কুতুবজোম আওয়ামী লীগ নেতা কবির আহামদ মেম্বার আর নেই

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
কুতুবজোম ইউনিয়নের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা মেম্বার ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কবির আহামদ মেম্বার ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তিনি ১৭ মে বিকাল ২.৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কবির আহামদ কুতুবজোম ইউনিয়নের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের সময়ে প্রতিষ্ঠাতা মেম্বার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রকাশ করেছেন কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কবির আহামদ সওদাগর, বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন খোকন, কুতুবজোম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম রবি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মাষ্টার লেয়াকত আলী, আওয়ামীলীগ নেতা ডাঃ আমিরুজ্জামান আমজু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মন্নান, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শেখ কামাল, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক গোলম কিবরিয়া প্রমুখ। আগামীকাল সকাল শক্রুবার সকাল ১০ টায় ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে কবির আহামদ মেম্বার জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।কুতুবজোমের আওয়ামীলীগ নেতা কবির আহামদ মেম্বার আর নেই।

 

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

কলেরা টিকা পাবে আরো তিন লক্ষাধিক রোহিঙ্গা

নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে সরকার: ফখরুল

খালেদার দু’টি আসন পাচ্ছেন দুই পুত্রবধূ!

সেন্টমার্টিনে ২ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

ডেসটিনির চেয়ারম্যানের ৩ বছর কারাদণ্ড

যশোরে বিদেশী পিস্তল ও ম্যাগজিনসহ যুবক আটক

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে রাঙামাটিতে আলোচনা সভা

উখিয়ার কলেজছাত্রী হত্যাকারী সন্ত্রাসী কবিরের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

চকরিয়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ক কর্মশালা

আলমগীর ফরিদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার

নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ

যুক্তরাষ্ট্রও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিরোধী

গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা

এড. সালাহ উদ্দীন কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপি’র ফরম সংগ্রহ করলেন

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার কথা শুনে ক্যাম্প ছেড়ে পালানোর চেষ্টা রোহিঙ্গাদের

কারাবন্দির পাকস্থলিতে মিললো ৪০০ ইয়াবা

লামায় বিষপানে যুবকের মৃত্যু

আলীকদমে পাহাড় কেটে ইটভাটা

লুৎফুর রহমান কাজল মনোনয়ন ফরম জমা করেছেন

একটি পোপা মাছের দাম কেন ৮ লাখ টাকা?