শাপলা চত্বরের শহীদদের আমরা ভুলতে পারিনা : বিবৃতিতে হেফাজত

জে,জাহেদ চট্টগ্রাম:

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও সংগ্রামী মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী আজ এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। তবে কোন কর্মসূচি পালন করেনি।

বিবৃতিতে তারা বলেছেন, ২০১৩ সালে কতিপয় নাস্তিক আল্লাহ, রাসূল, পবিত্র কুরআন-হাদীস অবমাননা এবং ইসলামের প্রতীক সমূহের ওপর জঘণ্যতম আক্রমন করে ইসলাম, মুসলমান ও আলিম-ওলামাদের হেয়প্রতিপন্ন করার হীন চেষ্টা চালাচ্ছে।

তাদের বিরুদ্ধে হরদম মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভক্ত করার অপতৎপরতা চালিয়েছে। তখনই এদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে শান্তিপূর্ণভাবে হেফাজতে ইসলাম ৫ মে রাজধানী ঢাকা অবরোধ করেছিল।

যা বাংলাদেশের হক্কানী ওলামা-পীর-মাশায়েখ, আশেকে রাসূর সা. ও দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতার জন্য রক্তঝরা এক ঐতিহাসিক দিন। কেননা ঐদিনের ট্রাজেডি অত্যন্ত মর্মান্তিক, মর্মাহত ও বেদনাদায়ক।

নেতৃদ্বয় বলেন, সারাদিন অবরোধে অবস্থান নেয়া হেফাজত কর্মীরা যখন ক্ষুধা, পিপাসায় ক্লান্ত শরীরে হাহাকার তখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের জন্য সরবরাহকৃত খাবার ও পানির গাড়ি বন্ধ করে দেয়।

সন্ধ্যা থেকেই রাস্তার লাইট বন্ধ করে, মতিঝিলের আশেপাশের বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে অন্ধকার তৈরী করে ইতিহাসের বর্বরোচিত হত্যাকান্ড চালিয়েছেন। নিরস্ত্র ঈমানদার নবীজী সা. এর সৈনিকদের ওপর।

পত্রিকার রিপোর্ট মতে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার গুলি, রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস, পিপার গান, বৃষ্টির মতো সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়েছে পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবির যৌথ বাহিনী নিরীহ, নিরাপরাধ, তাহাজ্জুদ গুজার, জিকিররত আলেম হাফেজদের ওপর।

এতে অংশ নিয়েছিলো বিভিন্ন বাহিনীর ৭৫৮৮ জন সদস্য। এই নজির বিহীন হত্যাকাণ্ড হালাকু খান, চেঙ্গিস খানের নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে।

যা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালোরাতে হানাদার বাহিনীর বর্বরতার চাইতেও ভয়াবহ। ২০১৩ সালের ৫ মের শাপলা চত্বরের গণহত্যায় চালিয়ে যৌথ বাহিনী ইতিহাসে এক নতুন কারবালা সৃষ্টি করেছে।

তাদের জানা দরকার হেফাজত কাফেলার মাতৃভূমি কিন্তু বাংলাদেশ। তারা এদেশের নাগরিক, আইন বিরোধী কোন কর্মকান্ডে তারা জড়িত নয়। কোন দাগি আসামিও নয়, আলেমরা শান্তি প্রিয়, সমাজে তারা মর্যদাশালী।এরা কোন অন্যায় করেনা।

আলেম ওলামাদের সাথে জুলুমের পরিনতি খুব ভয়াবহ। আল্লাহর অলিদের বিরুদ্ধে যারা বিদ্বেষ পোষণ করে, অন্যায় জুলুম করে অল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।২০১৩ সালে ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে যারা রক্ত দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, তারা কেবল মহান আল্লাহ ও প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সা. এর ভালবাসা নিয়ে ইসলামের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

তাদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। হেফাজতে ইসলাম যে ১৩ দফা দাবি নিয়ে সেদিন ময়দানে নেমেছিল সে দাবি আজও পূরণ হয়নি।

এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত হেফাজত আন্দোলন চালিয়ে যাবে। ঈমান রক্ষার আন্দোলনে যারা শাহাদত বরণ করেছেন তারা আমাদেরই ভাই, তাদেরকে আমরা ভুলে যেতে পারি না।

শাপলা চত্বরের শহীদদের বিচার বাংলার সবুজ চত্বরে একদিন হবে ইনশাআল্লাহ।

যারা সেদিন শাহাদাত বরণ করেছেন আমরা দোয়া করি আল্লাহ তাদেরকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন।

আর যারা আহত হয়েছেন আল্লাহ তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিবেন। তিনি দেশবাসীকে শহীদ ও আহতদের জন্য দোয়া করার আহবান জানান।

cbn

সর্বশেষ সংবাদ

একটি ব্রিজের অভাবে দুর্ভোগ এলাকাবাসীর

রক্তাক্ত ২১ আগস্ট আজ

পেকুয়া’র নতুন ইউএনও সাঈকা শাহাদাত

পাকিস্তানের গুলিতে ভারতের ৬ সেনা নিহত

চকরিয়া পূর্বনলবিলা ভরাখাল উন্মুক্ত করার দাবীতে মানববন্ধন

কক্সবাজারে জন্মাষ্টমী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

পেকুয়া কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় পরিদর্শনে কক্সবাজারের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক

২১শে আগস্টের প্রথম প্রহরে মগনামায় ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জলন

ঐতিহ্যবাহী হোটেল প্যানোয়ার ‘নাহার রেষ্টুরেন্ট’ চালু হয়েছে

রামুতে ইউসেপ বিষয়ক ২দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

উখিয়ায় অবশেষে সিএনজি ভাড়া নির্ধারণ, মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বস্তাভর্তি টাকা : এবার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা গ্রেফতার

প্রকাশিত সংবাদে শাহিনুল ইসলামের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

উখিয়ায় ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

টেকনাফের সাংবাদিক নুরুল হোসাইনের জন্মদিন পালন

রামু লম্বরীপাড়া দারুল কুরআন নূরানী একাডেমীতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

লোহাগাড়ায় বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

৪র্থ বারের মতো রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ হলেন উখিয়া সার্কেলের অতি: এসপি তাইয়ান

চকরিয়ায় মামলা তুলে না নেয়ায় বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি