রাজনৈতিক ঐক্যে যৌথ নেতৃত্ব চান ড. কামাল

ডেস্ক নিউজ:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের বাইরে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ঐক্যে যৌথ নেতৃত্ব চান খ্যাতনামা আইনজীবী ড.কামাল হোসেন। বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সম্ভাব্য ঐক্য কার নেতৃত্বে হবে, এমন প্রশ্ন আর সংশয়ের মধ্যে ড. কামাল হোসেন নিজের অবস্থান ব্যক্ত করলেন। তার ভাষ্য— এক দল নয়, এক ব্যক্তিও নয়, যৌথ নেতৃত্বে সম্ভাব্য বৃহৎ রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা পাবে।

শনিবার (১৮ আগস্ট) বিকালে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘দেশের বৃহত্তর ঐক্যের বিষয়ে আমি অনেক আশাবাদী। অতীতেও দেখেছি দেশের সংকটকালে মানুষ একত্রিত হয়েছে। মানুষ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে আগ্রহী।’

ড. কামাল হোসেনের মতো ঐক্যে আগ্রহী সমমনা সব নেতাই আশাবাদ ব্যক্ত করছেন— একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য হবে। তবে সম্ভাব্য এই ঐক্যে বিকল্প ধারার একিএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও কামাল হোসেনকে কেন্দ্র করে তৈরি জটিলতায় ঐক্যের আলোচনাও থমকে আছে। প্রচারণা রয়েছে, ড. কামাল হোসেন সম্ভাব্য জোটের নেতৃত্বে নিজেকে দেখতে চান। এমনকী আসন্ন নির্বাচনে জোট বিজয়ী হলে প্রধানমন্ত্রীর পদেও বসতে চান এই খ্যাতনামা আইনজীবী।

বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে এ বিষয়েও কথা বলেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘জোটের প্রধান-এর কথা বলে তো বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়। বরং আমরা যারা থাকবো এই প্রক্রিয়ায় সবাই মিলে একটা যৌথ নেতৃত্বে একটি ঐক্য প্রতিষ্ঠা হবে। কোনও এক ব্যক্তি বা এক দলের নেতৃত্ব নয়। যারা থাকবে সবাই মিলে ঐক্যের নেতৃত্বে থাকবেন। এভাবেই ঐক্য এগিয়ে নিতে হবে।’

ড. কামাল হোসেন আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হতে চাই, এ ধরনের কোনও কথা বলা ঠিক না। আমার ৮০ বছর বয়স হয়েছে। এখন এসে এসব কথা বলার কোনও মানে হয় না। আমি বিন্দুমাত্র এর মধ্যে নেই। আমি চাই, সুষ্ঠু রাজনীতির বিকাশ হবে। আমি আগ্রহভরে দেখতে চাই, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সুন্দর রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিকাশ। এটা আমি তাদেরকেও (যারা ঐক্য নিয়ে কথা বলেছেন)বলেছি, যে আপনারা এসব কথা বলবেন না।’

ড. কামাল হোসেনএদিকে, ড. কামাল হোসেনের ডাকে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সমাবেশের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যুক্তফ্রন্টে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যুক্তফ্রন্টের একাধিক নেতার সঙ্গে গণফোরামের নেতারা দেখা করলেও সমাবেশে অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেননি তারা। কোনও কোনও নেতা সমাবেশটি গণফোরামের ব্যানারে করার পরামর্শ দিলেও এখন অব্দি গণফোরামের তরফে কোনও যোগাযোগ হয়নি। গত দুয়েকদিনে যুক্তফ্রন্টের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বি চৌধুরীর কাছে যাওয়ার কথা ড. কামাল হোসেনের। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘আগামী দুয়েকদিনের মধ্যে সমাবেশের দাওয়াত নিয়ে আমি তার কাছে যাবো।’

উল্লেখ্য, গত ১১ মে ‘সমঝোতাপত্রে’ সই করে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিলেন অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাক্ষাৎ করেন কামাল হোসেনের সঙ্গে। বিএনপির নেতারা ওই সাক্ষাৎকে ঐক্যের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বললেও ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘তাদের সঙ্গে ঐক্য নিয়ে কোনও আলাপ হয়নি। বিএনপির চেয়ারপারসনের মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে তারা এসেছিলেন।’

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

জীবনের প্রথম প্রচেষ্টাতে ঈর্ষনীয় সাফল্য মৌসুমীর

এলআইসিটি বেস্ট অ্যাওয়ার্ড পেলো চবি শিক্ষার্থী নিপুন

খরুলিয়ায় মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা

ঈদগাঁও-খুটাখালী থেকে দিনদুপুরে কাঠ পাচার!

কর্মসুচিতে যোগ দিতে ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম আসছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সম্মেলনকে ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য : চাপিয়ে দেয়া কমিটি মানবে না!

 বিচার শুরুর অপেক্ষায় খালেদা জিয়ার আরও ৭ মামলা

অক্টোবর থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা শফীর অভিনন্দন

রাত ১০-১১টার পর ফেসবুক বন্ধ চান রওশন এরশাদ

আফগানদের কাছে বাংলাদেশের শোচনীয় পরাজয়

আজ পবিত্র আশুরা

দেশের স্বার্থেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন : প্রধানমন্ত্রী

সরকারের শেষ সময়ে আইন পাসের রেকর্ড

রাঙ্গামাটিতে ঘুম থেকে তুলে দু’জনকে গুলি করে হত্যা

শেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে ‘ধোঁয়াশা’ কাটবে এ মাসেই

বিষাদময় কারবালার ইতিহাস

পবিত্র আশুরা : সত্যের এক অনির্বাণ শিখা

নবাগত জেলা জজ দায়িত্ব গ্রহন করে কোর্ট পরিচালনা করলেন