কোটা সংস্কার আন্দোলনরত ছাত্রদের আইনী সহায়তা দেবেন আইনজীবীরা

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া 

বিবিসি বাংলা : বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলায় বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেবেন সুপ্রিম কোর্টের ক’জন আইনজীবী।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জোতির্ম্যয় বড়ুয়া বিবিসি বাংলাকে বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, আইনি সহায়তা পাওয়া তাদের সাংবিধানিক অধিকার।”

মি. বড়ুয়া জানান, মানবিক বিবেচনা থেকেও তাদের আইনি সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

মি. বড়ুয়া বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের সন্তান এবং আইনি কার্যক্রম চালানোর মত আর্থিক সামর্থ্য তাদের অধিকাংশেরই নেই।”

মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনায় তারা যেন সহায়তা পায় ও হতবিহ্বল না হয়ে পড়ে তা নিশ্চিত করতেই আইনজীবিরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান মি.বড়ুয়া।

এর আগে মঙ্গলবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া হামলার প্রতিবাদে ‘অভিভাবক’ ব্যানারে সমাবেশ করেন কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজন লেখক, ব্লগার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা।

ঐ সমাবেশে উপস্থিত থাকা লেখক ও কলামিস্ট রেহনুমা আহমেদ জানান, গত কয়েকদিন শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া হামলার প্রতিবাদ করতেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তারা।

সরকারি চাকরিতে সবধরণের কোটা বাতিল করা হবে জানিয়ে কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী সংসদে বক্তব্য দেয়ার পরও কিছুদিন আগে দ্বিতীয় দফায় আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। দ্বিতীয় দফায় আন্দোলনের যৌক্তিকতা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে মিজ আহমেদ বলেন, প্রজ্ঞাপন জারিতে সরকারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণেই এরকম অস্থিতিশীল অবস্থার তৈরী হচ্ছে।

মিজ. আহমেদ বলেন, “এটা সবার কাছে স্পষ্ট যে এই পরিস্থিতি সরকারই সৃষ্টি করছে। অস্থিতিশীলতা তৈরী হওয়ার জন্য সরকারই দায়ী।”

রেহনুমা আহমেদের মতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদক্ষেপ না নেয়ার কারণেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসহনশীলতা তৈরী হয়েছে।

তবে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরও কোটা সংষ্কারের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পেছনে অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

মি. নাসিম বলেন, “কোটা সংরক্ষণ বা বাতিল করা একটি সাংবিধানিক বিষয়, কাজেই এর বাস্তবায়ন স্বাভাবিকভাবেই সময়সাপেক্ষ।”

আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করা শিক্ষক-লেখকদের সমালোচনা করে মি. নাসিম বলেন, তারা আন্দোলনকারীদের উস্কানি দিচ্ছেন।

“বুদ্ধিজীবি বা আইনজীবিদের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বোঝানো উচিৎ যে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরও আন্দোলন চালানো অযৌক্তিক। তা না করে তারা যখন তাদের সমর্থন করে তখন মনে হওয়া স্বাভাবিক যে তারা আন্দোলনে উস্কানি দিচ্ছেন” – বলেন মোহাম্মদ নাসিম।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

ঈদগাঁওতে ইউনিক পরিবহন ও টমটমের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৪

চবির ‘প্রফেসর’ পদোন্নতি পেলেন কক্সবাজারের হাসমত আলী

খুটাখালীর মহাসড়ক কিনারায় অবৈধ ভাসমান দোকানপাট উচ্ছেদ

চবিতে গণিত বিভাগের ২দিন ব্যাপী সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান শুরু

১৯দিন ব্যাপী চুনতির সীরত মাহফিল ১৯ নভেম্বর

ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় শিশুসহ ৪১ জন আটক

গর্জনিয়ার জমিদার ফরুক আহমদ শিকদারের সহধর্মিনীর ইন্তেকাল

মালিকবিহীন ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

আকিদা ঠিক করেন, সব ঠিক হয়ে যাবে -শাহ আহমদ শফি

গাজাসহ ডিআরসি কর্মকর্তা আটক

কক্সবাজার-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চূড়ান্ত প্রার্থী আলহাজ্ব ডাঃ মুহাম্মদ আমীন

চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে আধুনিক সিটি স্ক্যান মেশিন

খাশোগি হত্যায় ৫ সৌদি কর্মকর্তার ফাঁসির আদেশ

কেন শুরু হলো না রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন?

মেরিন ড্রাইভ সড়কে যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ

জুমার দিনের দোয়া: নাজিমরা ফিরে আসুক কল্যাণের পথে

রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা-নজরদারিতে এবার আর্মড পুলিশের নতুন ব্যাটালিয়ন

তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব, হচ্ছেনা বিশ্ব ইজতেমা

ঈদগাঁওতে পিএসপি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

দেশপ্রেমিক আদর্শ জনগোষ্ঠী তৈরী করছে কওমি মাদ্রাসা -আহমদ শফী