর চেয়ে দেশি গরুর চাহিদা বেশি।

কুতুবজোমের বাজার থেকে রোববার দিন দেশি গরু কিনেছেন পৌর এলাকার সাহাবউদ্দিন। তার কেনা গরু দাম ৮০ হাজার টাকা। তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিবছরই দেশি গরু কোরবানি দিই। তাই এবছরও দেশি গরু কিনেছি।’

বৃহত্তর বড় মহেশখালীর নতুন বাজারেও দেশি গরুর যথেষ্ট ভীড় রয়েছে। এই ববাজারে বাইরের দেশের গরু তেমন চোখেপড়ে না। প্রাচীন কাল হতে এই হাটে দেশি গরুর বিক্রি বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী সাংবাদিক ও ডা: মৌলভী রুহুল কাদের।

মহেশখালী উপজেলার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নেবুলাল দত্ত বলেন, এবার মহেশখালীতে কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদার ছেয়ে ক্ষুদ্র খামারীরা বেশি দেশী গরু পালন করেছে এবং বাজারে তুলবেন। পর্যাপ্ত দেশি গরু থাকায় দামও স্বাভাবিকের মধ্যেই রয়েছে। তিনি আরো জানান মহেশখালীর প্রত্যেকটা বাজারে গরুর বিভিন্ন ধরনের রোগের চিকিৎসা দেওয়া এবং রোগ সনাক্ত করনের জন্য ভেটেনারী মেডিকেল টিম রয়েছে বলে জানান তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •