“মন্দ কপালে ছন্দপতন ফিরে আসুক ছন্দ”

সাইফুল ইসলাম বাবুল

ফ্যাটঃ পেকুয়া সমবায় সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতি লিঃ। আবহাওয়া খারাপ হলে বিপদ সংকেত জানা জনতার জন্য জরুরী। উক্ত সমিতির ভাগ্যাকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা। অনেক ঝড়ঝঞ্জা আক্রান্ত অনিয়ম , দুর্নীতি , স্বেচ্ছাচারিতা , আত্মসাৎ , গ্রপিং , পেশীশক্তির লালন এমন কোন নেতিবাচক কর্ম নেই যা এখানে হয় নাই। সমিতি পরিণত হয় ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পৈতৃক সম্পত্তিতে। সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান কিছু নিয়মের ভেতর চলতে হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় নিয়ম না মেনে এখানে হয় সর্বক্ষেত্রে উৎকোচ কিংবা কারো মনোরঞ্জন। কারণ অত্র আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা কামাই এবং বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থাকা।ভোট
আসলে সিন্ডিকেট করে ভোট কেনা হয়। নির্বাচনে খরচ করাটা বিনিয়োগ নির্বাচিত হলে তাদের সম্পদ বাড়ে জ্যামিতিক হারে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে তাদের ঘর-বাড়ি সম্পদের অবস্থা। প্রশ্ন তাদের কি আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ ছিল ?

ঋণের কোন সিলিং নেই। তাই কূঋণ বেড়েছে, গরিব দুঃখী মেহনতি মানুষ হারাচ্ছে তাদের সঞ্চিত টাকা। মনে হচ্ছে বানরের পিঠা বাগ। মামলা হামলায় জর্জরিত, কথা হচ্ছে এতো মামলার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় কেন ? আবার মামলায় যদি সমিতির নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তারা আসামি হয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হয় তাহলে সমিতি কি জীবন্ত লাশে পরিণত হবে?

তাই সাধুবাদ জানাতে হয় সমিতির বাকি নেতৃবৃন্দকে তারা অত্যন্ত সাহসের সহিত সমিতিতে প্রাণ সঞ্চার করেছে। তারা রেজুলেশন এর মাধ্যমে পলাতকদের বাদ দিয়ে নতুনভাবে দায়িত্ব অর্পণ করেছন। যা অচলতা ভাঙতে সহায়ক হবে। সমিতির নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে তা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি সমিতিকে আর্থিক তছরুপ থেকে বাঁচানো যাবে। মামলার নামে বড় অংকের টাকা নিয়ে নিজেদের বিলাস-ব্যসনে ব্যস্ত রাখা একটি গর্হিত কাজ।

একটু ছড়া কাঠতে ইচ্ছে করছে…

‘দুষ্টের শিরোমণি
লঙ্কার রাজা
চুপি চুপি খাও
তুমি চানাচুর ভাজা’।

যেখানে দুষ্ট থাকবে সেখানে কেউ সুখে থাকবে না তাই বলে দুষ্ট যেখানে যাবে সেখানেই লঙ্কাকাণ্ড। সুতরাং তাকে পরিহার করা সময়ের দাবি। আদালত যেখানে সেখানে কারো হাত নেই। টাকার বিনিময় দিনকে রাত করার সময় মনে হয় চলে যাচ্ছে। তাই সবার একটু শুদ্ধ চিন্তা আসা দরকার। আমি কাউকে দোষী বলছিনা। আক্রান্ত ব্যক্তি রোগের জন্য দোষী না, তবে দোষ জীবাণুর। তাই ব্যমোর ভয়ে তাকে একটু দূরে রাখা যায়না ? রোগটা তু ছোয়াছে। সে দোষ করলে অন্যের গায়ের কালিমা লেপটে দেয়। তাই রোগীকে একটু আলাদা রাখা জরুরি। সবাই তার সঙ্গীকে ভালোবাসেন – ভালো। কিন্তু অন্ধ ভালোবাসা মন্দ ডেকে আনে। মাথায় উঠবে অপমানিত হবে সমাজ ব্যক্তি গোষ্ঠী। আমরা দেখেছি টাকা হলে মানুষ শান্ত হয়ে যায় কিন্তু ডোমের টাকা হলে শুকোর ক্রয় করে। আমরা ভাই ডোম বৃত্তির অবসান চাই।

তিনি কি সক্রেটিস? তার জন্য এত সাফাই কেন? তারমানে ঝগড়া-বিবাদ লাগিয়ে রাখা? আমরা পরস্পর প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান আমাদের বাঁচাতে হবে। ঘরে কুটি ঘুনে ধরলে বদলানো যায় একটু বদলান দুর্ঘটনার আগে। তাই বলছি এখন থেকে সাবধানতা। মন্দ হয়তো আমাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন নয়। তাই বলছি মন্দ কপালে ছন্দপতন ফিরে আসুক ছন্দ।

লেখক: সাইফুল ইসলাম বাবুল
সাংবাদিক
০১৮২৮৬৩৭১৩২

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

উখিয়ার কলেজছাত্রী হত্যাকারী সন্ত্রাসী কবিরের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

চকরিয়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ক কর্মশালা

আলমগীর ফরিদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার

নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ

যুক্তরাষ্ট্রও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিরোধী

গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা

এড. সালাহ উদ্দীন কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপি’র ফরম সংগ্রহ করলেন

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার কথা শুনে ক্যাম্প ছেড়ে পালানোর চেষ্টা রোহিঙ্গাদের

কারাবন্দির পাকস্থলিতে মিললো ৪০০ ইয়াবা

লামায় বিষপানে যুবকের মৃত্যু

আলীকদমে পাহাড় কেটে ইটভাটা

লুৎফুর রহমান কাজল মনোনয়ন ফরম জমা করেছেন

একটি পোপা মাছের দাম কেন ৮ লাখ টাকা?

ডায়াবেটিস কী? কেন হয়?

এস.এস.সি ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

পাল্টে যেতে পারে সব হিসাব

ভোট কেন্দ্র থেকে সরাসরি সংবাদ সম্প্রচার নিষিদ্ধ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থগিতের আহ্বান জাতিসঙ্ঘের

শীতে পাহাড় ও সমুদ্রের হাতছানি

মহেশখালীর উত্তর নলবিলায় হাসান আরিফের নেতৃত্বে ভয়ংকর পাহাড় কর্তন