cbn  

আবদুল মজিদ, চকরিয়া:

চকরিয়ায় ২৮ মে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাতামুহুরী নদীর চিরিঙ্গা সেতুর জরুরি মেরামত কাজ। ফলে আগামী চারদিনের প্রতিরাতে মেরামত কাজ চলবে। এ কারনে প্রতিরাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত সড়কে সকল ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। মাতামুহুরী ব্রীজের জরুরী মেরামত কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

তবে মেরামত কাজের সময়ে উল্লেখিত চারদিন রাত ১২টা থেকে ভোর-সকাল ৬টা পর্যন্ত মহাসড়কের চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের একতাবাজার দিয়ে এবং পেকুয়া-ঈদমণি-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক হয়ে ফের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ও চট্টগ্রামের পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী-পেকুয়া-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক হয়ে যানবাহন চলাচল করার জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়েছে কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানাপ্রিয় বড়–য়া।

কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী নদীর চিরিঙ্গা সেতুর জরুরি মেরামত কাজ শুরু হওয়ার প্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার ২৮ মে থেকে রাত থেকে ৩১ মে পর্যন্ত চারদিন রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে সেতুর উপর দিয়ে। এজন্য বিকল্প হিসেবে চট্টগ্রামের পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী-পেকুয়া-চকরিয়া তথা পিএবিসি আঞ্চলিক মহাসড়ককে ব্যবহার করতে সকল ধরনের যানবাহন চালক-মালিকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানাপ্রিয় বড়ুয়া বলেন, মেয়াদ উর্ত্তীণ হওয়ার কারনে যানবাহন চলাচল চরম ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হয়ে উঠেছে মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী নদীর উপর নির্মিত চিরিঙ্গা পয়েন্টে সেতুটির উপরিভাগের একটি অংশ। ফলে যানবাহন চলাচল নিবিঘœ করতে সড়ক বিভাগ বিভাগের পক্ষ থেকে সেতুটির জরুরি মেরামত কাজ শুরু করা হচ্ছে আজ সোমবার থেকে। এজন্য এদিন রাত ১২টার পর থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বিশেষ করে রাতে সেতুটির উপর দিয়ে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।’

নির্বাহী প্রকৌশলী মাতামুহুরী নদীর চিরিঙ্গা সেতুর জরুরি মেরামত কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন। পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকলের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •