এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও:

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরো চট্রগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁওর বাসষ্টেশনের দুইপাশ জুড়েই কোরবানীর পশুর হাট বসানোর  ফলে তীব্র যানজটের পাশাপাশি জনদূর্ভোগে চরমে উঠেছে। মহাসড়ক থেকে পশুর হাটটি অনত্রে সরানোর দাবী সচেতন মহলের। আর দুইদিন পার হলেই পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোর বানের ঈদ। এ ঈদে বৃহত্তর ঈদগাঁওর প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চল থেকে আসা ক্রেতা বিক্রেতা ছাড়াও পাশ্বর্বতী রামুর ঈদগড়, রশিদনগর, খুটাখালী এবং বাইশারীর লোকজনও প্রতিবছর কোর বানের পশু ক্রয় বিক্রয়ের লক্ষে জেলা সদরের বৃহৎ বানিজ্যেক উপশহর ঈদগাঁও বাজারের বিশাল গরু মহিষের হাটে এসে থাকে।  চট্রগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁওর বাসষ্টেশনের উপর পশু বাজার হওয়ার পাড়া মহল্লা থেকে আসা ক্রেতা বিক্রেতারা রাস্তা পারা পারকালে অনেকটা ঝুঁকিপূণ অবস্থায় রয়েছে। দুরপাল্লাসহ ছোট বড় পরিবহন দূর্ঘটনার ভয় আর আতংক নিয়ে তাদের পালিত গরু মহিষ গুলো বিকিকিনি করে যাচ্ছে এই হাটবাজারে। ঈদগাঁওর প্রধান কোরবানের পশুর হাটে ভিন দেশীয় গরু মহিষের পাশাপাশি দেশীয় গরুর কদর রয়েছে প্রচুর পরিমান। কোরবান আরো দুয়েকদিন বাকী থাকায় স্থানীয়সহ দুরদুরান্তের ক্রেতারা এখনো বাজার ঘুরে ঘুরে দেখছেন। সামান্য পরিমান গরু মহিষ বেচাকেনা হয়েছে বলে জানান বাজার অবস্থানরত লোকজন। আবার অনেকে দরদাম নিয়ে বিপাকে পড়েছে।

দেখা যায়, ১৮ আগষ্ট বিকেলে মহাসড়কের ঈদগাঁও বাসষ্টেশনের দুইপাশ জুড়েই পশুর বাজার জমে উঠছে। তবে শুরুতেই বিপুল সংখ্যক ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীড় যেন লক্ষ্যনীয়। মেহেরঘোনা কবরস্থান থেকে বাসষ্টেশনের কেজি স্কুল গেইট পর্যন্ত গরু মহিষে ভরপুর। বৃহৎ এই পুরো বাজারটি সিসি ক্যামরা নিয়ন্ত্রিত রয়েছে। পশুর হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের জালটাকা সনাক্ত করনে ব্যাংক কতৃক বুথ বসানো হয়েছে। আরো দেখা যায়,পশুর হাটে বিকেলের দিকে উভয় দিকের ছোট বড় অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে প্রায় আধঘন্টা যাবত। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে, কক্সবাজার থেকে এক মূর্মূষ রোগীকে এম্বুলেন্সে করে চট্রগ্রামে নিয়ে যাওয়ার সময় আটকা পড়ে অনেকক্ষণ ধরে। পরে নানা কষ্টের বিনিময়ে চলে যায়। এবার পশুর হাটে বিশৃংখলা এড়াতে পুলিশদল টহল রয়েছে।

এদিকে রশিদ নগরের এক বয়োবৃদ্ধ ক্রেতা জানান, ঈদগাঁও বাজারের এই পশুর হাটে প্রবেশ করে বের হতে দীর্ঘসময় অতিবাহিত হয়,যানবাহন দূর্ঘটনার ভয়ে নাতিকে সাথে রাস্তা পার হতে পারি নাই। পরে বহু কষ্টের বিনিময়ে বেরিয়ে আসছি। এই  রকম বিপাকে পড়েছে আরো অনেকে।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •