cbn  

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

গাজীপুর সিটি নির্বাচন পুনরায় প্রমাণ করলো বর্তমান সরকার নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ‘ঐন্দ্রজালিক প্রহসনে’ পরিণত করেছে। পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের জনগণ ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করেছে। নির্বাচনের গণতান্ত্রিক রায় বাস্তবায়নের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে ‘৭৩ এর নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার খর্ব হতে থাকে। সামরিক শাসক জিয়া-এরশাদ ভূঁয়া ভোট, ভোট ডাকাতি, মিলিটারি ক্যু’র মাধ্যমে মানুষের ভোটের অধিকার তছনছ করে দিয়েছিল। ৯০‘র এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে বিজয়ের মাধ্যমে মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পায়। আওয়ামী লীগ-বিএনপি জবরদখলের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের কারণে নির্বাচন ব্যবস্থা পুণরায় প্রহসনে পরিণত করেছে।

আজ (২৯ জুন) শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির মিলনায়তনে জেলা কমিউনিস্ট পার্টি আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড দীলিপ দাশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাছির উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, সিপিবি জেলা কমিটির সহ সম্পাদক কমরেড অনিল দত্ত, সিপিবি সদর শাখার সহ সম্পাদক অভিজিৎ পাল কাজল, জেলা সিপিবির সদস্য কলিম উল্লাহ, সিপিবি রামু শাখার সম্পাদক দীপক বড়ুয়া, খেলাঘর জেলা কমিটির সদস্য ধ্রুব সেন, টিইউসি জেলা সংসদের যুগ্ন সম্পাদক মো. ইয়াকুব, জেলা যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার মার্টিন, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি অর্পন বড়ুয়া প্রমুখ।

সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ‘ঐন্দ্রজালিক প্রহসনে’ পরিণত করেছে। নির্বাচনে ভোটারের ভোট কোন গুরুত্ব বহণ করে না। ফলাফল পূর্বনির্ধারিত ছকের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে সরকার দলীয় প্রার্থীকে একচ্ছত্র সুযোগ দিয়ে নির্বাচনকে একতরফা করে যাদুকরী হাত সাফাইয়ের মাধ্যমে তথাকথিত বিজয় নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে মৌলিক কোন পার্থক্য নাই। দুই দলই বাজার অর্থনীতির সমর্থক, সমাজতন্ত্র বিরোধী। এরাই বিদেশর নীতি, সাম্রাজ্যবাদের তোষণ করে ক্ষমতায় থাকার অন্ধ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। তাদের ভিশন ২০-৩০ ইত্যাদি। আমাদের ভিশন এসবের বিপক্ষে। আমাদের ভিষণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা-এটাই আমাদের ভিশন ১৯৭১।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •