শাহেদ মিজান, সিবিএন:
পাহাড় ধসে চার ভাইবোন নিহত ও টানা বর্ষণের কক্সবাজার শহরের পাহাড়ে ঝূঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী লোকজনকে সরিয়ে আনতে তৎপর হয়ে উঠেছে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্র খুলে ওইসব লোকজনকে সরিয়ে আনার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এই জন্য খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। কক্সবাজার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দীন এই তথ্য জানান।

নাজিম উদ্দীন জানান, কক্সবাজার পৌরসভার ৬টি ওয়ার্ডে ৮৫১টি ঝূঁকিপূর্ণ পরিবার রয়েছে। পৌরসভার আওতাধীন এসব ঝূঁকিপূর্ণ পরিবারের লোকজনকে সরিয়ে আনার জন্য নির্বাচনের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংরক্ষিত রাখায় আপাতত লাইটহাউস কিন্ডার গার্টেনকে আশ্রয় কেন্দ্র করা হয়েছে। লোকজনকে সরিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ছয়টি দল কাজ করছে। তাদের সাথে জনপ্রতিনিধি, এনজিও’র লোকজনও রয়েছে।

নাজিম উদ্দীন তিনি বলেন, ‘বুধবার ভোরে পাহাড় শহরের রুমালিয়ারছড়ায় চার ভাইবোনের মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই রকম মৃত্যু কখনো কাম্য নয়। তাই বর্ষার আসার পর থেকে শহরের পাহাড়ি এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী লোকজনকে নিরাপদে রাখতে বরাবরই জেলা প্রশাসনের প্রচেষ্টা রয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি শুরু হলে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নেয়া হয়। চলতি বর্ষার বিগত টানা বর্ষণে সব ঝূঁকিপূর্ণ বসবাসকারী লোকজনকে সরানো হয়েছিল। সে সময় জেলা প্রশাসকসহ পুরো জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা পাহাড়ে পাহাড়ে চষে বেড়িয়েছেন।’

কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকাল থেকে হঠাৎ টানা বৃষ্টি শুরু হয়। এর মধ্যেই বুধবার বড় ধরণের মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার সব ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়। বিশেষ করে লাইট হাউজ পাড়া, বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকার লোকজনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরিয়ে আনা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •