গোমাতলী রাজঘাট পাড়া রক্ষা বাঁধে ধ্বস

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও:

বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের গোমাতলী রাজঘাট পাড়ার ফুলছড়ি নদীর কয়েকটি স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে পড়ায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বসতবাড়ি, মসজিদ, ফোরকানিয়া, কবরস্থান ও রাজঘাট পাড়ার একমাত্র জেটি। এলাকাবাসীর আশঙ্কা শীঘ্রই ভাঙ্গনের অংশ মেরামত করা না হলে চলতি বর্ষায় নদীর বাঁধ ভেঙ্গে গ্রামটি তলিয়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে স্থানীয়রা।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড গোমাতলী রাজঘাট পাড়ার পাশ ঘেষে বয়ে যাওয়া ফুলছড়ি নদীর পানি বিপদসীমার ১৮০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে পাড়ার বাঁধ হুমকির মুখে পড়ে। তবে বৃষ্টি কমতে থাকলে নদীর পানি কমতে শুরু করে। পানি কমার সাথে সাথে গোমাতলী রাজঘাট পাড়ার ফুলছড়ি নদীর বাঁধের কয়েকটি স্থান থেকে মাটি ধ্বসে নদীতে পড়তে শুরু করে। এতে বাঁধটি দুর্বল হয়ে চরম ঝুঁকিতে পড়ে বসতবাড়ি। নিত্যদিনের এ দৃশ্য দেখে এলাকাবাসী রয়েছে চরম আতঙ্কে। তারা বাঁধ থেকে মাটি ধ্বসে পড়া স্থানগুলো মেরামত করার দাবি জানান। অন্যথায় বন্যায় বাঁধের ধ্বসে পড়া মাটির স্থান দিয়ে বাঁধ ভেঙ্গে গ্রামটি তলিয়ে যাবার আশঙ্কা করছেন।

এলাকাবাসিরা জানান, ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় ফুলছড়ি নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় গোমাতলী সমবায় কৃষি ও মোহাজের উপনিবেশ সমিতির নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা ভাঙ্গন এলাকা মেরামতের জন্য পরিষদ-পাউবো কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করবেন বলে জানিয়েছেন।

৭নং ওয়ার্ড মেম্বার মাহমুদুল হক দুখু মিয়া জানান, ফুলছড়ি নদীতে পানি বৃদ্ধির পর সেই পানি যখন কমতে থাকে তখন নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যায়। যে স্থানটিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে সেটি হল রাজঘাট পাড়া রক্ষা বাঁধ। পানির প্রবাহ বাধার ফলে সেখানকার বাঁধে পানির ধাক্কা বেশী লাগে। বহুপূর্বে সেখানে স্পার দেয়া হয়। পানি নামার সাথে সাথে সেই স্পারসহ বাঁধ নেমে যায়। তিনি আরও জানান, এলাকাবাসীর পক্ষ হয়ে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডে যোগাযোগ করা হলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখনো ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ পরিদর্শন করেনি।

পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ জানান, পূর্বেও সে বাঁধে সমস্যা ছিল। যেভাবে রাস্তাসহ বাঁধ ভেঙ্গেছে যদি দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে গ্রামটি তলিয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, ফুলছড়ি নদীর দক্ষিণ অংশে বাঁধ ভাঙ্গছে। বিপরীত প্রান্তে মহুরী ঘোনা এলাকায় ভরাট হয়ে চর সৃষ্টি হচ্ছে। সেই চর অপসারণ করলে বাঁধটি হুমকি থেকে রক্ষা পাবে।

গোমাতলী সমবায় কৃষি ও মোহাজের উপনিবেশ সমিতির কার্যকরি পরিষদের সদস্য নুরুল আজিম জানান, বাঁধের ভাঙ্গন এলাকাটি দ্রুত মেরামত করা না হলে স্থানীয়দের বসবাস করা সম্ভব হবেনা। গ্রামবাসিকে পোহাতে হবে চরম দুর্ভোগ।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো: সবিবুর রহমান জানান, বাঁধ থেকে মাটি ধ্বসে পড়ার খবর পেয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাঁধকে শক্তিশালী করা হবে যাতে বন্যায় বাঁধের কোন ক্ষতি না হয়। এছাড়া ঈদগাঁও-ফুলছড়ি নদীর পোকখালীর ভাঙ্গন ইতিমধ্যে বন্দ করা হয়েছে। এসব বাঁধগুলো মেরামতের জন্য সরকার থেকে উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

সর্বশেষ সংবাদ

মহেশখালীতে আ. লীগের প্রার্থী হোছাইন ইব্রাহিম না জাফর?

কক্সবাজারে ৩৫ অবৈধ ইটভাটা, বিপর্যয়ের মুখে কৃষি

যশোরের শার্শায় মাদক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

টেকনাফে বিজিবির সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবাকারবারী রোহিঙ্গা নিহত

চট্টগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ

সমঝোতার জন্য দুই পক্ষকে ডেকে মারা গেলেন ওসি

বাংলাদেশকে শপিংমল ও হাসপাতাল দেবে লুলু-এনএমসি গ্রুপ

ভিডিও সরানোর শর্তে সালমানকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

দিল্লি পৌঁছেছেন সৌদি যুবরাজ সালমান

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারের প্রথম পাকা শহীদ মিনার

এডভোকেট মুজিবুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রামুর ২ ইয়াবা ব্যবসায়ী ৩০ হাজার ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার

কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্যানেল পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

সদর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন আবদুর রহমান

স্যালুট লোকমান হাকিম মাস্টার

নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট জয়ের সুমধুর আবৃতির ভিডিও প্রকাশ

 প্রথম আলোয় সংবাদ প্রকাশ,  মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সংবাদ সম্মেলন

চকরিয়া-পেকুয়াকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা চাই : চট্টগ্রামে এমপি জাফর আলম

উখিয়ার ভূমিদস্যু নুরুল হক মুন্সি আটক, জনমনে স্বস্তি