শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে যাবে বিএনপি?

শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে যাবে বিএনপি?

ডেস্ক নিউজ:

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন নয়- এই মৌলিক দাবি থেকে সরে আসছে বিএনপি। বিএনপি এবং কূটনৈতিক সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, শর্তসাপেক্ষে শেখ হাসিনার অধীনেও নির্বাচনে যেতে রাজি বিএনপি। এ ব্যাপারে বিএনপির নেতারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে তাদের মনোভাব জানিয়েছে। এই তিনটি দেশই বিএনপির নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করেছিল বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ফর্মুলা তৈরির জন্য। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি ৫ টি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার সম্মতি জানিয়েছে। এই পাঁচ শর্ত হলো:

১. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে।

২. নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

৩. বর্তমান নির্বাচন কমিশন ভেঙে দিয়ে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

৪. আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকারের কার্যপরিধি সুনির্দিষ্ট করা হবে।

৫. বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের উপর নিপীড়নমূলক সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং আটক নেতা-কর্মীদের ফেরত দিতে হবে।

যোগাযোগ করা হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য এই প্রস্তাবের কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, ‘এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আমরা দেইনি। দাতা দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের নিয়মিত কথাবার্তা হচ্ছে। সেখানে আমরা বলেছি, ‘এটা হলো বটম লাইন। নূন্যতম এটুক হলে আমরা নির্বাচনে যেতে পারবো।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন,  ‘আমরা একটা অদ্ভুত অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। বিএনপি নির্বাচনে যেতে মরিয়া আর আওয়ামী লীগ সর্বশক্তি দিয়ে আমাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে। তারা একের পর এক এমন কাজ করছে যেন বিএনপি নির্বাচন না আসে। বিএনপি নির্বাচনে এলে তাদের ভরাডুবি নিশ্চিত।’ তিনি বলেন, ‘আমরা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক এর দাবি থেকে সরে আসিনি। আমাদের কথা খুব স্পষ্ট, আমরা এমন একটা নির্বাচন চাই যেখানে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দাতা দেশগুলোই এখন সহায়ক বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণাকে সমর্থন করে না। তবে তাঁরা চায়, এখন একটি নির্বাচনী পরিবেশ যেখানে বিএনপি অংশ নিতে পারে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই বিএনপি এই পাঁচ শর্ত দিয়েছে। তবে বেগম জিয়ার মুক্তি এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গটি বিএনপির পাঁচ দফা দাবির মধ্যে নেই। অবশ্য পঞ্চম দাবিতে বিএনপি সব নেতাকর্মীদের মামলা প্রত্যাহারের কথা বলেছে। কৌশলগত কারণে বেগম জিয়ার মুক্তির ইস্যুটি তাঁরা আলাদাভাবে বলেনি।

দাতা দেশগুলো চাইছে নির্বাচনের আগে একটা রাজনৈতিক সমঝোতা। তাঁরা এই পাঁচটি ইস্যু নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গেও কথা বলবে। তবে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, এইসব পুরনো দাবি। এই দাবিগুলো যে গ্রহণযোগ্য নয় তা আগেই আওয়ামী লীগ বলেছে।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

নবাগত জেলা জজ দায়িত্ব গ্রহন করে কোর্ট পরিচালনা করেছেন

নজিব আমার রাজনৈতিক বাগানের প্রথম ফুটন্ত ফুল- মেয়র মুজিবুর রহমান

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে  “শুদ্ধ উচ্চারণ, আবৃত্তি, সংবাদপাঠ ও সাংবাদিকতা” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা 

রামুর কচ্ছপিয়াতে রুমির বাল্য বিবাহের আয়োজন

সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে- এমপি কমল

আইসক্রিমের নামে শিশুরা কী খাচ্ছে?

উদীচী কক্সবাজার সরকারি কলেজ শাখার দ্বিতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পেকুয়ায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে জখম

আনিস উল্লাহ টেকনাফ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত

চকরিয়া উপজেলা যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ও আহবায়ক কমিটি গঠিত

জেলা আ.লীগের জরুরি সভা শুক্রবার

চবি উপাচার্যের সাথে হিস্ট্রি ক্লাবের সাক্ষাৎ

পেকুয়ায় কুপে আহত ব্যবসায়ী হাসপাতালে যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে

সদর-রামু আসনে নজিবুল ইসলামকে নৌকার একক প্রার্থী ঘোষণা পৌর আ. লীগের

যোগাযোগ মন্ত্রীর আগমনে ঈদগাঁওতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

রাষ্ট্রপতির প্রতি আহবান: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্বাক্ষর না সংসদে ফেরৎ পাঠান

উত্তপ্ত চট্টগ্রাম কলেজ, সক্রিয় বিবদমান তিনটি গ্রুপ

চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠে আন্ত:ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হোপ ফাউন্ডেশনের ৪০শয্যার হসপিটাল উদ্বোধন

পৌর কাউন্সিলরসহ ৪ মাদক কারবারির বাড়িতে অভিযান, নারীসহ দুই জনের সাজা