বার্তা পরিবেশক :
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান কক্সবাজারের আলোকিত মানুষ মরহুম আমিরুল কবির চৌধুরীর স্মরণ ও শোকসভা গত ১৫ মে ২০১৮ ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক অধ্যাপক শফিউল আলম। ঢাকায় বসবাসরত বৃহত্তর চট্টগ্রামের (কক্সবাজার জেলাসহ) অধিবাসীদের উদ্যোগে সভার আয়োজন করা হয়।
বিচারপতি মরহুম আমিরুল কবির চৌধুরীর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন অনুসরণীয় দিক নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সাবেক বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি জে. বি. এম. হাসান, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব এম এম নাসির উদ্দিন, সাবেক সিনিয়র সচিব মাফরুহা সুলতানা (মেরি), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধান বন সংরক্ষক (সিসিএফ) ইশতিয়াক উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
বক্তাগণ মরহুম বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরীর কৃতিময় জীবন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর সততা, দৃঢ়তা, মানবিকগুণাবলী ও তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
বক্তাগণ বলেন, মরহুম বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী ছাত্রজীবনে ১৯৫২ সালে কক্সবাজার হাইস্কুলে অধ্যয়নকালে ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন ও ছাত্রদের আন্দোলন, মিছিলে নেতৃত্ব দেন। তিনি চট্টগ্রাম শহরে কক্সবাজার সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন।
শোক ও স্মরণসভার প্রধান আয়োজক সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী আমিরুল ইসলাম ও ঢাকা হাইকোর্টের আইনজীবী ফখরুদ্দিন আহমদ মরহুম বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরীর জীবনালেক্ষ নিয়ে আলোচনা করেন।
শোকসভা ও স্মরণসভায় মরহুমের পরিবারের সদস্য ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই মরহুম বিচারপতির রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।
সভায় গৃহীত শোক প্রস্তাব মরহুমের পরিবারের নিকট প্রেরণ করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, মরহুম বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী ১৯৪১ সালে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের নুনাছড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •