‘বৌদ্ধ পারিবারিক আইন’ বাতিলের দাবিতে সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা:

চট্টগ্রামে বিতর্কিত ”বৌদ্ধ পারিবারিক আইন” বাতিলের দাবিতে সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৬ জুন (মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে অনলাইন এক্টিভিস্টদের সম্মিলিত উদ্যোগে সংগঠিত হয়ে “বাংলাদেশে সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজ” এর ব্যানারে “বৌদ্ধ পারিবারিক আইন-২০১৮” প্রণীত খসড়া আইনের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এডভোকেট সুজন কুমার বড়ুয়া ও পুলক বড়ুয়ার আয়োজনে ড. জিনবোধি মহাথের ভিক্ষুর মঙ্গলাচরণে ও  ইঞ্জিনিয়ার সবুজ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন বৌদ্ধ ধর্মের গবেষক, সর্বজন শ্রদ্ধেয়, পন্ডিত ব্যক্তিত্ব ও বৌদ্ধদের আলোর দিশারী, ধর্ম দেশক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের চেয়ারম্যান ড: জিনবোধি মহাথের, সিনিয়র আইনজীবি ও চট্টগ্রামের বৌদ্ধ আইনজীবি সমিতির পক্ষে বিশিষ্ট বৌদ্ধ নেতা এডভোকেট সুনিল বড়ুয়া, বাংলাদেশ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সাবেক ভাইস প্রেডিডেন্ট ইঞ্জিনিয়র সুনিল বড়ুয়া, শিক্ষাবিদ অধ্যাপকপ্রভাষ কুসুম বড়ুয়া, ঢাকা থেকে আগত বাংলা সময়ের সম্পাদক প্রকাশক ও বাংলাদেশ অনলাইন নিউজপোর্টাল এ্যসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক প্রদীপ বড়ুয়া, মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ কল্যাণ পরিষদেরবিভুতি রঞ্জন বড়ুয়া, এস. প্রিয় পাল ভিক্ষু। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, ইঞ্জিনিয়র সবুজ বড়ুয়া, এডভোকেট রিগ্যান বড়ুয়া, রিয়েল বড়ুয়া, কুমার অভি বড়ুয়া, বাহির সিগন্যাল শাক্যমুনি বিহারের সাধারণ সম্পাদকসৈকত বড়ুয়া,  নিক্সন বড়ুয়া (সিডিএ),  বা:স:স: আন্দোলনের বোধিপাল বড়ুয়া, উদীয়মান শিক্ষাবিদ জুয়েল বড়ুয়া,  মানবাধিকারকর্মী সুসেন বড়ুয়া সম্ভু, প্রকৌশলী বিজয় তালুকদার, মানবাধিকার কর্মী ইন্দ্রসেনবড়ুয়া, সুনয়ন বড়ুয়া বিএইচএ, বিশ্বজিৎ বড়ুয়া রকি সহ আরও অনেকে।

ড.জিনবোধি মহাথের বলেন, বর্তমান সমাজে এই আইনের প্রভাব কি হবে, বৌদ্ধদের এই আইনে কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিনা, সব কিছু বিবেচনা করেই আইনটি করা প্রয়োজন। তাই এই আইন প্রত্যাহার করে নতুন করে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। তথাপি এই আইনে ভিক্ষুদেরকে একেবারেই উপেক্ষা করা হবে, সঙ্ঘ সম্পত্তির বিষয়ে আলোকপাত করা হয়নি।তিনি বৌদ্ধদের ঐতিহাসিক স্থানগুলোর সম্পত্তিতে সরকারের প্রজেক্ট করার জন্য বরাদ্দ দেয়ার ঘোর প্রতিবাদ জানান।

এডভোকেট সুজন কুমার বড়ুয়া বলেন, যারা আইনটি করেছে তাদেরকে কারা বলেছে এই আইনটি করতে, তারা কি বৌদ্ধদের নেতা, তাদের কি বৌদ্ধরা বলেছিল এই আইন করতে, কারা ম্যান্ডেট দিয়েছে এই আইন করার। তারা কি বৌদ্ধ সমাজের নেতা? সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন একক পরিবারে কিংবা শহরের দালান কোটায় বসবাস করে, সামাজিক অবস্থা বিবেচনা না করে, গ্রাম্য ও দরিদ্র পরিবারের কথা বিবেচনা না করে, এই ক্ষুদ্রবড়ুয়া জনগোষ্ঠী ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে,  স্বেচ্ছাকৃত ও মনগড়া একটি আইন করবেন বড়ুয়ারা সেই আইন মেনে নিবে, সেটা যদি ভেবে থাকেন তাহলে সেই কথিত নেতারা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন।

ত্রিরত্নের সভাপতি অভি বড়ুয়া বলেন, যেহেতু, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন- তারপর রামুতে উত্তম বড়ুয়া নামক ছেলের ফেইসবুকে ধর্মীয় অবমাননার বরাত দিয়ে কক্সবাজারের সর্বত্র একযোগে বৌদ্ধ মন্দিরেহামলা ও বড়ুয়াদের মিয়ানমারে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি- এরপর রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসা – বড়ুয়াদের ভয় দেখিয়ে সমস্ত মামলা তুলে নেয়া, এসব ঘটনার পর্যায়ক্রমে সাজালে এবং– এখন এই আইন করেবড়ুয়াদের উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া এগুলোর মধ্যে যোগসাজোশ আছে কিনা ভাল করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এই হামলার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমি নিজেও হুমকির মধ্যে পড়েছিলাম।

প্রদীপ বড়ুয়া বলেন যেহেতু ধর্মীয় গ্রন্থ, ধর্মীয় বিধিবিধান, ধর্মীয় রীতিনীতি, প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথাগত রীতিনীতি কে সনির্বদ্ধ করে, দেশের বৌদ্ধদের স্বার্থ রক্ষা করে, অধিকাংশ বৌদ্ধ জনগণের সর্বোচ্চ সুবিধাভোগের নিমিত্তে, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় না হওয়ার নিমিত্তে, ভবিষ্যতে সমাজে সবার ক্ষতির প্রভাব বিবেচনা করে, প্রান্তিক জনগণের শান্তি বয়ে আনতে যে সমস্ত রীতিনীতি লিখিত ভাবে সংবিধানে আনা হবেসেটাই আইন। অথচ এই আইনে তেমন কোন কিছুই পরিলক্ষিত হয়নি। সবচেয়ে বড় কথা হল, দেশের বৌদ্ধদের সিংহ ভাগ বৌদ্ধ হল, পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতি জনগোষ্ঠীরা, তাদেরকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র গুটিকতেক বড়ুয়াকে টার্গেট করে বৌদ্ধ আইন করাটা একটি প্রহসনমূলক ও দুরভিসন্ধিমূলক।

অভি বড়ুয়ার সাথে একমত পোষণ করে তিনি বলেন, কোন সন্দেহকেই এখন ছোট করে দেখার মত নেই, রামুর ঘটনা সবাই ভুলে গেলেও সেই ক্ষতস্থান ও শঙ্কা এখনও কাটেনি বড়ুয়া বৌদ্ধদের। হঠাৎ করে এই ধরনের উদ্ভট আইন করে জনগণকে বিভ্রান্তিতে ফেলানো কি কোন ষড়যন্ত্র নাকি সরষে ভূত সেটা এখনও দেখার বিষয় আছে। বড়ুয়াদেরকে সাবধান করে দিয়ে তিনি বলেন, বড়ুয়াদের এখন অস্থিত্বের জন্য লড়াইয়ে নামতে হবে। আমরা যাতাকলে পিষ্ট হয়ে যাব। সময় থাকতে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। ছেলেদের শ্বশুর বাড়ির সম্পত্তির লোভ দেখিয়ে, মেয়েদের বাবার বাড়িরসম্পত্তির লোভ দেখিয়ে, পিতাকে তার শ্বশুর বাড়ির লোভ দেখিয়ে, পিসিকে আমার পিতার সম্পত্তির লোভ দেখিয়ে, পুরো বড়ুয়া সমাজে যেভাবে আগুন জ্বালিয়ে দেয়ার বৃথা চেষ্টা করছেন। এই এইনের ফলাফল জিরো, তারমানে যেই লাও সেই কদু। হয়তো কিছু লোক এই আইনের ফলে কিছু সম্পত্তি পাবে তার চেয়ে হাজারগুন বেশি ক্ষতি হবে এই আইনে, পুরো বড়ুয়াই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আপনারা যেইফাঁদ পাতছেন, সেই ফাঁদে বড়ুয়ারা পা দিবেনা। বেশিরভাগ বড়ুয়ারা অশিক্ষিত হলেও বুদ্ধের অনুসারী তারা  জ্ঞানী ও এটা বুঝার ক্ষমতা অধিকার রাখে।

বাহির সিগনাল বৌদ্ধ বিহারের সাধারন সম্পাদক বাবু সৈকত বড়ুয়া বলেন, এই আইন যদি সমাজে প্রয়োগ করে সেটি হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত, বড়ুয়াদের নির্মূল করে দেবে সেটা একটা ছোট ছেলেরাও জানে। তাই অনতিবিলম্ব এই আইন প্রত্যাহার করা হউক।

চট্টগ্রাম মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক বাবু বিভূতি রঞ্জন বড়ুয়া বলেন,  উক্ত আইন কোন বৌদ্ধ আইনের আওতায় পড়েনা এবং এই আইন সমাজের বড়ুয়া ওরাখাইনদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য পুরোটাই ধ্বংস করবে। ঘরে ঘরে হামলা মামলা ও অশান্তি সৃষ্টি হবে তাই এই আইন বাতিল করা হউক।

এডভোকেট রিগ্যান বড়ুয়া বলেন, কিছু আইনজীবি বড়ুয়া মক্কেলের অভাবে আছেন, তাই ঘরে ঘরে মামলা বাঁধিয়ে দিয়ে টাকা আয়ের ফন্দি আটছেন। কারণ যত ঝামেলা তত টাকা। বড়ূয়াদের রক্ষা করতে হলে এই আইনটি প্রত্যাহারের কোন বিকল্প নাই।

মানবাধিকারকর্মী সুর্যসেন বড়ুয়া সঙ্কু, সরকারী সুবিধাভোগী ও কথিত বৌদ্ধ নেতাদের দ্বারা প্রণীত আইনের খসড়াটি ধর্ম মন্ত্রনালয়ে পাঠানোর ১০দিনের মধ্যে ওয়েভ সাইটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইমেইলে মতামত চাওয়াটা হাস্যকর, কারণ দেশের কয়জন বৌদ্ধ ইমেইল ব্যবহার করে সচেতন ব্যক্তিদের মনে হয় জানা নাই, কাল ক্ষেপন না করে আইনটি প্রত্যাহার করা হউক।

প্রজ্ঞাপাল ভিক্ষু বলেন, এই আইনটি প্রত্যাহার করে পুনরায় আইন করা হলে আমরা সহযোগীতা করব। অবশ্য সেই আইনের উৎস হতে হবে ত্রিপিটক ও প্রচলিত বৌদ্ধ রীতিনীতি অনুযায়ী।

নিক্সন বড়ুয়া সিডিএ বলেন, এই আইন অবিলম্বে প্রত্যাহার করে পরে সকল বৌদ্ধদের একত্রিত করে, সবার সম্মতি নিয়ে, সকল শ্রেনীর পেশাজীবিদের সমন্বয়ে আইন হবে। যদি এই আইন প্রত্যাহার করা না হয়, তাহলে সারাদেশের বড়ুয়া বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী একসাথে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।

উদীয়মান শিক্ষাবিদ জুয়েল বড়ুয়া বলেন, ধর্মীয় গ্রন্থ ও প্রতিরূপ দেশের পারিবারিক আইনের সমন্বয়ে বৌদ্ধ আইন করা বাঞ্চনীয়। উক্ত আইন বাতিল করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চাইলে এখনও নতুন করে উদ্যোগ নিতে পারে।

রিয়েল বড়ুয়া, বা:স:স: আন্দোলনের বোধিপাল বড়ুয়া,  , প্রকৌশলী বিজয় তালুকদার, মানবাধিকার কর্মী ইন্দ্রসেন বড়ুয়া, সুনয়ন বড়ুয়া বিএইচএ সহ আরও অনেকেই বক্তব্যে সবাই উক্ত আইনের বিরোধিতা করে ওসমালোচনা করে বলেন, এই আইন বড়ুয়াদের নিশ্চিহ্ন করবে, বড়ুয়াদের নিজ পরিবারের মধ্যে সংঘাত তৈরি করে, সমাজে ফায়দা লুঠতেই এই আইন করা হচ্ছে। এমনকি বৌদ্ধদের ধর্মীয় গুরু ভিক্ষু সমাজের মতামতনেয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। অন্যদিকে উক্ত আইনের উৎস কি সেটা কোথাও উল্লেখ নাই।

সভায় বক্তারা সবাই এই আইনটি প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান। যদি আইন করতে সরকার বাধ্যই করে থাকেন তাহলে দেশের সবস্থানের বৌদ্ধ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বৌদ্ধ ভিক্ষু, আইনজীবি, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী, সংগঠনিক নেতৃবৃন্দদেরকে একসাথে নিয়ে আইন করলে সেটা টেকসই হবে। নচেৎ বড়ুয়া সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে অচিরেই। এই আইন প্রত্যাহার না করলে বৌদ্ধ সমাজএকযোগে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

সভায় সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজের ব্যানারে দেশের সর্বত্র বৌদ্ধ সমাজে মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর কর্মসূচী ও প্রতিবাদ সহ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলীপি স্থানীয় টিএনও কিংবা জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেয়ার জন্যআহ্বান জানানো হয়। সেই সাথে ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রেস ক্লাবের সামনেও মানববন্ধন সহ সংবাদ সম্মেলন করার প্রস্তাব করা হয়। উপস্থিত সবাই একমত হয়ে উক্ত কর্মসূচী গুলো করার ব্যবস্থা করবে বলে আশ্বাস দেন।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

কর্মসুচিতে যোগ দিতে ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম আসছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সম্মেলনকে ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য : চাপিয়ে দেয়া কমিটি মানবে না!

 বিচার শুরুর অপেক্ষায় খালেদা জিয়ার আরও ৭ মামলা

অক্টোবর থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা শফীর অভিনন্দন

রাত ১০-১১টার পর ফেসবুক বন্ধ চান রওশন এরশাদ

আফগানদের কাছে বাংলাদেশের শোচনীয় পরাজয়

আজ পবিত্র আশুরা

দেশের স্বার্থেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন : প্রধানমন্ত্রী

সরকারের শেষ সময়ে আইন পাসের রেকর্ড

রাঙ্গামাটিতে ঘুম থেকে তুলে দু’জনকে গুলি করে হত্যা

শেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে ‘ধোঁয়াশা’ কাটবে এ মাসেই

বিষাদময় কারবালার ইতিহাস

পবিত্র আশুরা : সত্যের এক অনির্বাণ শিখা

নবাগত জেলা জজ দায়িত্ব গ্রহন করে কোর্ট পরিচালনা করলেন

নজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমান

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে  “শুদ্ধ উচ্চারণ, আবৃত্তি, সংবাদপাঠ ও সাংবাদিকতা” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা 

রামুর কচ্ছপিয়াতে রুমির বাল্য বিবাহের আয়োজন

সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে- এমপি কমল