লামায় জিম্মায় থাকা ২৭ হাজার ঘনফুট পাথর উধাও

মো. নুরুল করিম আরমান, লামা:

নিলামের আগেই বান্দরবানের লামা উপজেলায় জব্দকৃত ২৭ হাজার ঘনফুট পাথর উধাও হয়ে গেছে। স্থানীয়রা শনিবার স্টকে কোন পাথর না দেখে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দুর্বলতা ও উদাসীনতাকেই দায়ী করা করছেন সচেতন মহল।

জানা গেছে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারী উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বনপুর এলাকার ৩টি স্তুপে অবৈধভাবে উত্তোলন ও মজুদকৃত ২৭ হাজার ঘনফুট পাথর আটক করে ডিশডেবা বিজিবি’র সদস্যরা। পরে উপজেলা প্রশাসনকে পাথর আটকের বিষয়টি জানালে নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সায়েদ ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে পাথরগুলো জব্দ করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আপ্রুচিং মার্মার জিম্মায় দেন। পরবর্তীতে পাথর আটকের ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বান্দরবান জেলা প্রশাসনের কাছে মতামত চাইলে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসক। এ প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাশাসনের নির্দেশে লামা থানা পুলিশ মালিক বিহীন পাথরগুলো নিলামের অনুমতি চেয়ে লামা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করে। আদালত এখনো কোন সিদ্ধান্ত দেয়নি। এরই মধ্যে গত ৫দিনে জব্দকৃত স্টকের পাথরগুলো উধাও হয়ে যায়। প্রসঙ্গত, গত ৩ মে ২০১৮ইং স্থানীয় আলী হোসেন মিজান, প্রদীপ কান্তি দাশ ও মো. নাছির উদ্দিনের নামে এক মাসের মেয়াদে ৪০ হাজার ২শত ঘনফুটের ৩টি পাথরের পারমিট প্রদান করে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছে, এই তিনটি পারমিট দিয়ে সমগ্র উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর পাচার হয়ে যাচ্ছে। এদিকে জব্দকৃত পাথর উধাও হয়ে যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, উধাও হওয়া পাথরগুলি নিলাম হলে সরকারের কমপক্ষে ৩ লক্ষাধিক টাকা রাজস্ব আয় হত।

পাথরের জিম্মাদার আপ্রুচিং মার্মা বলেন, জিম্মায় থাকা পাথরগুলো গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পাথর ব্যবসায়ী হুমায়ন, জামাল উদ্দিন ফকির ও মহিউদ্দিন মহিম গায়ের জোরে নিয়ে গেছেন। তাদের সংঘবদ্ধ গ্রুপ রয়েছে। জীবনের মায়ায় আমি প্রতিবাদ কিংবা বাঁধা প্রদান করতে পারিনি। তবে লামা থানাকে জানিয়েছিলাম। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে পাথরগুলো দেখার দায়িত্ব ছিল লামা থানা পুলিশের।

লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন বলেন, জিম্মায় থাকা পাথর উধাও হওয়ার বিষয়ে শুনিনি। তবে জব্দকৃত পাথরগুলো স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় দেয়া হয়েছিল। স্টক থেকে পাথর উধাও হয়ে গেলে জিম্মাদারকে জবাব দিহি করতে হবে।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুর-এ জান্নাত রুমি বলেন, যেহেতু জব্দকৃত পাথরের ঘটনায় উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা চলমান, সেহেতু এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবেনা। আদালতের নির্দেশনা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাধীনতা দিবসে নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের কাবাডি প্রতিযোগিতা 

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধান্ঞ্জলি

রাজারকুল আজিজুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালন

শহীদ মিনারে জেলা বিএনপি’র শ্রদ্ধাঞ্জলি

রত্নগর্ভা রিজিয়া আহম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

শহীদ মিনারে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধান্ঞ্জলি

গভীর শ্রদ্ধায় জেলা পুলিশ বিভিন্ন কর্মসূচিতে পালন করলো স্বাধীনতা দিবস

আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে গণহত্যা ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

রামিম ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছে

চট্রগ্রামে গোয়েন্দা পুলিশের পৃথক অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ৩

থিমছড়ি অরবিট মডেল একাডেমী এন্ড কেজি মাদ্রাসায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালন

শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

নানা আয়োজনে কুতুপালংয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

খরুলিয়ার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

কক্সবাজার কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন

পেকুয়ায় পাহাড় কেটে রাস্তা নির্মাণ

‘গণ্ডি’ ছবির জন্য কক্সবাজারে সব্যসাচী

সাইবার অপরাধীদের নজর এখন ব্যাংকিং সেক্টরে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

ওবায়দুল কাদেরকে কেবিনে স্থানান্তর