কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের বেহাল দশা

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া:
কক্সবাজার -টেকনাফ সড়কের বেহাল দশা। প্রায় ৪০ শতাংশই ভাঙা। কোথাও কোথাও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অথচ আর কদিন পরেই ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। লাখ লাখ মানুষ প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে বিভিন্ন গন্তব্যে যাবেন। এসব ভাঙা সড়ক পাড়ি দিতে তাদের পোহাতে হবে চরম দুর্ভোগ। এখনই রাস্তা খারাপ হওয়ায় অনেক এলাকায় মিয়ানমার থেকে আনা গরুর ট্রাক সময় মতো গন্তব্যে নিতে পারছেন না।
এলাকার সচেতন লোকজন বলছেন, সারা বছর সড়ক সংস্কার না করে মানবতার ট্রাঙ্গল পয়েন্ট উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় রোহিঙ্গাদের দেখতে সারা বিশ্বের নেতৃবৃন্দ এলে হুড়োহুড়ি করে জোড়াতালি দিয়ে সড়ক মেরামত করা হয়।ফলে সেটা টেকসই বা স্থায়ী সমাধান হয় না। টেকসই সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়ায় এই সড়কের বেহাল দশা থেকেই যাচ্ছে। উখিয়া-টেকনাফ সড়ককে চার লেন উন্নীতকরনে জাইকার সহযোগীতা চেয়েছেন উখিয়া-টেকনাফের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি। শুক্রবার সকালে জাপানে সফররত দুর্যোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও জাইকার সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে এ প্রস্তাব রাখেন এমপি বদি।
কয়েকজন বাস ও ট্রাক চালক জানান, উখিয়া থেকে টেকনাফ দুই ঘন্টার বেশি সময় লাগার কথা না। সেখানে চার থেকে পাঁচ ঘন্টা সময় লাগে রাস্তার দুরবস্থার কারণে। উখিয়া উপজেলা যুব লীগের সভাপতি মুজিবুল হক আজাদ বলেন, জোড়াতালি দেওয়া কাজ কখনই টেকসই হয় না। আমাদের আসলে পোড়াতেই গলদ রয়েছে। মহাসড়কে একটা গর্ত বড় হয়ে চলার অনুপযোগী না হওয়া পর্যন্ত টেন্ডার দেওয়া হয় না। আর টেন্ডার না দিলে কোনো কাজও করা হয় না। আমাদের এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নিয়ম হল প্রতিটি সড়ক মহাসড়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী নিয়মিত তদারকি করবেন। কোথাও সমস্যা হলে বড় গর্ত হওয়ার আগেই তা নিজস্ব লোকজন দিয়ে সংস্কার করবেন টেন্ডারের অপেক্ষায় না থেকে। দরদ দিয়ে সারা বছর সড়ক-মহাসড়কের কাজ করে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, সড়কে যে জায়গাগুলোতে সংস্কার দরকার সেগুলোতে যানবাহনের অত্যাধিক চাপ রয়েছে। এর সাথে এখন বর্ষা মৌসুম চলছে। এই অবস্থায় অত্যন্ত অস্থায়ী ভিত্তিতে খোয়া দিয়ে কিছু একটা হয়তো করার চেষ্টা হবে। জরুরি ভিত্তিতে কোনোভাবে ঠেকা দিয়ে যেন ইভেন্টটাকে পার করা যায়। কিন্তু টেকসই সমাধান যে করা যায়, সেদিকে আমরা যাচ্ছি না।
হায়দার বলেন, সড়কে অতিমাত্রায় ওভারলোড রোহিঙ্গাদের মালবাহি ট্রাক চলার কারণে সড়কের ক্ষতি হচ্ছে। অনেক আবার অতিরিক্ত মালামাল বহনের জন্য গাড়ির আকার পরিবর্তন করছে। মরিচ্যাে, কোটবাজার, উখিয়া, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী ও পালংখালীসহ টেকনাফ পর্যন্ত অধিকাংশই ভাঙা। এ সড়কে অন্তত ৫০ কিলোমিটার রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক স্থানে কার্পেটিং উঠে বেরিয়ে এসেছে কাদামাটিও ইট। গর্তে পানি জমে সড়কের ওপর তৈরি হয়েছে ছোট ছোট পুকুর।কোনো কোনো জায়গায় বড় বড় গর্তে পানি জমে পরিণত হয়েছে মরণফাঁদ।

সর্বশেষ সংবাদ

মাতামুহুরি উপজেলার প্রশাসনিক অঞ্চল বদরখালীতে করার দাবী

নীড়ের টানে স্মৃতির বানে: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৩৮/৭ ব্যাচের পূণর্মিলন

চকরিয়ায় দরবেশকাটা জামে মসজিদের ৮০ কানি সম্পত্তি থাকলেও উন্নয়ন নেই

কক্সবাজারে আগত দেশ-বিদেশী প্রশিক্ষক ও বাফুফে’র কর্মকর্তাদের মতবিনিময়

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে উপেক্ষিত ঈদগাঁও উপজেলা বাস্তবায়ন

সড়ক উন্নয়ন হাটহাজারী পৌরসভার দৃশ্যপট বদলে দিচ্ছে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ

উচ্ছেদ আতঙ্কে শাহপরীর দ্বীপ জালিয়া পাড়ার ভূমিহীন ৩’শ পরিবার

চট্টগ্রামে রুপালি গিটার নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘আইয়ুব বাচ্চু চত্বর’

কক্সবাজারে মর্গে গৃহবধূর লাশ রেখেই পালাল স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন

সঠিক চিকিৎসার অভাবে মুরসির মৃত্যু হয়েছে: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

হ্নীলা ইউপি’র তফসিল ঘোষনা : ভোট ২৫ জুলাই

দুবাইতে টেকনাফের ২ এপ্যার্টমেন্টের ফ্ল্যাট বিক্রি মেলা ২১ জুন

চট্টগ্রাম কারাগারে ইয়াবার রমরমা কারবার!

সেই তিন জমজ বোন উদ্ধার, গ্রেফতার ৬

৩০ লাখ শহীদকে এখনও চিহ্নিত করা যায়নি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাজার এখন চোরাই স্বর্ণের ডিপো!

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় উখিয়ার মনজুর আলম নিহত

লামায় দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

লোহাগাড়ার কাশেম মেম্বার চুরির মামলায় কারাগারে