বিদেশে পড়াশোনার প্রস্তুতি ও করণীয়

বিদেশে পড়াশোনার প্রস্তুতি ও করণীয়

প্রস্তুতি এমন একটি বিষয় যা আপনাকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে। সফল ব্যক্তিরাই প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। প্রস্তুতি ছাড়া কেউ জীবনে সফল হতে পারে না। তাই যে সব ছাত্র-ছাত্রী তাদের স্বপ্নের দেশে পড়াশোনা করতে চান তাদের অবশ্যই থাকতে হবে পূর্বপ্রস্তুতি। আজ আমরা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য প্রস্তুতি ও করণীয় সম্পর্কে জানবো-

স্টুডেন্ট ভিসা কী

যা থাকতে হবে

১. একজন শিক্ষার্থীর অবশ্যই জন্ম সনদ ও পাসপোর্ট থাকতে হবে।

২. বাংলাদেশে সর্বনিম্ন ১২ বছরের পড়াশোনা অর্থাৎ এইচএসসি বা সমমানের পাস হতে হবে।

৩. একাডেমিক রেজাল্ট সর্বনিম্ন ৩.০ হতে হবে। অর্থাৎ এসএসসি ও এইচএসসি মিলে সর্বনিম্ন ৬.০ হতে হবে।

৪. আপনার আইইএলটিএস (ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টিং সিসটেম) থাকতে হবে। আপনার স্ট্যান্ডার্ড স্কোর ৬.৫ থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনার স্কোর যদি ৬.৫ না হয় তাহলে আপনাকে অল্প সময়ের জন্য ইএসএল (ইংলিশ অ্যাজ সেকেন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ) প্রোগ্রাম নিতে হবে। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আইইএলটিএস না করেই সরাসরি ইএসএল প্রোগ্রামে ভর্তি হতে চায়। এ ক্ষেত্রে ভিসা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আইইএলটিএস করে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৫. আপনাকে আগের শিক্ষার ধরন অনুযায়ী অর্থাৎ বিজ্ঞান, কলা, বাণিজ্যের ব্যাকগ্রাউন্ড অনুযায়ী বিষয় বা প্রোগ্রাম সিলেক্ট করতে হবে। অর্থাৎ বিজ্ঞানের ছাত্রের কলার বিষয় সিলেক্ট করা উচিত নয়। অনেকেই এ ভুলটা করে থাকেন। ফলে ভিসা পান না।

৬. প্রত্যাশিত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের রিকোয়ারমেন্ট ফিলআপ করেই অ্যাডমিশন বা অ্যাকসেপট্যান্স লেটার ইউনিভার্সিটি বা কলেজ থেকে নিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে যদি আপনার লেটারটি নন কন্ডিশনাল হয় তাহলে খুব ভালো। টিউশন ফির বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। টিউশন ফি বেশি হলে এফোর্ড করতে পারবেন না।

৭. আপনাকে অবশ্যই ন্যূনতম ৬ মাসের অর্থাৎ প্রথম সেমিস্টারের টিউশন ফি ভিসার আগে কলেজ বা ইউনিভার্সিটিকে দিতে হবে। এটা ভিসা পাওয়ার জন্য ভালো। যদি টিউশন ফি ভিসার আগে না দেন, তবে ভিসা অফিসার আপনাকে গরিব ছাত্র হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। সুতরাং ভিসার আগেই টিউশন ফি দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৮. আপনার ব্যাংক স্পন্সর থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে যে কেউ আপনার স্পন্সর হতে পারে। তবে ফার্স্ট ব্লাড স্পন্সর হওয়া সর্বোত্তম। যিনি আপনার স্পন্সর হবেন, তার সোর্স অব ইনকাম দেখাতে হবে।

৯. বর্তমানে অনেক ইউনিভার্সিটি বা কলেজে পোস্ট গ্রাজুয়েট পড়াশোনা করার জন্য জিআরই, জিএমএটি জরুরি। সুতরাং শিক্ষার্থীদের এ বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।

১০. যারা পিএইচডি করতে চান, তাদের আইইএলটিএসে গুড ইউজার গ্রেডসহ ন্যূনতম ২-৫ বছরের রিসার্চ পেপার ও পাবলিকেশন থাকতে হবে।

১১. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেটসহ ইন্টারভিউ প্রিপারেশন থাকতে হবে। তবে সব দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

১২. যে দেশে যাবেন, সে দেশের অ্যাম্বাসি থেকে ডকুমেন্ট চেকলিস্ট অনুযায়ী ভিসার অ্যাপ্লিকেশন ও ডকুমেন্টস তৈরি করতে হবে। যা অ্যাম্বাসি থেকে জেনে নিতে পারবেন।

১৩. এসবের বাইরেও অ্যাম্বাসি কর্তৃপক্ষ যে কোনো অ্যাডিশনাল ডকুমেন্টস চাইতে পারে। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মাথায় রাখতে হবে।

cbn

সর্বশেষ সংবাদ

দলের করণীয় বললেন মওদুদ

সরকারের উন্নয়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে যোগ্য কান্ডারী কছির

উন্নয়ন ও জনসেবায় চকরিয়া-পেকুয়াবাসিকে আস্থার প্রতিদান দিব- জাফর আলম এমপি

বিক্ষুব্ধ বাংলাদেশি শ্রমিকদের আক্রমণের শিকার কুয়েত বাংলাদেশ দূতাবাসে

হুইল চেয়ারে মুহিত, পাশে নেই সুসময়ের বন্ধুরা

ভারত থেকে পালিয়ে আসা ১৩শ’ রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে

উপজেলা নির্বাচনে ‘স্বতন্ত্রভাবে’ অংশ নেবে বিএনপি

ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছাত্রলীগ নেতা হিমুর ব্যাপক গনসংযোগ

চট্টগ্রামে ৩টি হাইটেক পার্ক হচ্ছে

সংরক্ষিত আসনে এমপি চান মহেশখালীর মেয়ে প্রভাষক রুবি

ঈদগাঁওতে নৌকার চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী রাশেদের গণসংযোগ

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক

কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১১

গণিত ছাড়া জীবনই অচল : জেলা প্রশাসক

উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, চালক আটক

শহর কৃষক লীগের সভাপতির মামলায় ওয়ার্ড সভাপতি গ্রেফতার

২৭০০ ইউনিয়নে সংযোগ তৈরি, বিনামূল্যে ইন্টারনেট ৩ মাস

লাইনে দাঁড়িয়ে বার্গার কিনলেন বিল গেটস!

সৌদিতে আমরণ অনশনে রোহিঙ্গারা

একটি পুলিশী মানবতার গল্প