দরিয়ানগরের ইয়াবা সিন্ডিকেট আবারো সক্রিয়!

আহমদ গিয়াস:
কক্সবাজার শহরতলীর দরিয়ানগরকেন্দ্রিক ইয়াবা পাচারের সেই সিন্ডিকেটটি আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। বিশেষ করে পৌর নির্বাচন উপলক্ষে শহর ও শহরতলীতে ইয়াবাবিরোধী অভিযান ঝিমিয়ে পড়ার সুযোগে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা ভয়ংকর ইয়াবা সিন্ডিকেটটি নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এখান থেকে প্রতিদিন লেনদেন হচ্ছে লাখ লাখ পিস ইয়াবা। এলাকাবাসী প্রতিবাদ করতে গিয়ে উল্টো মামলা-হামলা ও হুমকীর শিকার হচ্ছে।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানে দরিয়ানগর ও কলাতলী এলাকার ইয়াবা সিন্ডিকেটটি তছনছ হয়ে গিয়েছিল। বড় ব্যবসায়ীরা গিয়েছিল পালিয়ে। কিন্তু সম্প্রতি এলাকার বেশ কয়েকজন ইয়াবা ডন জামিনে বেরিয়ে এসেছে। এরপর কিছুদিন তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর পৌর নির্বাচনের সময়ে নতুন করে সংগঠিত করে তাদের সা¤্রাজ্য। বর্তমানে এ সিন্ডিকেট বেপরোয়াভাবে প্রকাশ্যে ইয়াবা ব্যবসা করে যাচ্ছে। আর এলাকার নেতা নামধারীরা রয়েছে তাদের গডফাদারের ভূমিকায়। বৈধ কোন পেশায় জড়িত না থাকা এসব ‘বেকার’ নেতারা তাদের ছত্রছায়ায় গড়ে তোলা ইয়াবা

সা¤্রাজ্যকে সুরক্ষিত রাখতে সেখানে যুক্ত করেছে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের। কেউ যাতে এদের অবৈধ ব্যবসায় বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্য প্রতিবাদকারীদের হুমকী দিতে এসব সন্ত্রাসীরা দলবদ্ধ হয়ে প্রায় এলাকায় মহড়া দেয়। ইতোমধ্যে এ সিন্ডিকেটের কব্জায় রয়েছে আধুনিক মডেলের একাধিক দামী গাড়ি। কিনেছে বেশ কয়েকটি দোকানও। আর তাদের এ ‘আলাদিনের চেরাগ’ হাতে পাওয়ার মতো হঠাৎ বড়লোক হওয়ার ঘটনা দেখে এলাকাবাসীর চক্ষু ছানাবড়া। শুধু তাই নয়, এদের কারণে আতংকিত এলাকার ভদ্র ও নিরীহ লোকজন। কারণ তারা এলাকার যুবকদের টার্গেট করছে সিন্ডিকেটে যুক্ত করতে। এ আতংকে অনেকেই দরিয়ানগর এলাকা ছাড়ছে।

এলাকাবাসী জানান, এ ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস কারো নেই। কারণ এরা বড় অপরাধ চক্রের সদস্য এবং এদের অপকর্মের প্রতিবাদ করলে অপহরণ, খুন ও মিথ্যা মামলায় জড়িত করার হুমকী দেওয়া হয়। রবিবার রাতে ইয়াবা গডফাদার ও বনদস্যুরা একাধিক গ্রামবাসীকে হুমকী দিয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র আরো জানায়, দরিয়ানগর বড়ছড়া আশ্রায়ণ কেন্দ্র ভিত্তিক এ সিন্ডিকেটে স্থানীয় চিহ্নিত ইয়াবা কারবারীরা ছাড়াও টেকনাফ অঞ্চলের লোক রয়েছে। এ সিন্ডিকেটটি টেকনাফ থেকে বাস, ট্রাক, সিএনজি, টমটম কিংবা নৌকাযোগে ইয়াবার বড় চালান এনে দুইদিন কক্সবাজারে রাখে। পরে সুযোগমতো নানা কৌশলে রাজধানী ঢাকা কিংবা বন্দরনগরী চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। এই সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধে দরিয়ানগর এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর দাবি এলাকাবাসীর।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

`রাঙামাটির রূপ দিনদিন হারিয়ে যেতে চলেছে’

বান্দরবানে শ্রেষ্ঠ উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কালাম হোসেন

বর্তমান সরকারই পাহাড়ের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : বীর বাহাদুর এমপি

কুতুবদিয়ায় শহীদ উদ্দিন ছোটনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ফের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

লামায় ক্যাম্প প্রত্যাহার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও রাজার সনদ বাতিল দাবীতে মানববন্ধন

লবণ আমদানি হবেনা, মজুদদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা -শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু

১ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিকটন লবণ উদ্বৃত্ত, তবু আমদানির চক্রান্ত

ঈদগাঁও থেকে দোকানদার অপহরণঃ ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী!

‘হিংসাবিহীন মানুষ পাওয়া কঠিন’

যখন দশম শ্রেণির ছাত্রী এই সময়ের পিয়া

উখিয়ায় অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন এসিল্যান্ড একরামুল ছিদ্দিক

কক্সবাজার শহরে বেড়েই চলছে চুরি ছিনতাই

হোটেল সী-গালের সংবর্ধনায় সিক্ত মেয়র মুজিবুর রহমান

বর্জ্য অপসারণে আরো একটি গাড়ি সংযোজন করলেন মেয়র মুজিব

মদ পানের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রু বহিষ্কার

এই জনপদটি ইয়াবা নামক বিষ বৃক্ষের আবক্ষে নিম্মজ্জিত : সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন

যুগ্মসচিব হলেন কক্সবাজারের সন্তান শফিউল আজিম : অভিনন্দন

ধর্মীয় শিক্ষা মানুষের মাঝে মূলবোধের সৃষ্টি করে-এমপি কমল

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১৪জন আসামী গ্রেফতার

কক্সবাজার জেলা পুলিশকে আইসিআরসির ২৫০ বডি ব্যাগ হস্তান্তর