কোটিপতি ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী রফিক

বিশেষ প্রতিবেদক:
রফিকুল আলম বাবুল। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী তিনি। এক যুগেরও বেশি সময় এম.এল.এস.এস হিসেবে চাকরি করেছেন কক্সবাজার সদর ভূমি কার্যালয়ে। ওই কার্যালয়ের পাশেই কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ার স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে রীতিমতো প্রভাব খাটিয়ে দাপট দেখিয়ে অবৈধ পন্থায় কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। কোটি টাকা ব্যয়ে তিনতলা বিশিষ্ট আলিশান বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তার ছেলেকে রেলওয়েতে চাকরি দিতে ব্যয় করেছেন ১২ লাখ টাকা। নামে-বেনামে বিভিন্ন জায়গায় জমি কিনেছেন কয়েক কোটি টাকার। সরকারি ওই পদ ব্যবহার করে খতিয়ান জালিয়াতি, দালালি থেকে শুরু করে ভূমি কার্যালয় কেন্দ্রিক নানা অপকর্মে আলোচিত নাম রফিকুল আলম। এমনকি ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারী সমিতির নেতা পরিচয়েও তিনি দাপট খাটান খোদ ভূমি কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মচারীদের উপর। ক্ষমতার ছটি ঘুরান ভূমি কার্যালয়ে আসা সাধারণ মানুষের উপর।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের জুলাই মাসে এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে রফিকুল আলমকে কক্সবাজার সদর ভূমি কার্যালয় থেকে বদলি করা হয় রামুর গর্জনিয়া ভূমি কার্যালয়ে। কিন্তু সেখানেও তার অভ্যাসের পরিবর্তন হয়নি। গর্জনিয়া ভূমি কার্যালয়ে মাসের অধিকাংশ সময়ই তিনি অনুপস্থিত থাকেন। ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারী সমিতির নেতা পরিচয়ে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। তার ভয়ে তটস্থ থাকেন খোদ তার অফিসের লোকজনও। তার বেশির ভাগ সময় কাটে কক্সবাজার শহরে। তিনি কক্সবাজার শহরে অবস্থান করে খতিয়ান জালিয়াতি থেকে শুরু করে ভূমি অফিসের দালালী করে থাকেন। সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানী করেন। ভূক্তভোগী লোকজন জেলা প্রশাসনের ক্ষমতাধর এই ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন।

ভূক্তভোগীরা জানান, রফিকুল আলম কক্সবাজার সদর ভূমি অফিসে থাকাকালীন হয়রানীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খেয়েছেন। ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কাড়ি কাড়ি টাকা অবৈধ পন্থায় আয় করেছেন। আর এখন গর্জনিয়া ভূমি অফিসেও একইভাবে সাধারণ লোকজনকে হয়রানী করে চলেছেন।

গর্জনিয়া ভূমি অফিসে কাজ না করে অধিকাংশ সময় কক্সবাজার অবস্থান করে নানা অপকর্ম চালান। যে কয়দিন গর্জনিয়া থাকেন, সেসময় সাধারণ মানুষ তার হয়রানীতে অতিষ্ট থাকেন। ভূক্তভোগীদের প্রশ্ন-একজন ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারীর এতো ক্ষমতার উৎস কোথায়? তার এতো সম্পদের উৎস নিয়েও কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তিনি কক্সবাজার পৌর শহরের আলিরজাহাল এলাকায় কোটি টাকা ব্যয়ে তিনতলা বাড়ি নির্মান করেছেন। শহরের কলাতলী, চন্দ্রিমা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে কয়েক কোটি টাকার জমি কিনেছেন। তার এক ছেলেকে রেলওয়েতে চাকরি দিতে ১২ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। চলেন রাজার হালে। ভূমি অফিস কেন্দ্রিক তার কর্মস্থল হওয়ায় সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানী করে অতিষ্ট করে তুলছেন। কর্মস্থলে তার অনিয়ম, সাধারণ মানুষকে হয়রানী ও অবৈধ পন্থায় কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া গর্জনিয়া ভূমি অফিসের এম.এল.এস.এস রফিকুল আলম বাবুল এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভূক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুল আলম তার বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা এবং সবকিছু ষড়যন্ত্র বলেও দাবি করেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

রামিসার জানাজা বাদে এশা

প্রভাষক ইকবালের মেয়ে কলেজ ছাত্রী রামিসা মালিয়াতের অকাল মৃত্যু : সর্বত্র শোক

অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা,ইন্দন যোগাচ্ছে এনজিও

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

সন্তানের জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারন হারাম উপার্জন

ওসি মোয়াজ্জেম আদালতে

ভুঁয়া ফেসবুক আইডিতে অপপ্রচারকারী প্রতারককে ধরিয়ে দিন -লায়ন মুজিব

সিবিএন’র রেকর্ড: ২৪ ঘন্টায় এক প্রতিবেদন লক্ষাধিক শেয়ার!

ইতালিতে আন্তর্জাতিক ব্যাংকার সম্মেলনে শাহজাহান মনির

স্কুলে পাকা সিঁড়ি না থাকায় ঘটছে দুর্ঘটনা

ওসির দায়িত্ব পাচ্ছেন অ্যাডিশনাল এসপি

ট্রাম্পের নামে ইসরায়েলের অবৈধ বসতির উদ্বোধন

প্রথমবারের মতো মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জাতিসংঘ

ব্যক্তির অপকর্মের দায় কেন নেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আজ নির্বিঘ্নেই হবে বাংলাদেশের ম্যাচ!

ওসি মোয়াজ্জেমকে ফেনী পুলিশের কাছে হস্তান্তর

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভা

আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের আজীবন সম্মাননা পেলেন নায়িকা মৌসুমী

পেটের দায়ে রিকশা চালাচ্ছে রুমানা!

৪৭ বছরের অন্ধকার থেকে মুক্ত হলো ৪৮ হাজার মানুষ