সংবাদদাতা:
কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল আহামদের কলেজ পড়ুয়া ছেলে মাহিনুল ইসলাম আকাশকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ ওঠেছে। সাজানো মামলায় সন্তানের মুক্তি দাবী করেছে মা নুর নাহার বেগম। শনিবার (৪ আগষ্ট) বিকালে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমার ছেলে মাহিনুল ইসলাম আকাশ এ বছর কক্সবাজার পৌর প্রিপ্যার‌্যাটরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পাস করে কক্সবাজার সিটি কলেজে ১ম বর্ষে অধ্যয়ন করছে। ৩১ জুলাই দিবাগত রাত ৯ টার দিকে বন্ধুদের সাথে কলেজের শিক্ষকদের প্রাইভেট কোচিং বিষয়ে আলোচনা করছিল। এ সময় শহরের বাহারছড়ার কে.সি.দে সড়কে একটি টমটম গাড়ি নিয়ে কিছু যুবক দৌঁড়াতে দেখে। তাদের পেছনে পুলিশও যাচ্ছিল। পরে পুলিশ টমটম গাড়ীতে থাকা ছেলেদের ধরে ফেলে। সেখানে আমার ছেলেকেও সন্দেহভাজন ধরে নিয়ে যায়। পরে তার কাছ থেকে পেয়েছে বলে একটি মামলা ঠুকে দেয়। ওই মামলায় সে কারাবন্দি জীবন কাটাচ্ছে।
নুর নাহার বেগমের অভিযোগ, তার ছেলে মাহিনুল ইসলাম আকাশের কাছ থেকে কোন ধরণের মাদকদ্রব্য না পেয়েও বিশেষ মহলের ইন্দনে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। অবিলম্বে ছেলের মুক্তি দাবী করেন তিনি।
তার প্রশ্ন, যে ছেলে কোন দিন পান পর্যন্ত খায়নি, সে ছেলে কিভাবে ইয়াবাসহ আটক হয়? নিরপরাধ একটি কলেজ পড়ুয়া ছেলেকে ইয়াবার মতো স্পর্শ কাতর বস্তু দিয়ে ফাঁসিয়ে কার স্বার্থ উদ্ধার করা হচ্ছে? এটি নিছক ষড়যন্ত্র ছাড়া অন্য কিছু নয় বলে দাবী করেন আকাশের মা।
তার দাবী, স্বামী মরহুম মকবুল আহামদ একজন স্বীকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি পরিবারের সবাইকে আজীবন সততার শিক্ষা দিয়ে গেছেন। মৃত্যুর পর তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। পিতার আদর্শ ধারণ করে সন্তানরা বেড়ে উঠে। একটি মিথ্যা অপবাদের বোঝা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে বয়ে চলতে হচ্ছে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কি হতে পারে? তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করেন। সংবাদ সম্মেলনে মাহিনুল ইসলাম আকাশের বোন হোসনে আরা টিপু, ভাই জসিম উদ্দিন কাজলসহ স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •