পিতার পাশে শায়িত হলেন বিএনপি নেতা সাবেক হুইপ ওয়াহিদুল আলম

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

ছয়দফা জানাযা নামাজ শেষে পিতার কবরের পাশে শায়িত হলেন জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য ও সাবেক চীফ হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম। গতকাল মঙ্গলবার ( ২৯ মে) বাদ জহুর হাটহাজারীর লালিয়ারহাট মাদ্রাসা ময়দানে এলাকায় তাঁর শেষ জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তার পিতা সৈয়দ আবদুস সাত্তারের কবরেই তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকাল ১১টায় হাটহাজারী পার্বতী স্কুল মাঠে পঞ্চম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। প্রিয়নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় দিতে হাটহাজারীর বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে দল মত নির্বিশেষে সকল স্তরের মানুষজন উপস্থিত হন। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় পুরো স্কুল মাঠ। নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

জানাযার আগে বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। মন্ত্রী বলেন, ‘সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের সাথে আমার সম্পর্ক ৪০ বছরের। দলের সহকর্মী হিসেবেও কাজ করেছি আমরা। আবার প্রতিপক্ষ হয়ে তার বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছি। হেরেছি আবার জিতেছি। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনদিন সম্পর্কের অবনতি হয়নি। হাটহাজারীর মাটি ও মানুষ ওয়াহিদুল আলমকে ভুলতে পারবে না।

বক্তব্যে রাখেন, সাবেক মন্ত্রী মীর মো.নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরীসহ প্রমূখ। জানাযায় অংশগ্রহণ করেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো.নাছির উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী,কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনালেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মীর হেলাল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির, হাটহাজারী কলেজের অধ্যক্ষ মীর কফিল উদ্দিন সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। দাফনের পর সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের কবরে বিভিন্ন সংগঠন, রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ফুল দেয়া হয়। উল্লেখ্য গত রোববার ধানমন্ডির সেন্ট্রাাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টার দিকে সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিলো ৭৩ বছর। যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি হিসেবে বিএনপির রাজনীতিতে হাতেখড়ি সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের। পরে বিএনপি থেকে হয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

১৯৯১ সালে প্রথম ধানের শীষে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬, ২০০১ সালে সংসদ সদস্যসহ মোট চারবার নির্বাচিত হন। ২০০১-০৬ সাল পযর্ন্ত জাতীয় সংসদের হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালনসহ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়কও ছিলেন তিনি। সর্বশেষ বিএনপির কাউন্সিলে তাকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনোনীত করা হয়। সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের বড় মেয়ে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

অপরাধ দমনে চট্টগ্রামে আইপি ক্যামেরা বসাচ্ছে সিএমপি পুলিশ 

বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়

রামুতে ৩৮ হাজার ইয়াবার ট্রাক সহ আটক ২

খুরুস্কুল বাসীকে কাঁদিয়ে চির বিদায় নিল মেধাবী ছাত্র মিশুক

টেকনাফে অভিযানেও থামছে না ৩ ভাইয়ের ইয়াবা বানিজ্য

পেকুয়ায় চাঁদার দাবীতে দোকান সংস্কারে বাধা ও ভাংচুর

গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন মেয়র মুজিবুর রহমান

চকরিয়ায় সুরাজপুর আলোকশিখা পাঠাগার’র চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ ও গুণীশিক্ষক সংবর্ধনা

কক্সবাজার ক্রীড়া লেখক সমিতির কমিটি গঠিত

সাংবাদিক বশিরের মাতার জানাযা সম্পন্ন বিভিন্নমহলের শোক

বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন

টেকনাফ সাংবাদিক ফোরাম’র আহবায়ক কমিটি গঠিত

কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন অধ্যাপক আজিজ

“দুখরে রোগে ও ভয় পায়!”

নিরাপদ জীবনে ফিরতে চায় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা

রোববার থেকে বিএনপির সাক্ষাৎকার শুরু

মিয়ানমারে শতাধিক রোহিঙ্গা গ্রেফতার

বিএনপি নেতা আবু সুফিয়ান (চট্টগ্রাম-৮) আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন

কক্সবাজার-২ আসনে কারাবন্দী আবুবকরের পক্ষে মনোনয়ন ফরম জমা

ঈদগাঁওতে ইউনিক পরিবহন ও টমটমের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৪