দারুল ইহসানের সার্টিফিকেটের বৈধতা দিতে রাজি নয় ইউজিসি

ডেস্ক নিউজ:
সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসানের সার্টিফিকেটের বৈধতা দিতে রাজি নয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। আদালতের নির্দেশনা অনুসারে কর্মরত প্রতিষ্ঠান এ বিশ্ববিদ্যলয়ের সার্টিফিকেট গ্রহণ বা বাতিল করতে পারবে উল্লেখ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মতামত পাঠিয়েছে ইউজিসি।

জানা গেছে, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ আউটার ক্যাম্পাস থেকে পাস করে বের হয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের সনদ বৈধ এবং তা সংরক্ষণের জন্য ইউজিসির কাছে মতামত চেয়ে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বিশ্ববিদ্যালয়-১) জিন্নাত রেহানা স্বাক্ষরিত ওই চিঠি গত ১৫ অক্টোবর ইউজিসিতে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, হাইকোর্ট ২০০৮ সালের ৩০ জুলাই দায়ের করা রিট মামলায় (মামলা নম্বর ৩১৮৯/০৮) প্রদত্ত রায়ে ২৯ ক্যাম্পাস পরিচালনার বিষয়ে বৈধতা প্রদান এবং ২০১২ সালের ৩১ জুলাই এই ২৯ আউটার ক্যাম্পাস থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট বৈধ বলে রায় দেন। আদালতের রায়ের আলোকে পরিচালিত ২৯টি আউটার ক্যাম্পাসের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ইউজিসিতে সংরক্ষণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘দারুল ইহসানের ২৯ আউটার ক্যাম্পাস থেকে পাস করে যাওয়া শিক্ষার্থীদের সনদ সরকার ও ইউজিসি কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান ও তা ইউজিসিতে সংরক্ষণের জন্য সুস্পষ্ঠ মতামত প্রদানের জন্য ইউজিসিকে অনুরোধ করা হলো।’

এ চিঠির ভিত্তিতে চলতি সপ্তাহে ইউজিসি থেকে মতামত পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, আদালতের নির্দেশনায় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট গ্রহণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট গ্রহণ করতেও পারে, চাইলে নাও করতে পারে। এ বিষয়ে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান সিদ্ধান্ত নেবে। আদালতের নির্দেশনার বাইরে এ বিষয়ে নতুন করে ইউজিসি মতামত দিতে পারে না বলে ইউজিসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বৃহস্পতিবার ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, ‘দারুল ইহসানের কোন ক্যাম্পাসের সার্টিফিকেট গ্রহণ হবে, তা নতুন করে বলার কিছু নেই। এ বিষয়ে আদালতের রায়ে পরিষ্কার করে বলে দেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মতামত চাইলে আমরা তাই জানিয়ে দিয়েছি।’

এর আগে ইউজিসি থেকে বলা হয়েছিল ২০০৬ সাল পর্যন্ত দারুল ইহসানের সার্টিফিকেট বৈধ বলে গণ্য হবে- এমন বিষয় উল্লেখ করলে ইউজিসির চেয়ারম্যান বলেন, ২০০৬ সাল থেকে আমরা দারুল ইহসানের মামলা শুরু করেছিলাম। রায়ের পর এমনটাই ভাবা হয়েছিল। এ কারণে আমি এমন বক্তব্য দিয়েছিলাম। কিন্তু রায়ে এ বিষয়টি উল্লেখ না থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধসহ সব আউটার ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। হাইকোর্টের এক রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর দারুল ইহসানের সার্টিফিকেট বৈধ করতে একটি মহল নানা মহলে তদবির চালিয়ে যাচ্ছে। তার ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসিতে এ বিষয়ে মতামত চেয়ে চিঠি দেয়।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

বিপুল নেতাকর্মী নিয়ে চকরিয়া ও ঈদগাঁও’র জনসভায় যোগ দিলেন ড. আনসারুল করিম

সুন্দর বিলবোর্ড দেখে নয় জনপ্রিয় নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে : ঈদগাঁওতে ওবায়দুল কাদের

জাতীয় ক্রীড়ায় কক্সবাজারের অনন্য সফলতা রয়েছে: মন্ত্রী পরিষদ সচিব

নদী পরিব্রাজক দলের বিশ্ব নদী দিবস পালন

মহেশখালীতে ১১টি বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামসহ কারিগর আটক

টেকনাফে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

যারা আন্দোলনের কথা বলেন, তারা মঞ্চে ঘুমায় আর ঝিমায় : চকরিয়ায় ওবায়দুল কাদের

কোন অপশক্তি নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না : হানিফ

৭-২৮ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

আলীকদমে সেনাবাহিনী হাতে ১১ পাথর শ্রমিক আটক

শ্লোগান দিয়ে নয় মানুষকে ভালবেসে নৌকার ভোট নিতে হবে : আমিন

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে মঞ্চে নেতারা ঝিমাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের পেশাদারীত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : শফিউল আলম

কক্সবাজার জেলা সংবাদপত্র হকার সমিতির নতুন কমিটি গঠিত

অবশেষে জামিনে মুক্তি পেলেন আইনজীবী ফিরোজ

বিএনপি জামাতের প্রতারণার শিকার বাংলার জনগন : ব্যারিষ্টার নওফেল

নির্বাচন করবেন যেসব সাবেক আমলা

মরহুম এড. খালেকুজ্জামান : হৃদয় কর্ষণে বেড়ে উঠা জনতার কৃষক

মরহুম এড. খালেকুজ্জামান স্মরণে ৩য় দিনে মসজিদে মসজিদে দোয়া

ভিয়েতনামকে হারিয়েই দ্বিতীয় রাউন্ডে বাংলাদেশ